সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আলোচনায় তরুণ নেতা রহমতুল্লাহ খান মিথুন

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার মোঃ জসিমভ সরদার
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তরুণ, সৎ, নির্ভীক ও প্রতিবাদী নেতা মোঃ রহমতুল্লাহ খান মিথুন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সেন্টাল ল’ কলেজ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরাম, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, সেন্টাল ল’ কলেজ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরাম, এবং সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরাম কেন্দ্রীয় (সংসদ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে তিনি দায়িত্বে পালন করে আসছেন
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরম কেন্দ্রীয় (সংসদ)
ঝালকাঠি জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে রহমতুল্লাহ খান মিথুন ছিলেন একজন নির্ভীক ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। তিনি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন এবং ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় থেকেছেন। রাজনৈতিকভাবে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হলেও জনগণের পাশে থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সুবিদপুর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ জানিয়েছেন, তারা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মিঠুনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের ভাষায়
আমরা এমন একজন প্রার্থী চাই, যিনি সৎ, যোগ্য, নির্ভীক ও জনগণের পাশে থাকেন। রহমতুল্লাহ খান মিঠুন আমাদের সেই আশার প্রতীক।
জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনের বিষয়ে জানতে চাইলে রহমতুল্লাহ খান মিঠুন বলেন
জনগণ যদি আমাকে ভালোবাসে এবং তাদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করে, তবে আমি নিজেকে জনগণের সেবক হিসেবে উৎসর্গ করতে চাই। জাতীয়তাবাদী যুবদল সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, আমিও সেই আদর্শে বিশ্বাসী থেকে মানুষের সুখে–দুঃখে পাশে থাকতে চাই। আমি দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনাতেই কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও সেই পথেই অটল থাকব।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, রহমতুল্লাহ খান মিথুননের নেতৃত্বগুণ, সততা ও জনসেবামূলক মনোভাব তাঁকে সুবিদপুর ইউনিয়নের রাজনীতিতে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে।















