ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে ঐক্য ও সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত জরুরি নিখোঁজ সংবাদ প্রতিবেদন জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে

সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান হলে যা করবেন

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩ ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

রোজা রাখার জন্য মুসল্লিরা সুবহে সাদিকের আগে সেহরি খেয়ে থাকেন। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরি খাওয়া সুন্নত এবং অধিক পুণ্যের কাজ। তবে অনেক সময় ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে সেহরি খাওয়া শুরু করতে দেরি হয়ে যায়। এমনও হয় যে, কেউ সেহরি খাওয়া শুরু করেছে বা খাওয়া শেষ হয়নি এমন সময় আজান হয়ে যায়।

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে এমন পরিস্থিতিতে করণীয় কী? সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান শুরু হয়ে হলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করতে হবে। আর এ অবস্থাতেই যথারীতি রোজা পালন করতে হবে। কিন্তু সেহরির সময়ের পর ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃত পানাহার করার কারণে রোজা ভেঙে গেলে রমজানের পর ঐ রোজাটি পুনরায় কাজা করতে হবে।

তবে কেউ যদি আজান শোনার পরও যদি পানাহার বন্ধ না করেন, তাহলে কাজা এবং কাফফারা আদায় করতে হবে তাকে। কারণ, প্রথমে ভুলবশত খাওয়া হলেও পরে ইচ্ছাকৃত খাওয়ার দ্বারা রোজা ভেঙে যায়। আর সেহরির সময় থাকার সময় কেউ আজান দিলে সে বিষয়টি ভিন্ন।

একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, আজান দেওয়া হয় হলো ফজরের নামাজের জন্য। সেহরি খাওয়া বন্ধ করার জন্য দেওয়া হয় না। এজন্য সেহরি খাওয়া আজানের আগেই বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আজান সেহরির সময়ের মধ্যে দেওয়া হয় না, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ারও একটু পরে দেওয়া হয়।

এছাড়া হাদিস শরিফে যে আজানের পরেও খাওয়ার কথা আছে, তা হলো তাহাজ্জুদের আজান। সেটি ফজরের আজান নয়। এটি এখনও প্রচলিত আছে মক্কা এবং মদিনায়। (ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান হলে যা করবেন

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

রোজা রাখার জন্য মুসল্লিরা সুবহে সাদিকের আগে সেহরি খেয়ে থাকেন। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরি খাওয়া সুন্নত এবং অধিক পুণ্যের কাজ। তবে অনেক সময় ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে সেহরি খাওয়া শুরু করতে দেরি হয়ে যায়। এমনও হয় যে, কেউ সেহরি খাওয়া শুরু করেছে বা খাওয়া শেষ হয়নি এমন সময় আজান হয়ে যায়।

অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে এমন পরিস্থিতিতে করণীয় কী? সেহরি খাওয়া অবস্থায় ফজরের আজান শুরু হয়ে হলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করতে হবে। আর এ অবস্থাতেই যথারীতি রোজা পালন করতে হবে। কিন্তু সেহরির সময়ের পর ভুলক্রমে বা অনিচ্ছাকৃত পানাহার করার কারণে রোজা ভেঙে গেলে রমজানের পর ঐ রোজাটি পুনরায় কাজা করতে হবে।

তবে কেউ যদি আজান শোনার পরও যদি পানাহার বন্ধ না করেন, তাহলে কাজা এবং কাফফারা আদায় করতে হবে তাকে। কারণ, প্রথমে ভুলবশত খাওয়া হলেও পরে ইচ্ছাকৃত খাওয়ার দ্বারা রোজা ভেঙে যায়। আর সেহরির সময় থাকার সময় কেউ আজান দিলে সে বিষয়টি ভিন্ন।

একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যে, আজান দেওয়া হয় হলো ফজরের নামাজের জন্য। সেহরি খাওয়া বন্ধ করার জন্য দেওয়া হয় না। এজন্য সেহরি খাওয়া আজানের আগেই বন্ধ করতে হবে। এছাড়া আজান সেহরির সময়ের মধ্যে দেওয়া হয় না, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ারও একটু পরে দেওয়া হয়।

এছাড়া হাদিস শরিফে যে আজানের পরেও খাওয়ার কথা আছে, তা হলো তাহাজ্জুদের আজান। সেটি ফজরের আজান নয়। এটি এখনও প্রচলিত আছে মক্কা এবং মদিনায়। (ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)