ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

তুলশীগঙ্গা নদী থেকে এক এনজিওকর্মীর লাশ উদ্ধার

রিপোর্টার মেহেদুল ইসলাম 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার তুলশীগঙ্গা নদীর বিলের ঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।নিহত এনজিওকর্মী রাজু আহমেদ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার চৌরঙ্গী গ্রামের সাগর আলীর ছেলে। তিনি এসকেএস ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিওর জয়পুরহাট সদরের জামালগঞ্জ ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন।পরিবারসূত্রে জানা গেছে, রাজু আহমেদের সঙ্গে বুধবার (১২ জুন) দুপুর থেকে তার পরিবার যোগাযোগ করতে পারছিল না। বারবার ফোন দিলেও রিসিভ করেনি। বিকেলে উপজেলার তুলসীগঙ্গা নদীর বিলের ঘাট এলাকা থেকে কয়েকজন যুবক জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে জানায়, বিলের ঘাট থেকে ২ কিলোমিটার দক্ষিণে নদীর বাঁধের ওপর মালিকবিহীন একটি মোটরসাইকেল, জুতা ও ব্যাগ পড়ে আছে।খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ওই এলাকা থেকে এসব উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। রাতে রাজুর পরিবার ক্ষেতলাল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর থেকে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ও তার পরিবার ওই এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজুর বাবা সাগর আলী মোটরসাইকেল উদ্ধার হওয়া এলাকায় গিয়ে তার ছেলেকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। একপর্যায়ে বাঁধের অদূরে নদীতে একটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে। মরদেহ কাছে গিয়ে দেখে তার ছেলে রাজুর লাশ। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরাদেহ উদ্ধার করে।ক্ষেতলাল থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন দেশ প্রিয় কে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের কাছ থেকে নগদ টাকা ও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছি। এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। আমরা খতিয়ে দেখছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তুলশীগঙ্গা নদী থেকে এক এনজিওকর্মীর লাশ উদ্ধার

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:৪৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার তুলশীগঙ্গা নদীর বিলের ঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।নিহত এনজিওকর্মী রাজু আহমেদ ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার চৌরঙ্গী গ্রামের সাগর আলীর ছেলে। তিনি এসকেএস ফাউন্ডেশন নামের একটি এনজিওর জয়পুরহাট সদরের জামালগঞ্জ ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন।পরিবারসূত্রে জানা গেছে, রাজু আহমেদের সঙ্গে বুধবার (১২ জুন) দুপুর থেকে তার পরিবার যোগাযোগ করতে পারছিল না। বারবার ফোন দিলেও রিসিভ করেনি। বিকেলে উপজেলার তুলসীগঙ্গা নদীর বিলের ঘাট এলাকা থেকে কয়েকজন যুবক জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে জানায়, বিলের ঘাট থেকে ২ কিলোমিটার দক্ষিণে নদীর বাঁধের ওপর মালিকবিহীন একটি মোটরসাইকেল, জুতা ও ব্যাগ পড়ে আছে।খবর পেয়ে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ওই এলাকা থেকে এসব উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। রাতে রাজুর পরিবার ক্ষেতলাল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর থেকে ক্ষেতলাল থানা পুলিশ ও তার পরিবার ওই এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজুর বাবা সাগর আলী মোটরসাইকেল উদ্ধার হওয়া এলাকায় গিয়ে তার ছেলেকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। একপর্যায়ে বাঁধের অদূরে নদীতে একটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে। মরদেহ কাছে গিয়ে দেখে তার ছেলে রাজুর লাশ। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরাদেহ উদ্ধার করে।ক্ষেতলাল থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেন দেশ প্রিয় কে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের কাছ থেকে নগদ টাকা ও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছি। এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। আমরা খতিয়ে দেখছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।