ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার।

বিলুপ্তপ্রায় ব্যাটারী চালিত টর্চ লাইট

দেলোয়ার খান:(সিরাজদিখান,মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি )
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪ ৯২ বার পড়া হয়েছে

যখন বিদ্যুতের আলো জ্বলে উঠেনি আবহমান গ্রাম বাংলার জনপদে,যখন সন্ধ্যা হলেই নেমে আসতো ঘুটঘুটে অন্ধকার তখন বন্ধুর মতোই সঙ্গী হতো সেই টর্চ লাইট।আজ থেকে বহুবছর আগের কথা।আধুনিক প্রযুক্তি যে কিছু যন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌছায় তার অন্যতম টর্চ লাইট। ১৮৯৯ সালে ব্রিটিশরা ড্রাই ব্যাটারী চালিত টর্চ আবিষ্কার করার পর যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও চীনের হাত ধরে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে। সে ধারাবাহিকতায় এদেশে এসে পৌছায় আরো অনেক পরে।দেশভাগের আগ পর্যন্ত টর্চের তেমন কোন ইতিহাস অন্তত আমার জানা নেই।এরপর এসে পৌছালেও অভিজাত শ্রেনীতেই সীমাবদ্ধ ছিলো।ষাটের দশকে গ্রাম বাংলায় এসে পৌছালেও সাধারনের নাগালের বাইরে ছিলো।তখন তিন ব্যাটারী ও সত্তরের দশকে পাঁচ ব্যাটারী লাইট তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো।গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের বিয়েতে নতুন বরের জন্য একটি টর্চ ছিলো সৌখিন উপহার।এ ধারা আশি ও নব্বই দশকেও চোখে পড়ে। তখন অবশ্য সহজলভ্য হয়ে গেছে।আশির দশকে কারও হাতে পাঁচ ব্যাটারী টর্চ মানে সাধারণ ব্যাপার নয়।আমাদের পুর্বসুরীদের ঐতিহ্যের টর্চ আজ বলতে গেলে পরন্ত যৌবনে।দিনে দিনে প্রযুক্তির কল্যানে আমরা এগিয়েছি বহুদূর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিলুপ্তপ্রায় ব্যাটারী চালিত টর্চ লাইট

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪

যখন বিদ্যুতের আলো জ্বলে উঠেনি আবহমান গ্রাম বাংলার জনপদে,যখন সন্ধ্যা হলেই নেমে আসতো ঘুটঘুটে অন্ধকার তখন বন্ধুর মতোই সঙ্গী হতো সেই টর্চ লাইট।আজ থেকে বহুবছর আগের কথা।আধুনিক প্রযুক্তি যে কিছু যন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌছায় তার অন্যতম টর্চ লাইট। ১৮৯৯ সালে ব্রিটিশরা ড্রাই ব্যাটারী চালিত টর্চ আবিষ্কার করার পর যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও চীনের হাত ধরে বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়ে। সে ধারাবাহিকতায় এদেশে এসে পৌছায় আরো অনেক পরে।দেশভাগের আগ পর্যন্ত টর্চের তেমন কোন ইতিহাস অন্তত আমার জানা নেই।এরপর এসে পৌছালেও অভিজাত শ্রেনীতেই সীমাবদ্ধ ছিলো।ষাটের দশকে গ্রাম বাংলায় এসে পৌছালেও সাধারনের নাগালের বাইরে ছিলো।তখন তিন ব্যাটারী ও সত্তরের দশকে পাঁচ ব্যাটারী লাইট তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলো।গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের বিয়েতে নতুন বরের জন্য একটি টর্চ ছিলো সৌখিন উপহার।এ ধারা আশি ও নব্বই দশকেও চোখে পড়ে। তখন অবশ্য সহজলভ্য হয়ে গেছে।আশির দশকে কারও হাতে পাঁচ ব্যাটারী টর্চ মানে সাধারণ ব্যাপার নয়।আমাদের পুর্বসুরীদের ঐতিহ্যের টর্চ আজ বলতে গেলে পরন্ত যৌবনে।দিনে দিনে প্রযুক্তির কল্যানে আমরা এগিয়েছি বহুদূর।