ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এক রাতে বিশ্বজুড়ে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়: সাহাবুদ্দিন কেরানীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার পর এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা  পটুয়াখালীর উলানিয়া বন্দর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।  টোকেনের নামে অটোরিকশা থেকে অর্থ আদায়: নাঙ্গলকোটে চাঁদাবাজির অভিযোগ

বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন না

স্টাফ রিপোর্টার :সাদিয়া আক্তার 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ ইউনূসের সভাপতিত্বে “জাতির পিতার পরিবার ও সদস্যগণের নিরাপত্তার রহিত করন অধ্যাদেশ ২০২৪” সালের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ অনুমোদনের ফলে শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা কোন বিশেষ নিরাপত্তার সুবিধা পাবেন না ।এ ব্যাপারে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,বিগত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯ জারি করা হয়েছিল। পরে ২০১৫ সালে এই আইন অনুসারে বিশেষ নিরাপত্তা এবং সুবিধাদি প্রদানের গেজেট জারি করা হয়। কেবল একটি পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য আইনটি করা হয়েছিল, যা একটি সুস্পষ্ট বৈষম্য।এই বৈঠকে “বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর অধ্যাদেশ ২০২৪” এর খসড়া ও অনুমোদন দেয়া হয়েছে ।এ বিষয়ে মন্ত্রী পরিষদ জানায় ,বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যগণ এবং কোন রাষ্ট্রীয় প্রধান বা সরকার প্রধান, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য “বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী” ২০২১ এ প্রণয়ন করা হয়েছিল। বিগত সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠিত হয় ।পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই আইনের আওতায় প্রধান উপদেষ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত প্রয়োজন। এছাড়া বিদ্যমান আইনের আওতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যগণের নিরাপত্তা প্রদান সংক্রান্ত বিধানগুলো প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা সম্ভব নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা বিশেষ নিরাপত্তা সুবিধা পাবেন না

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৪

আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ ইউনূসের সভাপতিত্বে “জাতির পিতার পরিবার ও সদস্যগণের নিরাপত্তার রহিত করন অধ্যাদেশ ২০২৪” সালের খসড়া অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ অনুমোদনের ফলে শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা কোন বিশেষ নিরাপত্তার সুবিধা পাবেন না ।এ ব্যাপারে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,বিগত সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯ জারি করা হয়েছিল। পরে ২০১৫ সালে এই আইন অনুসারে বিশেষ নিরাপত্তা এবং সুবিধাদি প্রদানের গেজেট জারি করা হয়। কেবল একটি পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য আইনটি করা হয়েছিল, যা একটি সুস্পষ্ট বৈষম্য।এই বৈঠকে “বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর অধ্যাদেশ ২০২৪” এর খসড়া ও অনুমোদন দেয়া হয়েছে ।এ বিষয়ে মন্ত্রী পরিষদ জানায় ,বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যগণ এবং কোন রাষ্ট্রীয় প্রধান বা সরকার প্রধান, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষিত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য “বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী” ২০২১ এ প্রণয়ন করা হয়েছিল। বিগত সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠিত হয় ।পরিবর্তিত পরিস্থিতি এই আইনের আওতায় প্রধান উপদেষ্টা নিরাপত্তা নিশ্চিত প্রয়োজন। এছাড়া বিদ্যমান আইনের আওতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যগণের নিরাপত্তা প্রদান সংক্রান্ত বিধানগুলো প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কার্যকর করা সম্ভব নয়।