ঢাকা ১২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে (জিসাস) ঢাকা মহানগর উত্তরের শ্রদ্ধাঞ্জলি

রিপোর্টার: নাজমা আক্তার
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার: নাজমা আক্তার

৭ই নভেম্বর — জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং জাতিকে বিভেদের হাত থেকে রক্ষা করতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম অসীম সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দেন। তাঁর নেতৃত্বে সেদিন সারা বাংলাদেশে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়, প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় ঐক্য ও সংহতি।
এই ঐতিহাসিক দিনটি উপলক্ষে আজ রাজধানীতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) দিনটি পালন করেছে। সকাল থেকে সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইকরামুল হাসান, সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর জিসাস। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন,

“৭ই নভেম্বর হলো স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি পুনর্জাগরণের দিন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। আমরা তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশপ্রেম ও সেবার চেতনায় কাজ করে যাচ্ছি।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজালাল, যিনি বলেন,

“জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস শুধু অতীতের স্মৃতি নয়, এটি আমাদের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। শহীদ জিয়া আমাদের দেখিয়েছেন কীভাবে সংকটময় মুহূর্তে নেতৃত্ব দিতে হয়।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, যিনি বলেন,

“জিয়া আমাদের হৃদয়ে চিরজীবী। আমরা সবাই মিলে তাঁর আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।”

অনুষ্ঠানের শেষে “লও লও লও সালাম, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম” এই শ্লোগানে মুখরিত হয় পুরো অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ।
দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পর্বে শহীদ জিয়ার জীবন, আদর্শ ও দেশের প্রতি তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ দেশের বর্তমান প্রজন্মকে জিয়ার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, ঐক্য ও অগ্রগতির পথে কাজ করার আহ্বান জানান।
শহীদ জিয়া অমর হোক — বাংলাদেশের চেতনায় চিরভাস্বর হয়ে থাকুন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে (জিসাস) ঢাকা মহানগর উত্তরের শ্রদ্ধাঞ্জলি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: নাজমা আক্তার

৭ই নভেম্বর — জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং জাতিকে বিভেদের হাত থেকে রক্ষা করতে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম অসীম সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দেন। তাঁর নেতৃত্বে সেদিন সারা বাংলাদেশে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়, প্রতিষ্ঠিত হয় জাতীয় ঐক্য ও সংহতি।
এই ঐতিহাসিক দিনটি উপলক্ষে আজ রাজধানীতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) দিনটি পালন করেছে। সকাল থেকে সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইকরামুল হাসান, সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর জিসাস। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন,

“৭ই নভেম্বর হলো স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি পুনর্জাগরণের দিন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। আমরা তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশপ্রেম ও সেবার চেতনায় কাজ করে যাচ্ছি।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজালাল, যিনি বলেন,

“জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস শুধু অতীতের স্মৃতি নয়, এটি আমাদের আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক। শহীদ জিয়া আমাদের দেখিয়েছেন কীভাবে সংকটময় মুহূর্তে নেতৃত্ব দিতে হয়।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, যিনি বলেন,

“জিয়া আমাদের হৃদয়ে চিরজীবী। আমরা সবাই মিলে তাঁর আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।”

অনুষ্ঠানের শেষে “লও লও লও সালাম, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম” এই শ্লোগানে মুখরিত হয় পুরো অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ।
দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পর্বে শহীদ জিয়ার জীবন, আদর্শ ও দেশের প্রতি তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ দেশের বর্তমান প্রজন্মকে জিয়ার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশপ্রেম, ঐক্য ও অগ্রগতির পথে কাজ করার আহ্বান জানান।
শহীদ জিয়া অমর হোক — বাংলাদেশের চেতনায় চিরভাস্বর হয়ে থাকুন।