ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক গত ৮ বছর পূর্বে নির্মিত ট্রমা সেন্টারটি চালু হওয়ার ব্যাপারে দ্রুত সংসদে আলোচনা করবো- এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ  বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন শুরু, ফরম নিলেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন মুন্সিগঞ্জের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।  জাতীয় প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে বহুমুখী উদ্যোগ সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অ্যাডভোকেট আজমিরি বেগম ছন্দা বাংলাদেশ নারকোটিকস কন্ট্রোল সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন রাজিউর রহমান

সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশীর সংখ্যা বেড়ে ১৩

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:১২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সোমবার এক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৩ বাংলাদেশী ওমরাহযাত্রী নিহত ও ১৭ জন আহত হয়েছেন। যে ঘটনায় অন্তত ২৪ ওমরাহযাত্রী নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ কথা জানান।

নিহতরা হলেন- নোয়াখালী জেলার সেনবাগের শরীয়ত উল্লার ছেলে শহিদুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরের আব্দুল আউয়ালের ছেলে মামুন মিয়া, একই এলাকার রাসেল মোল্লা, নোয়াখালী জেলার মোহাম্মদ হেলাল, লক্ষ্মীপুর জেলার সবুজ হোসেন, কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর মো: আসিফ ও সিফাত উল্লাহ, গাজীপুর জেলার আব্দুল লতিফের ছেলে মো: ইমাম হোসেন রনি, চাঁদপুর জেলার কালু মিয়ার ছেলে রুক মিয়া, কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারের গিয়াস হামিদ, যশোর জেলার কাওসার মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল ও ইসকান্দারের ছেলে রনি এবং কক্সবাজার জেলার মোহাম্মদ হোসেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন জানান, বাসটি ৪৭ জন ওমরাহযাত্রীকে মক্কায় নিয়ে যাচ্ছিল এবং তাদের মধ্যে ৩৫ যাত্রী ছিলেন বাংলাদেশী নাগরিক।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে জেদ্দা থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দূরে সৌদি আরবের আসির প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ব্রেক ফেইল হওয়ার পর বাসটি একটি সেতুর সাথে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায় এবং আগুনে পুড়ে যায়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাশ পুড়ে যাওয়া ও বিকৃত হওয়ার কারণে জাতীয়তা নির্ণয় করা খুবই কঠিন।

জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনায় পতিত বাংলাদেশীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে কনস্যুলেটের একটি দল পাঠানো হয়েছে।

জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের দুই কর্মকর্তা ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং হতাহতদের শনাক্তকরণ ও বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত ও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তাদের স্বজনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে এবং নিহতদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাস দুর্ঘটনায় ২৪ জন ওমরাহযাত্রী নিহত ও প্রায় ২৩ জন আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এক শোকবার্তায় তিনি নিহতদের রুহের মাগফেরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও সৌদি মিশনের কর্মকর্তাদের বাংলাদেশী নাগরিকদের লাশ উদ্ধার এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
সূত্র : ইউএনবি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশীর সংখ্যা বেড়ে ১৩

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:১২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩

সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সোমবার এক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৩ বাংলাদেশী ওমরাহযাত্রী নিহত ও ১৭ জন আহত হয়েছেন। যে ঘটনায় অন্তত ২৪ ওমরাহযাত্রী নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ কথা জানান।

নিহতরা হলেন- নোয়াখালী জেলার সেনবাগের শরীয়ত উল্লার ছেলে শহিদুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরের আব্দুল আউয়ালের ছেলে মামুন মিয়া, একই এলাকার রাসেল মোল্লা, নোয়াখালী জেলার মোহাম্মদ হেলাল, লক্ষ্মীপুর জেলার সবুজ হোসেন, কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর মো: আসিফ ও সিফাত উল্লাহ, গাজীপুর জেলার আব্দুল লতিফের ছেলে মো: ইমাম হোসেন রনি, চাঁদপুর জেলার কালু মিয়ার ছেলে রুক মিয়া, কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বারের গিয়াস হামিদ, যশোর জেলার কাওসার মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল ও ইসকান্দারের ছেলে রনি এবং কক্সবাজার জেলার মোহাম্মদ হোসেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন জানান, বাসটি ৪৭ জন ওমরাহযাত্রীকে মক্কায় নিয়ে যাচ্ছিল এবং তাদের মধ্যে ৩৫ যাত্রী ছিলেন বাংলাদেশী নাগরিক।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে জেদ্দা থেকে ৬৫০ কিলোমিটার দূরে সৌদি আরবের আসির প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ব্রেক ফেইল হওয়ার পর বাসটি একটি সেতুর সাথে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায় এবং আগুনে পুড়ে যায়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাশ পুড়ে যাওয়া ও বিকৃত হওয়ার কারণে জাতীয়তা নির্ণয় করা খুবই কঠিন।

জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনায় পতিত বাংলাদেশীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে কনস্যুলেটের একটি দল পাঠানো হয়েছে।

জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের দুই কর্মকর্তা ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং হতাহতদের শনাক্তকরণ ও বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত ও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তাদের স্বজনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে এবং নিহতদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাস দুর্ঘটনায় ২৪ জন ওমরাহযাত্রী নিহত ও প্রায় ২৩ জন আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

এক শোকবার্তায় তিনি নিহতদের রুহের মাগফেরাত ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও সৌদি মিশনের কর্মকর্তাদের বাংলাদেশী নাগরিকদের লাশ উদ্ধার এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
সূত্র : ইউএনবি