ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নীরবতা আর শূন্যতার মধ্যে দিন কাটছে মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের মানসিক অবসাদে হারিয়ে যাচ্ছে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ সংসদ সদস্য ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কাকে পেয়ে আনন্দিত শেরপুরবাসী নারী সাংবাদিক নিপীড়ন ও নির্যাতনের বিচার চাই শেরপুর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড।

সরকার ফন্দি করে আবারো ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন করতে চান। রুহুল কোভিদ রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০২৩ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

সরকার ফন্দি করে আবারো ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন করতে চান।এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী-সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব

তিনি গণমাধ্যমকে জানান,

গতকালের প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্যে প্রমাণিত হলো তিনি নানা ধরনের ফন্দি করে আবারো ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন করতে চান। তিনি রাজনৈতিক সমঝোতা ও সম্প্রীতি এবং অবাধ, অংশগ্রহনমূলক ও সুষ্ঠনির্বাচনে বিশ্বাসী নন। তাই অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের কথা শুনলেই প্রধানমন্ত্রী মনে করেন তার জমিদারীতে কেউ অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা করছে। তাই অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য কেউ দাবী করলেই তিনি ক্ষুদ্ধ ও বিকারগ্রস্থ হয়ে পড়েন। অন্যান্য দাবীসহ অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের একদফা দাবীতে ২৮ অক্টোবরের বিএনপির সাগরসম মানুষের উপস্থিতিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাল চোখে দেখেন নি। এতো মানুষের সমাগম দেখে তার অন্তরজ্বালা বাড়তে থাকে। এইজন্য তিনি তার বাছাই করা আইনশৃংখলা বাহিনীকে দিয়ে গুলি, টিয়ার গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে সাংবাদিকসহ বিএনপি নেতাদের হত্যাসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুরুতর আহত করান। বিএনপির সমাবেশকে পন্ড করায় আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই কারনেই আইন শৃংখলা বাহিনী আরো বেশী বেপরোয়া ও নারকীয় তান্ডবে লিপ্ত হয়েছে। তারা মরণঘাতি অভিযানে আরো বেশী হিং¯্র হয়ে উঠেছে। ২৮, ২৯ ও ৩১শে অক্টোবর বিএনপির কর্মসূচীতে ঢাকাসহ সারাদেশে তারা হত্যার প্রতিযোগীতায় মেতে উঠে। গতকালকের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিবেকহীন পুলিশ বাহিনী বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালাতে আরো বেশী উৎসাহী হয়ে উঠে।

 

সংগ্রামী সাংবাদিক বন্ধুরা,

২৮, ২৯ ও ৩১শে অক্টোবর আওয়ামী পুলিশ রক্তের যে হোলিখেলা খেলেছে সেটি নজিরবিহীন পৈশাচিক ঘটনা। গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী অনর্গল মিথ্যা কথা বলেছেন সারা জাতির সামনে। অথচ দেশবাসী এবং আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় যা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে সেটাকে পরিবর্তন করবেন কিভাবে? জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন বলেছে যে মুখোশপরা হেলমেটধারী ব্যক্তিরা সরকারের লোক। এইভাবে দেশবিদেশে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সংস্থারা সরকারের পরিকল্পিত আক্রমণ সম্পর্কে এখন ওয়াকিবহাল। আওয়ামীলীগ শুধু বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের আক্রমন ও জখম করে হতাহত করছে না খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনকেও রক্তাক্ত পন্থায় দমন করছে। বন্ধুরা, আওয়ামী সরকারের ক্ষমতাক্ষুধা এতটাই তীব্র যে তারা সারাদেশকে গোরস্থান বানিয়ে ক্ষমতা দখলে রাখতে চায়। আওয়ামীলীগের ’টপ টু বটম’ নেতাকর্মীদের ভাষা একগুয়েমী গুন্ডাসন্ত্রাসীদের মতো। এদের কাছে গনতান্ত্রিক আদর্শ ও মূল্যবোধ, সুশাসন ও ন্যায়বিচারের কোন মূল্য নেই। এরা অবৈধ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রভু হয়ে ক্ষমতায় থাকতে চায়। সেই কারনেই বিরোধীদলের আওয়াজকে নিস্তব্ধ করার জন্য নিজেদের মনের মতো করে আইনশৃংখলা বাহিনীকে সাজিয়েছে। আর তারই প্রতিফলন বিএনপিসহ বিরোধীদলের কর্মসূচীতে শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত লাঠিয়ালের মতো তাদের আক্রমন।

সাংবাদিক ভাইবোনেরা,

শেখ হাসিনা গনতন্ত্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠান ধবংস করে তিনি ’ডান্ডালীগ’ গড়ে তুলেছেন। আইনশৃংখলা বাহিনী ও যুবলীগ-ছাত্রলীগ একযোগে ’ডান্ডালীগ’ হিসেবে কাজ করছে। এরাই সারা বাংলাদেশে গনতন্ত্রের কফিনে পেরেক ঠুকছে। বিরোধী দলকে স্তব্ধ করার উদ্দেশ্যই হচ্ছে দেড় দশকের আওয়ামী লুন্ঠন ও অর্থপাচারের কাহিনীগুলো যেন সাধারন জনগন জানতে না পারে। পদ্মাসেতু ও মেট্রোরেলের এক্রিবিশনে মানুষের পেট ভরছে না। বিপুল জনগোষ্ঠী অনাহারে অর্ধাহারে কোনরকমে বেঁচে আাছে। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি এতটাই বেড়েছে সেটা আমাদের গ্যালাক্সি ছাড়িয়েও আরো উর্দ্ধোগামী হয়েছে। আলুর কেজি ৭০-৮০ টাকা। অথচ সরকার দাম নির্ধারিত মূল্য ছিল ৩৫ টাকা। পিঁয়াজের বর্তমান মূল্য কেজি প্রতি ১৪০ টাকা। সাতদিন আগে ছিল ১০০ টাকা। আর সরকার মূল্য নির্ধারন করেছিল ৬৫ টাকা। এইভাবে প্রতিটি খাদ্যপণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সারা জাতি হতবম্ভ ও কিংকর্তব্যবিমূঢ। মধ্যম ও নি¤œ আয়ের মানুষ তার উপার্জিত পয়সা দিয়ে খাবার কিনতে পারছে না। একবেলা খাবার জোগোনোই অসম্ভব হয়ে গেছে। অসাধু পণ্য সিন্ডিকেটের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে সরকার কারন এই সিন্ডিকেটবাজরা সবাই আওয়ামীলীগের সাথে সংশ্লিষ্ঠ।

সংগ্রামী সাংবাদিক বন্ধুগণ,

জেলখানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দুর্দশা এখন চরমে উঠেছে। বিএনপির যে সমস্ত নেতা যারা একসময় মন্ত্রী -এমপি ছিলেন তাদেরকেও ডিভিশন দেয়া হচ্ছে না। কারাগারের ভিতরে বিএনপি নেতাদের আটকে রাখা হচ্ছে। এমনকি দিনের বেলায়ও তাদের সেলের ভিতরে আটক রাখা হয়। ভয়ংকর হয়রানির মধ্যে বিএনপি নেতারা দিন কাটাচ্ছে। সকল মামলায় জামিন পাওয়ার পরেও জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেফতার এখন বিএনপি নেতাকমীদের ভাগ্যের লিখন হয়ে গেছে। শেখ হাসিনার জুলুমের মাত্রার কোনো শেষ নেই। গতকাল জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতারের পর আজকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এটা সরাসরি মির্জা আব্বাসের উপর সরকারি নিপীড়ণ। কারাগারে অসুস্থ বিএনপি নেতাদের হাসপাতালের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমি কারাগারে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর কারাকর্তৃপক্ষের নিপীড়ণ ও নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী কর্তৃক হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের বিবরণ ঃ

মৃত্যু ঃ

কিশোরগঞ্জ জেলাধীন ভৈরব পৌর শাখার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মোঃ আশিক মিয়া গতকাল পুলিশের টিয়ারশের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ভাগলপুরস্থ জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত ১০ টার সময় মৃত্যুবরণ করেন।

 

গ্রেফতার ঃ

ক্স আজ বিএনপির অবরোধ এর ২য় দিন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশার বিভাগ) এ্যাড. বিলকিস জাহান শিরিন, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. আলী হায়দার বাবুল, জেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল হোসেন খানসহ মহানগর বিএনপির বেশকয়েকজন নেতাকর্মী বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবরোধের মিছিল বের করার প্রস্তুতিকালে পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এছাড়াও বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য মুসা কাজলকে গতকাল রাত ১:৩০ মিনিটের সময় তার আত্মীয়র বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক বাছুরুল ইসলাম রানা, বনানী থানা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি লুৎফর হোসেন বাবর, দক্ষিণখান থানা যুবদল নেতা শরীফুল ইসলাম দুলাল ও বাড্ডা থানা ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলামকে আজ সকালে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এখনপর্যন্ত তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ক্স ঢাকা মহানগর দক্ষিণের চানখারপুল এলাকায় গতকাল বিএনপির অবরোধের মিছিলে পুলিশের হামলায় গ্রেফতার হয় বিএনপি নেতা- মোঃ হায়দার আলী, মোস্তাক আহমেদ আপন, এনামুল হাসান হালিম, মোঃ আলমাস ও মোহাম্মদ মামুনসহ ১০ জন নেতাকর্মী। এছাড়াও সবুজবাগ থানাধীন ৭১ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ফয়সাল আহমেদ মিলন, ৭৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোঃ হযরত, মোঃ ফালান, ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কিরণ মুন্সি, কোতয়ালী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তামিম আহমেদ তুহিন, মুগদা থানাধীন ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ওয়াদি ও মুক্তার হোসেন, মতিঝিল থানাধীন ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সালু, পিজি হাসপাতাল ইউনিটের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, মুগদা থানাধীন ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমদাদুল ইসলাম অপু , শাহবাগ থানাধীন ২০ নং ওয়ার্ডের বাবুপুরা ইউনিট বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, রামপুরা থানা বিএনপি নেতা- মোঃ রিপন ও মোঃ শহিদ মিয়া, ধামন্ডি থানা যুবদল নেতা মির্জা এম আই মওদুদসহ মোট ৩০ জনের অধীক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং শাহজাহানপুর থানাধীন ১১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনিরুজ্জামান মনিরকে গ্রেফতার করে ২ দিনের রিমান্ডে নেয় শাহজাহানপুর থানা পুলিশ।

ক্স ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন মিরপুর থানা বিএনপির ১ম যুগ্ম আহবায়ক ও ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজী মোঃ দেলোয়ার হোসেন দুলুকে গতপরশু রাতে তার মিরপুরস্থ ডিওএইচএস এর ফ্লাটের গেট ভেঙ্গে প্রায় দুই শতাধিক ডিবি পুলিশ, আনসার সেনাবাহিনী তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এছাড়াও আজ মিরপুর থানার ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তুহিন মিয়া, রূপনগর থানার চলন্তকা ইউনিট বিএনপির সভাপতি মোঃ মানিক মিয়া ও খিলক্ষেত থানাধীন ৯৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন, দারুস সালাম থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সায়েম মন্ডল, মিরপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবু তালেব, দারুস সালাম থানা ছাত্রদল নেতা মোঃ রুমন আহমেদ ও ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মোঃ ফারুকসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ঢাকা জেলাধীন দোহার থানা বিএনপি নেতা- আমির শিকদার, মোঃ মোশাররফ, জসিম উদ্দীন, রহিম খান, মোয়াজ, ফরহাদ, মিন্টু ও জালালসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপার বিএনপি নেতা এ্যাড. লাভলু, দুর্জয় মাহমুদ সোহেল, মোঃ সাব্বির, ফরিদ হাসান, মোঃ মানিক. মোঃ আরিফ, মোঃ সোহেল ও মোঃ সুজনসহ মোট ২০ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স মুন্সিগঞ্জ জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব শহীদ মজুমদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স মানিকগঞ্জ জেলাধীন দরগ্রাম ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ আরমান আলী, বালিয়াটি ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন, ধানকোড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আজাদ হোসেন, গড়পাড়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ শিপু, নসু মিয়া ও ছাত্রদল নেতা অপু মিয়াসহ বেশকয়েক জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুর বাজার এলাকায় আজ বিএনপির অবরোধের ২য় দিন মিছিল করার সময় ছাত্রদল নেতা- মোহাম্মদ ফয়সাল মিয়া, মোঃ তানভীর, রায়হান কবির ও রবিন মোল্লাসহ ১০/১২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স শেরপুর জেলাধীন নকলা উপজেলা যুবদলের সদস্য তৈয়বুর সরকার, নালিতাবাড়ি উপজেলাধীন পোড়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল কাদের মোল্লা ও কফিল উদ্দীন সরকারকে কিছুক্ষণ আগে ডিবি পুলিশ গ্রেফতর করে।

ক্স গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম লিফেজ, যুবদলের সদস্য আল-আমিন, ছোটনকে গ্রেফতার করে পুরিশ। এছাড়াও নীলফামারী জেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি খাদেমুল ইসলাম, ডিমলা উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দীক ও দয়াবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মামুনুর রশিদ মামুনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নজরুল ইসলাম, হালুয়াঘাট পৌর বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, উত্তর জেলা বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবির ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান রানাসহ ১৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি আবুল মনসুর শওকতকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজ চৌধুরী ও পৌর শাখার ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ মুবিনকে আজ অবরোধ চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স মৌলভী বাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হক বকুল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানজিল হাসান খান ও যুবদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স নাটোর জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান আনিস, লালপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন, নলডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ হিটলার হোসেন, মোঃ খোরশেদ আলম ও দয়রামপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মহাসিন আলীসহ ১২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স কুমিল্লা মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দের তালিকা

ইলিয়াস মুকিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, ফখরুজ্জামান বিএনপি নেতা, সাখাওয়াত হোসেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপি নেতা, হাবিবুর রহমান বিএনপি নেতা, রোকনউদ্দিন ২৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা, জাকির হোসেন বিএনপি নেতা, মাহবুব আলী রাশেদ যুগ্ন আহবায়ক আদর্শ সদর উপজেলা যুবদল, মীর সাখাওয়াত হোসেন বিএনপি নেতা, সিরাজুল ইসলাম সহ-সভাপতি জেলা শ্রমিক দল, বিপ্লব ভৌমিক মিলু সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কুমিল্লা মহানগর যুবদল, সোহেল আহমেদ সোহেল সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহানগর যুবদল, মোহাম্মদ ইয়াসিন বিএনপি নেতা, ফজলে রাব্বি কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল, মিজানুর রহমান যুগ্ন আহবায়ক আদর্শ সদর উপজেলা যুবদল, মোস্তফা সরোয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি, শিব্বির হোসেন নিরব সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল, মোঃ রিপন বিএনপি নেতা, ফিরোজ মিয়া বিএনপি নেতা, মোহাম্মদ ফয়সাল যুবদল নেতা, জনি পাটোয়ারী যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মহানগর ছাত্রদল, তুষার মহানগর যুবদল নেতা, ফজলুল হক ফজু বিএনপি নেতা, মোহাম্মদ রাজু মিয়া বিএনপি নেতা, কামাল হোসেন ১৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা, হাবিব হোসেন বিএনপি নেতা ও বিএনপি নেতা আবুল কালামসহ মোট ৩৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আশিক, ছাত্রদল নেতা মোঃ আরিফুল ইসলাম, তানিম ও কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল নেতা রুবেলকে অবরোধ চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স চাঁদপুর জেলার শহর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক সালমান, স্বেচছাসেবক দল নেতা বাবলু ও যুবদল নেতা সরোয়ার মল্লিকসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন নাসিরনগর উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক সৈয়দ আবেদ উল্লাহ নিউটনকে তার বাসা থেকে এবং অপরোধ পালনকালে জামালপুর শহর শাখা জাসাসের সভাপতি মোঃ মামুন রায়হানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ আমজাদ আলী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাসুদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইঞ্জি. আসাদুর রহমান চৌধুরী, সদর উপজেলার কালীচরণপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, সাগান্না ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুরুজ মিয়া, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেনসহ মোট ১৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স খুলনা জেলাধীন দাকোপ উপজেলার বানিশান্তা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ রাজু আহমেদ, যুবদল নেতা মোঃ সালমান চৌধুরী, কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ সালমান, ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ ফারুক মল্লিকসহ মোট ১২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

হামলা ও আহত ঃ

ক্স ঢাকা মহানগর দক্ষিণের চানখারপুল এলাকায় ৩১ অক্টোবর বিএনপির অবরোধের মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদ হাসান মিন্টু, ২৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ সেলিম, বিএনপি নেতা রমজান বিশ্বাস, জাহাঙ্গীর আলম জিসান, জামাল হোসেন, চকবাজার থানা জাসাস নেতা মোঃ শাহ আলম, মোহাম্মদ লিখন, কুতুব উদ্দীন কুতুব ও ২৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিসহ মোট ৮/১০ জন নেতাকর্মী।

ক্স নীলফামারী জেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রুমেল পুলিশের হামলায় আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

ক্স নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও সোনারগাঁও থানা যুবদল নেতা করিম রহমানের বাড়িতে আওয়ামী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুন্ডারা হামলা চালিয়ে তাকে না পেয়ে তার বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর ও পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধামকি প্রদর্শণ করে।

 

 এপর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যনুযায়ী ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ, ২৯ অক্টোবর বিএনপির শান্তিপূর্ণ হরতাল এবং গতকাল ও আজ বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবরোধকে কেন্দ্র করে মোট-

 

গ্রেফতার : ২৫৬৩ জনের অধীন নেতাকর্মী

মোট মামলা : ৫৫ টি’র অধিক

মোট আহত : ৩৪৩৬ জনের অধিক নেতাকর্মী

মৃত্যু : ০৯ জন (সাংবাদিক ১ জন)

 

 এছাড়াও মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে গত ৭ দিনে মোট গ্রেফতার করা হয়েছে ৪২৮৩ জনের অধিক নেতাকর্মী এবং মিথ্যা মামলা হয়েছে ৮০ টির অধিক।

 

 গত ২৮ ও ২৯ জুলাই ২০২৩ তারিখ হতে অদ্যাবধি বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঃ-

 

মোট আহত ঃ ৫৭২৯ জনের অধীক নেতাকর্মী

মোট মামলা ঃ ৪৭৩ টি

মোট গ্রেফতার ঃ ৬৯৭৩ জন

মোট আসামী ঃ ৩৫,৬২৫ জন

মোট মৃত্যু ঃ ০৯ জন (সাংবাদিক ০১ জন)

 

মোট সাজা : মোট ১৭টি মামমলায়ঃ ৯ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ ও প্রায় ১১১ জনের অধিক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।

 

ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সরকার ফন্দি করে আবারো ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন করতে চান। রুহুল কোভিদ রিজভী

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ নভেম্বর ২০২৩

সরকার ফন্দি করে আবারো ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন করতে চান।এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী-সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব

তিনি গণমাধ্যমকে জানান,

গতকালের প্রধানমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্যে প্রমাণিত হলো তিনি নানা ধরনের ফন্দি করে আবারো ভোটারবিহীন একতরফা নির্বাচন করতে চান। তিনি রাজনৈতিক সমঝোতা ও সম্প্রীতি এবং অবাধ, অংশগ্রহনমূলক ও সুষ্ঠনির্বাচনে বিশ্বাসী নন। তাই অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের কথা শুনলেই প্রধানমন্ত্রী মনে করেন তার জমিদারীতে কেউ অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা করছে। তাই অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য কেউ দাবী করলেই তিনি ক্ষুদ্ধ ও বিকারগ্রস্থ হয়ে পড়েন। অন্যান্য দাবীসহ অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের একদফা দাবীতে ২৮ অক্টোবরের বিএনপির সাগরসম মানুষের উপস্থিতিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাল চোখে দেখেন নি। এতো মানুষের সমাগম দেখে তার অন্তরজ্বালা বাড়তে থাকে। এইজন্য তিনি তার বাছাই করা আইনশৃংখলা বাহিনীকে দিয়ে গুলি, টিয়ার গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে সাংবাদিকসহ বিএনপি নেতাদের হত্যাসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে গুরুতর আহত করান। বিএনপির সমাবেশকে পন্ড করায় আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই কারনেই আইন শৃংখলা বাহিনী আরো বেশী বেপরোয়া ও নারকীয় তান্ডবে লিপ্ত হয়েছে। তারা মরণঘাতি অভিযানে আরো বেশী হিং¯্র হয়ে উঠেছে। ২৮, ২৯ ও ৩১শে অক্টোবর বিএনপির কর্মসূচীতে ঢাকাসহ সারাদেশে তারা হত্যার প্রতিযোগীতায় মেতে উঠে। গতকালকের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিবেকহীন পুলিশ বাহিনী বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর নিষ্ঠুর নির্যাতন চালাতে আরো বেশী উৎসাহী হয়ে উঠে।

 

সংগ্রামী সাংবাদিক বন্ধুরা,

২৮, ২৯ ও ৩১শে অক্টোবর আওয়ামী পুলিশ রক্তের যে হোলিখেলা খেলেছে সেটি নজিরবিহীন পৈশাচিক ঘটনা। গতকাল সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী অনর্গল মিথ্যা কথা বলেছেন সারা জাতির সামনে। অথচ দেশবাসী এবং আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় যা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে সেটাকে পরিবর্তন করবেন কিভাবে? জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন বলেছে যে মুখোশপরা হেলমেটধারী ব্যক্তিরা সরকারের লোক। এইভাবে দেশবিদেশে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সংস্থারা সরকারের পরিকল্পিত আক্রমণ সম্পর্কে এখন ওয়াকিবহাল। আওয়ামীলীগ শুধু বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের আক্রমন ও জখম করে হতাহত করছে না খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষদের ন্যায্য দাবির আন্দোলনকেও রক্তাক্ত পন্থায় দমন করছে। বন্ধুরা, আওয়ামী সরকারের ক্ষমতাক্ষুধা এতটাই তীব্র যে তারা সারাদেশকে গোরস্থান বানিয়ে ক্ষমতা দখলে রাখতে চায়। আওয়ামীলীগের ’টপ টু বটম’ নেতাকর্মীদের ভাষা একগুয়েমী গুন্ডাসন্ত্রাসীদের মতো। এদের কাছে গনতান্ত্রিক আদর্শ ও মূল্যবোধ, সুশাসন ও ন্যায়বিচারের কোন মূল্য নেই। এরা অবৈধ ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রভু হয়ে ক্ষমতায় থাকতে চায়। সেই কারনেই বিরোধীদলের আওয়াজকে নিস্তব্ধ করার জন্য নিজেদের মনের মতো করে আইনশৃংখলা বাহিনীকে সাজিয়েছে। আর তারই প্রতিফলন বিএনপিসহ বিরোধীদলের কর্মসূচীতে শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত লাঠিয়ালের মতো তাদের আক্রমন।

সাংবাদিক ভাইবোনেরা,

শেখ হাসিনা গনতন্ত্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠান ধবংস করে তিনি ’ডান্ডালীগ’ গড়ে তুলেছেন। আইনশৃংখলা বাহিনী ও যুবলীগ-ছাত্রলীগ একযোগে ’ডান্ডালীগ’ হিসেবে কাজ করছে। এরাই সারা বাংলাদেশে গনতন্ত্রের কফিনে পেরেক ঠুকছে। বিরোধী দলকে স্তব্ধ করার উদ্দেশ্যই হচ্ছে দেড় দশকের আওয়ামী লুন্ঠন ও অর্থপাচারের কাহিনীগুলো যেন সাধারন জনগন জানতে না পারে। পদ্মাসেতু ও মেট্রোরেলের এক্রিবিশনে মানুষের পেট ভরছে না। বিপুল জনগোষ্ঠী অনাহারে অর্ধাহারে কোনরকমে বেঁচে আাছে। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি এতটাই বেড়েছে সেটা আমাদের গ্যালাক্সি ছাড়িয়েও আরো উর্দ্ধোগামী হয়েছে। আলুর কেজি ৭০-৮০ টাকা। অথচ সরকার দাম নির্ধারিত মূল্য ছিল ৩৫ টাকা। পিঁয়াজের বর্তমান মূল্য কেজি প্রতি ১৪০ টাকা। সাতদিন আগে ছিল ১০০ টাকা। আর সরকার মূল্য নির্ধারন করেছিল ৬৫ টাকা। এইভাবে প্রতিটি খাদ্যপণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সারা জাতি হতবম্ভ ও কিংকর্তব্যবিমূঢ। মধ্যম ও নি¤œ আয়ের মানুষ তার উপার্জিত পয়সা দিয়ে খাবার কিনতে পারছে না। একবেলা খাবার জোগোনোই অসম্ভব হয়ে গেছে। অসাধু পণ্য সিন্ডিকেটের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে সরকার কারন এই সিন্ডিকেটবাজরা সবাই আওয়ামীলীগের সাথে সংশ্লিষ্ঠ।

সংগ্রামী সাংবাদিক বন্ধুগণ,

জেলখানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের দুর্দশা এখন চরমে উঠেছে। বিএনপির যে সমস্ত নেতা যারা একসময় মন্ত্রী -এমপি ছিলেন তাদেরকেও ডিভিশন দেয়া হচ্ছে না। কারাগারের ভিতরে বিএনপি নেতাদের আটকে রাখা হচ্ছে। এমনকি দিনের বেলায়ও তাদের সেলের ভিতরে আটক রাখা হয়। ভয়ংকর হয়রানির মধ্যে বিএনপি নেতারা দিন কাটাচ্ছে। সকল মামলায় জামিন পাওয়ার পরেও জেলগেট থেকে পুনরায় গ্রেফতার এখন বিএনপি নেতাকমীদের ভাগ্যের লিখন হয়ে গেছে। শেখ হাসিনার জুলুমের মাত্রার কোনো শেষ নেই। গতকাল জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতারের পর আজকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এটা সরাসরি মির্জা আব্বাসের উপর সরকারি নিপীড়ণ। কারাগারে অসুস্থ বিএনপি নেতাদের হাসপাতালের চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আমি কারাগারে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর কারাকর্তৃপক্ষের নিপীড়ণ ও নির্যাতনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী কর্তৃক হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের বিবরণ ঃ

মৃত্যু ঃ

কিশোরগঞ্জ জেলাধীন ভৈরব পৌর শাখার ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মোঃ আশিক মিয়া গতকাল পুলিশের টিয়ারশের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ভাগলপুরস্থ জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রাত ১০ টার সময় মৃত্যুবরণ করেন।

 

গ্রেফতার ঃ

ক্স আজ বিএনপির অবরোধ এর ২য় দিন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশার বিভাগ) এ্যাড. বিলকিস জাহান শিরিন, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. আলী হায়দার বাবুল, জেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল হোসেন খানসহ মহানগর বিএনপির বেশকয়েকজন নেতাকর্মী বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবরোধের মিছিল বের করার প্রস্তুতিকালে পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এছাড়াও বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য মুসা কাজলকে গতকাল রাত ১:৩০ মিনিটের সময় তার আত্মীয়র বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক বাছুরুল ইসলাম রানা, বনানী থানা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি লুৎফর হোসেন বাবর, দক্ষিণখান থানা যুবদল নেতা শরীফুল ইসলাম দুলাল ও বাড্ডা থানা ছাত্রদল নেতা রাকিবুল ইসলামকে আজ সকালে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এখনপর্যন্ত তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ক্স ঢাকা মহানগর দক্ষিণের চানখারপুল এলাকায় গতকাল বিএনপির অবরোধের মিছিলে পুলিশের হামলায় গ্রেফতার হয় বিএনপি নেতা- মোঃ হায়দার আলী, মোস্তাক আহমেদ আপন, এনামুল হাসান হালিম, মোঃ আলমাস ও মোহাম্মদ মামুনসহ ১০ জন নেতাকর্মী। এছাড়াও সবুজবাগ থানাধীন ৭১ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ফয়সাল আহমেদ মিলন, ৭৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোঃ হযরত, মোঃ ফালান, ৪ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কিরণ মুন্সি, কোতয়ালী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তামিম আহমেদ তুহিন, মুগদা থানাধীন ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ওয়াদি ও মুক্তার হোসেন, মতিঝিল থানাধীন ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সালু, পিজি হাসপাতাল ইউনিটের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, মুগদা থানাধীন ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমদাদুল ইসলাম অপু , শাহবাগ থানাধীন ২০ নং ওয়ার্ডের বাবুপুরা ইউনিট বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, রামপুরা থানা বিএনপি নেতা- মোঃ রিপন ও মোঃ শহিদ মিয়া, ধামন্ডি থানা যুবদল নেতা মির্জা এম আই মওদুদসহ মোট ৩০ জনের অধীক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং শাহজাহানপুর থানাধীন ১১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মনিরুজ্জামান মনিরকে গ্রেফতার করে ২ দিনের রিমান্ডে নেয় শাহজাহানপুর থানা পুলিশ।

ক্স ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন মিরপুর থানা বিএনপির ১ম যুগ্ম আহবায়ক ও ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হাজী মোঃ দেলোয়ার হোসেন দুলুকে গতপরশু রাতে তার মিরপুরস্থ ডিওএইচএস এর ফ্লাটের গেট ভেঙ্গে প্রায় দুই শতাধিক ডিবি পুলিশ, আনসার সেনাবাহিনী তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এছাড়াও আজ মিরপুর থানার ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তুহিন মিয়া, রূপনগর থানার চলন্তকা ইউনিট বিএনপির সভাপতি মোঃ মানিক মিয়া ও খিলক্ষেত থানাধীন ৯৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন, দারুস সালাম থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সায়েম মন্ডল, মিরপুর থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবু তালেব, দারুস সালাম থানা ছাত্রদল নেতা মোঃ রুমন আহমেদ ও ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মোঃ ফারুকসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ঢাকা জেলাধীন দোহার থানা বিএনপি নেতা- আমির শিকদার, মোঃ মোশাররফ, জসিম উদ্দীন, রহিম খান, মোয়াজ, ফরহাদ, মিন্টু ও জালালসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাকোপার বিএনপি নেতা এ্যাড. লাভলু, দুর্জয় মাহমুদ সোহেল, মোঃ সাব্বির, ফরিদ হাসান, মোঃ মানিক. মোঃ আরিফ, মোঃ সোহেল ও মোঃ সুজনসহ মোট ২০ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স মুন্সিগঞ্জ জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব শহীদ মজুমদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স মানিকগঞ্জ জেলাধীন দরগ্রাম ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ আরমান আলী, বালিয়াটি ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন, ধানকোড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আজাদ হোসেন, গড়পাড়া ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ শিপু, নসু মিয়া ও ছাত্রদল নেতা অপু মিয়াসহ বেশকয়েক জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুর বাজার এলাকায় আজ বিএনপির অবরোধের ২য় দিন মিছিল করার সময় ছাত্রদল নেতা- মোহাম্মদ ফয়সাল মিয়া, মোঃ তানভীর, রায়হান কবির ও রবিন মোল্লাসহ ১০/১২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স শেরপুর জেলাধীন নকলা উপজেলা যুবদলের সদস্য তৈয়বুর সরকার, নালিতাবাড়ি উপজেলাধীন পোড়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল কাদের মোল্লা ও কফিল উদ্দীন সরকারকে কিছুক্ষণ আগে ডিবি পুলিশ গ্রেফতর করে।

ক্স গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম লিফেজ, যুবদলের সদস্য আল-আমিন, ছোটনকে গ্রেফতার করে পুরিশ। এছাড়াও নীলফামারী জেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি খাদেমুল ইসলাম, ডিমলা উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দীক ও দয়াবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মামুনুর রশিদ মামুনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নজরুল ইসলাম, হালুয়াঘাট পৌর বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম, উত্তর জেলা বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন কবির ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান রানাসহ ১৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি আবুল মনসুর শওকতকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজ চৌধুরী ও পৌর শাখার ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ মুবিনকে আজ অবরোধ চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স মৌলভী বাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হক বকুল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তানজিল হাসান খান ও যুবদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স নাটোর জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান আনিস, লালপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন, নলডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ হিটলার হোসেন, মোঃ খোরশেদ আলম ও দয়রামপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মহাসিন আলীসহ ১২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স কুমিল্লা মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের গ্রেফতারকৃত নেতৃবৃন্দের তালিকা

ইলিয়াস মুকিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা, ফখরুজ্জামান বিএনপি নেতা, সাখাওয়াত হোসেন কুমিল্লা মহানগর বিএনপি নেতা, হাবিবুর রহমান বিএনপি নেতা, রোকনউদ্দিন ২৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা, জাকির হোসেন বিএনপি নেতা, মাহবুব আলী রাশেদ যুগ্ন আহবায়ক আদর্শ সদর উপজেলা যুবদল, মীর সাখাওয়াত হোসেন বিএনপি নেতা, সিরাজুল ইসলাম সহ-সভাপতি জেলা শ্রমিক দল, বিপ্লব ভৌমিক মিলু সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কুমিল্লা মহানগর যুবদল, সোহেল আহমেদ সোহেল সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহানগর যুবদল, মোহাম্মদ ইয়াসিন বিএনপি নেতা, ফজলে রাব্বি কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল, মিজানুর রহমান যুগ্ন আহবায়ক আদর্শ সদর উপজেলা যুবদল, মোস্তফা সরোয়ার যুগ্ম আহ্বায়ক আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপি, শিব্বির হোসেন নিরব সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্রদল, মোঃ রিপন বিএনপি নেতা, ফিরোজ মিয়া বিএনপি নেতা, মোহাম্মদ ফয়সাল যুবদল নেতা, জনি পাটোয়ারী যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মহানগর ছাত্রদল, তুষার মহানগর যুবদল নেতা, ফজলুল হক ফজু বিএনপি নেতা, মোহাম্মদ রাজু মিয়া বিএনপি নেতা, কামাল হোসেন ১৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা, হাবিব হোসেন বিএনপি নেতা ও বিএনপি নেতা আবুল কালামসহ মোট ৩৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আশিক, ছাত্রদল নেতা মোঃ আরিফুল ইসলাম, তানিম ও কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল নেতা রুবেলকে অবরোধ চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স চাঁদপুর জেলার শহর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক সালমান, স্বেচছাসেবক দল নেতা বাবলু ও যুবদল নেতা সরোয়ার মল্লিকসহ বেশকয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন নাসিরনগর উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক সৈয়দ আবেদ উল্লাহ নিউটনকে তার বাসা থেকে এবং অপরোধ পালনকালে জামালপুর শহর শাখা জাসাসের সভাপতি মোঃ মামুন রায়হানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ আমজাদ আলী ও কেন্দ্রীয় যুবদলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাসুদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইঞ্জি. আসাদুর রহমান চৌধুরী, সদর উপজেলার কালীচরণপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, সাগান্না ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুরুজ মিয়া, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেনসহ মোট ১৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স খুলনা জেলাধীন দাকোপ উপজেলার বানিশান্তা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ রাজু আহমেদ, যুবদল নেতা মোঃ সালমান চৌধুরী, কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ সালমান, ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ ফারুক মল্লিকসহ মোট ১২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

 

হামলা ও আহত ঃ

ক্স ঢাকা মহানগর দক্ষিণের চানখারপুল এলাকায় ৩১ অক্টোবর বিএনপির অবরোধের মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়- ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদ হাসান মিন্টু, ২৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোহাম্মদ সেলিম, বিএনপি নেতা রমজান বিশ্বাস, জাহাঙ্গীর আলম জিসান, জামাল হোসেন, চকবাজার থানা জাসাস নেতা মোঃ শাহ আলম, মোহাম্মদ লিখন, কুতুব উদ্দীন কুতুব ও ২৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিসহ মোট ৮/১০ জন নেতাকর্মী।

ক্স নীলফামারী জেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রুমেল পুলিশের হামলায় আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

ক্স নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও সোনারগাঁও থানা যুবদল নেতা করিম রহমানের বাড়িতে আওয়ামী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুন্ডারা হামলা চালিয়ে তাকে না পেয়ে তার বাড়ির আসবাবপত্র ভাংচুর ও পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধামকি প্রদর্শণ করে।

 

 এপর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যনুযায়ী ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ, ২৯ অক্টোবর বিএনপির শান্তিপূর্ণ হরতাল এবং গতকাল ও আজ বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবরোধকে কেন্দ্র করে মোট-

 

গ্রেফতার : ২৫৬৩ জনের অধীন নেতাকর্মী

মোট মামলা : ৫৫ টি’র অধিক

মোট আহত : ৩৪৩৬ জনের অধিক নেতাকর্মী

মৃত্যু : ০৯ জন (সাংবাদিক ১ জন)

 

 এছাড়াও মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে গত ৭ দিনে মোট গ্রেফতার করা হয়েছে ৪২৮৩ জনের অধিক নেতাকর্মী এবং মিথ্যা মামলা হয়েছে ৮০ টির অধিক।

 

 গত ২৮ ও ২৯ জুলাই ২০২৩ তারিখ হতে অদ্যাবধি বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঃ-

 

মোট আহত ঃ ৫৭২৯ জনের অধীক নেতাকর্মী

মোট মামলা ঃ ৪৭৩ টি

মোট গ্রেফতার ঃ ৬৯৭৩ জন

মোট আসামী ঃ ৩৫,৬২৫ জন

মোট মৃত্যু ঃ ০৯ জন (সাংবাদিক ০১ জন)

 

মোট সাজা : মোট ১৭টি মামমলায়ঃ ৯ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ ও প্রায় ১১১ জনের অধিক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।

 

ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ।