অবৈধভাবে চাকুরীচ্যুত (আশা) এনজিও কর্মীদের অবস্থান কর্মসূচী

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:১৩:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১২ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
বাংলাদেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশা (ASA)-এর একটি অংশ কর্মী সম্প্রতি বেআইনীভাবে চাকুরীচ্যুত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চাকুরীচ্যুত ও নির্যাতিত কর্মীরা বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানের পাশাপাশি পুনরায় চাকুরীতে পুনর্বহালের দাবিতে রাজধানীতে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছেন।
কর্মসূচীর বিবরণ
আজকের এই কর্মসূচী সকাল থেকেই শুরু হয়। উপস্থিত ছিলেন চাকুরীচ্যুত নারী ও পুরুষ কর্মীবৃন্দ, যাদের দীর্ঘদিনের সেবা-অবদান হঠাৎ করে ছিন্ন করা হয়েছে। কর্মসূচীতে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাঁদের ন্যায়সঙ্গত দাবি উপস্থাপন করেন।
দাবিসমূহ
চাকুরীচ্যুত ও নির্যাতিত কর্মীরা নিম্নোক্ত দাবিগুলো উত্থাপন করেনঃ
বেআইনীভাবে চাকুরীচ্যুতি প্রত্যাহার করতে হবে।
বকেয়া বেতন-ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও অন্যান্য পাওনা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে।
পুনরায় চাকুরীতে পুনর্বহাল করতে হবে এবং হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
ভবিষ্যতে কর্মীদের প্রতি যে কোনো ধরনের নির্যাতন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধ করতে হবে।
কর্মীদের বক্তব্য
অবস্থান কর্মসূচীতে বক্তারা অভিযোগ করেন যে, তারা বহু বছর ধরে প্রতিষ্ঠানের নানাবিধ উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে অবদান রেখেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়াই তাঁদের চাকুরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অনেকের একাধিক মাসের বেতনও পরিশোধ করা হয়নি।
একজন ভুক্তভোগী বলেনঃ
“আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম সংকটে পড়েছি। আশার মতো বড় একটি প্রতিষ্ঠানে এমন অবিচার মানা যায় না। আমরা আমাদের প্রাপ্য অধিকার চাই, দয়া নয়।”
পরিস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া
কর্মসূচী চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। তবে কর্মীদের দাবির প্রতি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া এখনো পাওয়া যায়নি। শ্রমিক সংগঠন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
উপসংহার
আশা এনজিও-র কর্মীদের এই আন্দোলন কেবল ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়; এটি দেশের উন্নয়ন খাতে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিকের অধিকার রক্ষার লড়াই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত অবিলম্বে ন্যায়সঙ্গত পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যাতে কর্মীরা তাঁদের প্রাপ্য অধিকার ফিরে পান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো যায়।












