আওয়ামী-লীগ এর জন্য রমজানে দোয়া আল্লাহ তাদেরকে বোধদয় দেন

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালেমুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদাতা আওয়ামী লীগ আজ কর্তৃত্ববাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি এসব কথা বলেন,রাশেদ খান আরো বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আমরা পদার্পণ করেছি, কিন্তু ভাত ও ভোটের স্বাধীনতা আমরা আজও পাইনি। এখন পর্যন্ত ভোটের জন্য লড়াই করতে হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ আজ কর্তৃত্ববাদের নেতৃত্বকারী দলে পরিণত হয়েছে। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে তারা দেশেকে উত্তর কোরিয়া বানাতে মরিয়া হয়ে গেছে। অথচ অতীতের আন্দোলনে আওয়ামী লীগেরও ভূমিকা আছে। স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে তারাও জোরালো আন্দোলন করেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে তারা আজ দূরে সরে গেছে,রাশেদ প্রশ্ন রেখে বলেন, আজকে কোথায় সাম্য, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার? আমরা যারা ভিন্নমতের মানুষ রয়েছি, তাদেরকে আদালতের বারান্দায় বারান্দায় দৌড়াতে হচ্ছে। দুর্নীতি, গুম, খুনের করালগ্রাসে পড়েছে বাংলাদেশ। এমন বাংলাদেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। পবিত্র মাহে রমজানে আমরা মহান আল্লাহর দরকার দোয়া করি, তিনি যেন আওয়ামী লীগকে বোধোদয় দেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে তাদের বোধোহয় ও স্বদিচ্ছা দরকার। এতে তারাও ভালো থাকবে, দেশের জনগণও ভালো থাকবে। অন্যথায় আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের পতন হলে, সেটির পরিণতি ভাল হবে না। এসময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শহিদুল ইসলাম ফাহিম, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট শওকত, ধর্ম ও সম্প্রতি বিষয়ক সম্পাদক মোবারক হোসেন, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সোহাগ হোসেন, সহ স্বাস্থ্য সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি শাহ জাহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুহেল রানা, ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি নেওয়াজ খান বাপ্পি, যুব অধিকার পরিষদ ঢাকা জেলা উত্তরের সভাপতি গাজী রুবেলসহ দলের ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।রাশেদ খান আরো বলেন, আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে পরিচ্ছন্ন রাজনীতি চাই। পরিশুদ্ধ রাজনীতি ব্যতীত এই জাতির প্রকৃত মুক্তি মিলবে না। তবে এটা স্বীকার করতে হবে যে, যে-ধরনের আন্দোলন সংগ্রাম একটি কর্তৃত্ববাদ সরকারকে হটিয়ে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দরকার, সেটি আমরা গড়ে তুলতে পারছি না। আমাদের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুনভাবে, নতুন কৌশলে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।


















