ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

ইউরোপের সকল দেশের মিশন বাংলাদেশে চালুর দাবীতে সংবাদ সম্মেলন।

রিপোর্টার:শান্ত হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে ইউরোপীয় দেশগুলোর এম্বাসী/কন্স্যুলেট এখন সময়ের দাবী।বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে যাত্রা করা নাগরিকদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। তবে এসমস্ত কার্যক্রমে বারবার দেখা যাচ্ছে যে ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশের কন্স্যুলেট এবং এম্বাসি কার্যক্রমের জন্য আমাদের নাগরিকদের অন্য দেশে অভিমুখী হতে হচ্ছে।

দিল্লিতে অবস্থিত ইউরোপীয় এম্বাসি ও কনস্যুলেট গুলোতে বাংলাদেশের নাগরিকরা সময়মতো অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় প্রতিনিয়ত। সঠিক নথিপত্র পাওয়ার পরও ভারত ভ্রমণের জন্য আমাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করছে যার জন্য ভিসা আবেদন, কনস্যুলার সেবা পেতে সময় লাগছে। একইভাবে নেপালে অবস্থিত বিভিন্ন দুতাবাসে ভিসার আবেদনের জন্য বিভিন্ন সময় কারন ব্যতীত অফলোড করা হয় ফলে অনেকেই ভিসা আবেদনে ব্যর্থ হচ্ছে আবার উল্লেখিত স্থানগুলোতে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময়, ভ্রমণ ব্যয়, হোটেল খরচ এবং আনুষঙ্গিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে আমাদের ভিসা আবেদনকারীরা একটা বিশাল আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানষিক চাপঅনুভব করেন।

আমরা মনে করি ইউরোপীয় সকল কনস্যুলেট ও এম্বাসি কার্যক্রম যেন বাংলাদেশেই সম্পন্ন করা যায় তা নিশ্চিত করা জরুরি, তাতে ইউরোপের দেশগুলোতে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশী যেতে পারবে এবং বেশি বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসবে।

আমাদের উদ্দেশ্য কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে আসা নয়, বরং আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আমরা ইউরোপের সকল দেশে আমাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারি। বাংলাদেশে যদি ইউরোপীয় কনস্যুলেট এবং এম্বাসি কার্যক্রম চালু করা হয় তবে আমাদের নাগরিকদের ইউরোপে প্রবেশের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং অর্থ সাশ্রয় হবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা সহ-মাননীয় উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টিগোচর করা এবং এটা বুঝানো যে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা যদি বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে ইউরোপের দেশ গুলোর সাথে কথা বলে বাংলাদেশে তাদের মিশন চালু করার ব্যবস্থা করেন।

আমরা বিশ্বাস করি ২৪ এর গনঅভ্যুত্থানের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া শান্তিতে নোভেল বিজয়ী আন্তরিক ইচ্ছাপোষণ করলে বাংলাদেশে ইউরোপের সকল দেশের মিশন চালু করবেন। কারন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার ঐ পরিমাণ গ্রহনযোগ্যতা ইউরোপের সরকার প্রধানদের কাছে আছে। সুতরাং আমাদের আকুতি দ্রুত তিনি যেনো গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি আমলে নেন।প্রস্তাবনাঃ

আমরা বিশ্বাস করি যে, বাংলাদেশে ইউরোপীয় কনস্যুলেট এবং এম্বাসি কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো অর্জন করা সম্ভব:

১) সময় ও খরচ সাশ্রয়: বাংলাদেশে যদি সকল কার্যক্রম চালু থাকে, তবে দিল্লি যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এতে করে সময় ও খরচ উভয়ই বাঁচবে, জনগন উপকৃত হবে ইউরোপ গমনে খরচ কমবে।

২) কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি: স্থানীয় সেবা গ্রহণের মাধ্যমে আবেদনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও সহজ হবে, ফলে নাগরিকরা দ্রুত ভিসা ও অন্যান্য সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

৩) সেবা প্রদানে গুণগত মান বৃদ্ধি: বাংলাদেশে সরাসরি এম্বাসী/কনস্যুলেট কার্যক্রম চালু থাকলে, আমাদের নাগরিকরা সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পেতে সক্ষম হবেন এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই সহজে পরামর্শ নিতে পারবেন।

৫) স্থানীয় কর্মসংস্থান ও যোগাযোগ উন্নয়ন: এই পদক্ষেণে স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ থাকবে এবং বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় দেশগুলোর কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

কীভাবে এগিয়ে যাওয়া যেতে পারেঃ

১) সরকারের সাথে সংলাপ: আমরা কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সরকারকে এই সমস্যার গুরুত্ব বোঝাতে চাই যেন ভারা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
২) ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির সাথে আলোচনা: ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের সাথে মিটিং আয়োজন করা এবং কনস্যুলেট কার্যক্রম বাংলাদেশে চালু করার গুরুত্ব বোঝানো।

৩) জনগণের সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: সামাজিক ও গণমাধ্যমে প্রচারণার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের সহায়তা নিয়ে সরকারের কাছে এই বার্তা পৌঁছানো।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশের মিশন কার্যক্রম চালু করা মানে আমাদের নাগরিকদের জন্য আরও সহজতর ও কার্যকর সেবা প্রদান করা। আমরা দিল্লির সাথে কোনো বিরোধে আসতে চাই না বরং আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে সরকারকে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবনের মাধ্যমে সচেষ্ট করা।

আমাদের বিশ্বাস কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব এবং এই প্রক্রিয়ায় আমরা ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ইউরোপের সকল দেশের মিশন বাংলাদেশে চালুর দাবীতে সংবাদ সম্মেলন।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশে ইউরোপীয় দেশগুলোর এম্বাসী/কন্স্যুলেট এখন সময়ের দাবী।বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অভিবাসন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে যাত্রা করা নাগরিকদের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। তবে এসমস্ত কার্যক্রমে বারবার দেখা যাচ্ছে যে ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশের কন্স্যুলেট এবং এম্বাসি কার্যক্রমের জন্য আমাদের নাগরিকদের অন্য দেশে অভিমুখী হতে হচ্ছে।

দিল্লিতে অবস্থিত ইউরোপীয় এম্বাসি ও কনস্যুলেট গুলোতে বাংলাদেশের নাগরিকরা সময়মতো অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় প্রতিনিয়ত। সঠিক নথিপত্র পাওয়ার পরও ভারত ভ্রমণের জন্য আমাদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করছে যার জন্য ভিসা আবেদন, কনস্যুলার সেবা পেতে সময় লাগছে। একইভাবে নেপালে অবস্থিত বিভিন্ন দুতাবাসে ভিসার আবেদনের জন্য বিভিন্ন সময় কারন ব্যতীত অফলোড করা হয় ফলে অনেকেই ভিসা আবেদনে ব্যর্থ হচ্ছে আবার উল্লেখিত স্থানগুলোতে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময়, ভ্রমণ ব্যয়, হোটেল খরচ এবং আনুষঙ্গিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে আমাদের ভিসা আবেদনকারীরা একটা বিশাল আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানষিক চাপঅনুভব করেন।

আমরা মনে করি ইউরোপীয় সকল কনস্যুলেট ও এম্বাসি কার্যক্রম যেন বাংলাদেশেই সম্পন্ন করা যায় তা নিশ্চিত করা জরুরি, তাতে ইউরোপের দেশগুলোতে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশী যেতে পারবে এবং বেশি বেশি রেমিট্যান্স দেশে আসবে।

আমাদের উদ্দেশ্য কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে আসা নয়, বরং আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে আমরা ইউরোপের সকল দেশে আমাদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারি। বাংলাদেশে যদি ইউরোপীয় কনস্যুলেট এবং এম্বাসি কার্যক্রম চালু করা হয় তবে আমাদের নাগরিকদের ইউরোপে প্রবেশের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে এবং অর্থ সাশ্রয় হবে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা সহ-মাননীয় উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টিগোচর করা এবং এটা বুঝানো যে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র
উপদেষ্টা যদি বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে ইউরোপের দেশ গুলোর সাথে কথা বলে বাংলাদেশে তাদের মিশন চালু করার ব্যবস্থা করেন।

আমরা বিশ্বাস করি ২৪ এর গনঅভ্যুত্থানের মধ্যে দায়িত্ব নেওয়া শান্তিতে নোভেল বিজয়ী আন্তরিক ইচ্ছাপোষণ করলে বাংলাদেশে ইউরোপের সকল দেশের মিশন চালু করবেন। কারন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার ঐ পরিমাণ গ্রহনযোগ্যতা ইউরোপের সরকার প্রধানদের কাছে আছে। সুতরাং আমাদের আকুতি দ্রুত তিনি যেনো গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি আমলে নেন।প্রস্তাবনাঃ

আমরা বিশ্বাস করি যে, বাংলাদেশে ইউরোপীয় কনস্যুলেট এবং এম্বাসি কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো অর্জন করা সম্ভব:

১) সময় ও খরচ সাশ্রয়: বাংলাদেশে যদি সকল কার্যক্রম চালু থাকে, তবে দিল্লি যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। এতে করে সময় ও খরচ উভয়ই বাঁচবে, জনগন উপকৃত হবে ইউরোপ গমনে খরচ কমবে।

২) কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি: স্থানীয় সেবা গ্রহণের মাধ্যমে আবেদনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও সহজ হবে, ফলে নাগরিকরা দ্রুত ভিসা ও অন্যান্য সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

৩) সেবা প্রদানে গুণগত মান বৃদ্ধি: বাংলাদেশে সরাসরি এম্বাসী/কনস্যুলেট কার্যক্রম চালু থাকলে, আমাদের নাগরিকরা সঠিক ও নির্ভুল তথ্য পেতে সক্ষম হবেন এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই সহজে পরামর্শ নিতে পারবেন।

৫) স্থানীয় কর্মসংস্থান ও যোগাযোগ উন্নয়ন: এই পদক্ষেণে স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ থাকবে এবং বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় দেশগুলোর কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।

কীভাবে এগিয়ে যাওয়া যেতে পারেঃ

১) সরকারের সাথে সংলাপ: আমরা কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সরকারকে এই সমস্যার গুরুত্ব বোঝাতে চাই যেন ভারা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
২) ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির সাথে আলোচনা: ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের সাথে মিটিং আয়োজন করা এবং কনস্যুলেট কার্যক্রম বাংলাদেশে চালু করার গুরুত্ব বোঝানো।

৩) জনগণের সহায়তা ও সচেতনতা বৃদ্ধি: সামাজিক ও গণমাধ্যমে প্রচারণার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের সহায়তা নিয়ে সরকারের কাছে এই বার্তা পৌঁছানো।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশের মিশন কার্যক্রম চালু করা মানে আমাদের নাগরিকদের জন্য আরও সহজতর ও কার্যকর সেবা প্রদান করা। আমরা দিল্লির সাথে কোনো বিরোধে আসতে চাই না বরং আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে সরকারকে বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবনের মাধ্যমে সচেষ্ট করা।

আমাদের বিশ্বাস কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব এবং এই প্রক্রিয়ায় আমরা ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারবো।