কলাতলী ইউনিয়নে বিএনপির নেতা নাজু মাঝি কে চাঁদা না দেওয়ার কারনে অসহায় কৃষকের পাঁচ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ বন্ধ,

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধি
ভোলার মনপুরা উপজেলার ৫নং কলাতলী ইউনিয়ন এ বিএনপি নেতা নাজু মাঝি ৪০কে চাঁদা না দেওয়ায় কলাতলী ইউনিয়নের বর্ষার
প্রধান ফসল ধান। এই ধান ফসল ফলানোর জন্য জমি চাষের ট্রাক্টর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে একটি ইউনিয়নে আমন চাষের চার হাজার কৃষকের পাঁচ হাজার একর জমির চাষাবাদ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছে।
চর কলাতলী ইউনিয়ন এর একাধিক কৃষক বলেন, আমন চলতি মৌসুমে জমিতে চাষ শুরু হলে আমরা জমি প্রস্তুত করবো। কিন্তু
হঠাৎ বিএনপির নেতা নাজু মাঝি চাঁদার জন্য তার লোকজন এসে জমির হালচাষ বন্ধ করে দেয় । ফখরুল, সফিউল ,সহ বিভিন্ন কৃষকেরা জানান ,
গুটি কয়েক চাঁদাবাজদের জন্য কৃষকেরা জমিতে চাষ দিতে পারছে না।
ট্রাক্টর ড্রাইভার রাজিব ২৫ বলেন।
আমি জমি চাষ দিতেছি হঠাৎ করে নাজু মাঝি, আরিফ সহ ২০-২৫ জন লোক এসে আমাকে বলতেছে ট্রাক্টর বন্ধ করার জন্য। এর পর
আমি ট্রাক্টর বন্ধ করলে আমাকে বলে চাবি দিতে। আমি চাবি দিতে রাজি না হলে আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিতে থাকে। এবং আমার কাছ থেকে ৫০হাজর টাক চাঁদা দাবি করে। এর পর আমি আছিউলহক মেম্বার কে কল দিয়ে নিয়ে আসি।
৫ নং কলাতলী ইউনিয়ন এর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আহ্বায়ক আছিয়ল হক মেম্বার বলেন। আমরা চার পাঁচ জন মিলে মানুষের জমি চাষ দেওয়ার জন্য এই ট্রাক্টর টা নিয়ে আসি। গত ১৪ জুন থেকে গাড়ি টা দিয়ে মানুষের জমি চাষ দিতে থাকি। হঠাৎ করে আজ সকলে ১০ টায় আমার কাছে খবর আসে নাজু মাঝি, আরিফসহ ২০/২৫ জন মানুষ গাড়ি টি বন্ধ করে দেয়ার
জন্য এসেছে । এর পর ড্রাইভার আমাকে বলে নাজু মাঝি ৫০ হাজার টাকা চায় টাকা না দিলে গাড়ির অর্ধেক শেয়ার দিতে হবে বলতেছে। এর পর আমি কলাতলী পুলিশ পাড়িতে খবর দেই, এবং সাংবাদিকদের খবর দেই। তিনি আরও বলেন এই নাজু মাঝি’র নামে আমার কাছে একাধিক অভিযোগ আছে। অসহায় মহিলাদের ধান
কেটে নিয়ে গেছে, অনেকের জমি দখল করেছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতে পারে, তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নির্দেশ দলের প্রভাব দেখিয়ে কোন কর্মী ক্ষমতার দোহাই দিয়ে অসহায় মানুষের উপর অত্যাচার চাঁদা দাবি করিলে দলের পক্ষ থেকে তাতখনিক ব্যবস্থা নিতে হবে।
এদিকে স্থানীয় ব্যক্তি অর্থাৎ ৫ নং কলাতলী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আঃ রহমান ৪০ বলেন আমি দীর্ঘ ২২ বছর
নাজু মাঝির সাথে উঠাবসা কিন্তু আজ আমি তার থেকে দূরে,কারন হচ্ছে নাজু মাঝি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ বিএনপি করে কিন্তু আমিও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি করি কিন্তু দেখলাম তার নামে এলাকাতে অনারগল অভিযোগ
৮ নং ওয়ার্ডের বিধবা মহিলা বিলকিস এবং সকিনাকে মাইর দিয়ে জমি থেকে জোরপূর্বক ভাবে ধান নিয়ে যায়, বুঝতে পারলাম আমার দলের ভবিষ্যৎ জীবনে অন্ধকার নেমে আসতে পারে জনগণ বিএনপি এর নেতাকর্মীর এই পরিস্থিতি দেখলে কোনরকমে বিএনপি কে ভোট দিবে না যার কারণে আমি নাজু মাঝি থেকে আলাদা হয়ে গেছি ।অভিযুক্ত নাজু মাঝি কে একাধিক বার কল করেও পাওয়া যায় নি
কলাতলী পাড়ি থানার ইনসার্স ইকবাল হোসেন বলেন। আমরা সকালে মোবাইলে’র মাধ্যমে নাজু মাঝির নামে একটা অভিযোগ পাই। আমরা ঘটনা স্থানে গিয়ে কাউকে পাইনি। এর পর আমরা চলে আসি। আমদের কাছে এখনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। যদি আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ আসে তাহলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নিব।
















