কিক বক্সিং চ্যাম্পিয়ান আলী জ্যাকো বললেন ইন্ডিয়ায় থাকলেও আমি বাঙালি,,,

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

আমি মনে করি এটা শুধু আমার একার নয়। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জনা বিষয়টি উদ্বেগের তাই সবার জানা জরুরী।
আমার নাম আলী জ্যাকো, আমি ৫ বারের বিশ্ব কিকবক্সিং চ্যাম্পিয়ান। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছি। আমার বাড়ি হলো সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার পাইগাঁও। আমার ব্রিটিশ এবং বাংলাদেশি দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে।
অতীতের মতো আমি আপনাদের এবারো যা বলবো তা প্রমাণ সহকারে আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। কারণ আমি সততা দিয়ে অন্যায়কে মোকাবেলা করতে চাই। যাতে করে এ নিয়ে আর কারো মনে সংশয় না থাকে।
একজন ব্যক্তির নাম আবদুল দয়াছ, আওয়ামী লীগের সময়ে সুনামগঞ্জের এমপি মহিবুর রহমান ওরফে বোমা মানিক এবং বক্সিং ফেডারেশনের সেক্রেটারি কুদ্দুস খানের সাহায্যে আমার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমার জীবন নরক বানিয়ে দিয়েছে। আমি এবং আমার বয়োবৃদ্ধ মা যিনি ৮১ বছর বয়সী ২৫টিরও বেশি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছিলাম। এছাড়াও সুনামগঞ্জ জেলার বিএনপির সিনিয়ার সহ সভাপতি তখদ্দুছ আলী পীরকে (৮০) মিথ্যা মামলা দায়ের করে জেল খাটানো হয়। সেই এলাকার স্কুল মাষ্টার, সংখ্যালঘু কলেজ প্রিন্সিপাল, কবি লেখক শালিস ব্যাক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের মানুষ তার দ্বারা শতাধিক হামলা মামলার শিকার হচ্ছে। এখন নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে যার রাষ্ট্রনীতি ও আদর্শ হলো দুর্নীতি-দালাল মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার। এই কুখ্যাত মামলাবাজ আবদুল দয়াছ ছিলেন একজন আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী যার উঠাবসা ছিল বিগত আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও অপেশাদার আমলাদের সাথে। ৫ আগষ্টের পর থেকে তার অবস্থান পাল্টে ফেলে বিএনপির কাছ থেকে তার ব্যাক্তিগত অসৎ স্বার্থ হাছিল করতে মরিয়া হয়ে পড়েছে।
আমি এমন একজন বাক্তি যার বাংলাদেশে কোন ব্যবসা বানিজ্য নেই। যেহেতু আমার পরিবার সবসময় বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠাই সেহেতু আমি আশা করি আমাকে এমন বাজে মানুষের হাত থেকে প্রশাসনের রক্ষা করা নৈতিক দায়িত্ব এবং এমন বাজে মানুষের সাথে কোন সরকাররেই কোনোভাবেই সম্পর্ক স্থাপন করা সমিচীন হবে না। কারণ এই ধরণের বাজে লোক সরকারের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করে ও সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন করে।















