চুয়াডাঙ্গা জেলা উলামা পরিষদের উদ্যোগে ইসলামী মহাসম্মেলন-২০২৪ সম্পন্ন হয়।প্রধান বক্তা আল্লামা মামুনুল হক এর আগুন ঝড়া বক্তব্য “ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্মে রাষ্ট্র ব্যবস্থার রুপরেখা নেই”

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:২০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা জেলা উলামা পরিষদের উদ্যোগে ইসলামী মহাসম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক।গতকাল শনিবার শহরের টাউন ফুটবল মাঠে এই মহাসম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনের শুরু থেকেই চুয়াডাঙ্গা জেলা ও আশপাশের জেলার ধর্মপ্রাণ লোকজন সম্মেলনস্থলে আসতে শুরু করেন। আল্লামা মামুনুল হকের বক্তব্য শুনতে অধীর আগ্রহ নিয়ে মাঠে অপেক্ষামান ছিলেন তারা। এক নজর দেখতেও ভিড় জমান অনেকে। প্রধান বক্তার বক্তব্যের সময় টাউন ফুটবল মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।প্রধান বক্তার বক্তব্যে আল্লামা মামুনুল হক বলেন, পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা একমাত্র ইসলাম। আর যে কারণেই কিয়ামত পর্যন্ত এই বিশ^বাসীর সকল সমস্যার সমাধান একমাত্র ইসলাম, আধুনিক যুগের রাষ্ট্র ব্যবস্থার সমস্যার সমাধানও একই ইসলাম করতে পারে। কারণ ইসলামের মধ্যেই আল্লাহ পাক সকল সামাধান রেখেছেন। এর বাইরে অন্য কোন ধর্মের মধ্যে আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার রুপরেখা নেই। এটাই বাস্তবতা। আর বাস্তবতা মেনে নেয়াই সত্যবাদিতা। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, আগামী ২০২৫ সালের জন্য যদি কোন ধর্মকে অর্থনৈতিক খাতের জন্য ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বাজেট পেশ করতে বলা হয় তবে তারা পারবে না। একমাত্র ইসলাম ধর্মই কুরআন সুন্নাহ মেনে একটি বাজেট পেশ করতে পারবে। শুধু বাংলাদেশই নয় পৃথিবীর ৭শ কোটি মানুষের জন্যই ইসলাম বাজেট পেশ করার সক্ষমতা রাখে। এমনকি পাশের দেশ ভারতেও হিন্দুত্ববাদী সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে তারাও তাদের ধর্মীয় আলোকে দেশের অর্থনীতি পরিচালনা করতে পারবে না।শাইখুল হাদিস মামুনুল হক আরও বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রধান কাজ সঠিক নেতা নির্বাচন করা। গত ৩০ বছর ধরে প্রতিটি নির্বাচনের আগেই দেশে হামলা সংঘাত চলে। এটিই নাকি নির্বাচনের সিস্টেম। এই করতে করতে ফ্যাসিবাদ দেশের মানুষের রক্ত চুষে খেলো। কারণ হলো দেশে নির্বাচনের কোন সিস্টেম নেই। বরং ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে সকল সিস্টেম ধর্মীয় আলোকেই চলবে। প্রতিষ্ঠিত ইসলামী রাষ্ট্র মুসলামনের যেভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে সেভাবেই একজন হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করবে। অমুসলিমদেরও আমরা ভাই বলে সম্বোধন করছি। অথচ তাদেরকে আতঙ্কগ্রস্ত করে বাংলাদেশকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা চলছে।আয়োজিত মহাসম্মেলনে জেলা উলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা জুনাইদ আল হাবিবির সভাপতিত্বে দ্বিতীয় বক্তা ছিলেন মুফতী আব্দুল মজিদ কাসেমী। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি মুফতী আব্দুস সামাদ, সেক্রেটারী মাওলানা মাহবুবুর রহমান গাওহারী, উলামা পরিষদের সেক্রেটারী মুফতী মোস্তফা কামাল কাসেমীসহ জেলার শীর্ষ উলামাগণ।















