ঢাকা ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এক রাতে বিশ্বজুড়ে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়: সাহাবুদ্দিন কেরানীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার পর এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা 

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে : আইনমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৩ ১২৪ বার পড়া হয়েছে

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এই আইনের সঠিক ব্যবহার ও জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বনানীতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সংগঠন এডিটরস গিল্ড দেশের ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিতর্ক’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

আনিসুল হক বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সরকারের কাছে যে সুপারিশমালা পাঠিয়েছে, তাতে আইনটির ২১ ও ২৮ নং ধারা পুরোপুরি বাতিল এবং আটটি ধারা সংশোধনের কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের টিমের সঙ্গে আমাদের দেশের একটি টিম করে দেওয়া হয়েছে। আলোচনা করে তারা একটি টেকনিক্যাল নোট পাঠিয়েছেন। টিমের পক্ষ থেকে ২১ ধারা বাতিল করে দিতে বলা হয়েছে, কিন্তু সেটি আমার পক্ষে সম্ভব না। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমাদের বাস্তবতায় ২১ ধারা প্রয়োজন রয়েছে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আইনটা যে উদ্দেশ্য করা হয়েছিল সে রকম চলছে না। আইনটির কিছু অপব্যবহার হয়েছে। তবে এ আইনের প্রয়োজনীয়তা আছে, যা আপনারা সবাই স্বীকার করছেন। একটা গোষ্ঠী আছে, যারা এই আইনটিকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে প্রচার করে। আমি নিশ্চিতভাবে বলছি, তারা এই আইন নিয়ে জনগণের কাছে যায় না। তারা ওয়াশিংটন ডিসি, ব্রাসেলস এবং জেনেভায় গিয়ে বলে এই আইনটা খারাপ। তারা এখানে বলে না। কারণ তারা জানে যে, এখানে বললে হালে পানি পাওয়া যাবে না। আমি বলব, এই আইনটি সংখ্যালঘুদের আঘাত রোধের জন্য নয়, এটি সারাদেশের জনগণের জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে : আইনমন্ত্রী

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৩

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এই আইনের সঠিক ব্যবহার ও জনবান্ধব করার চেষ্টা চলছে।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বনানীতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সংগঠন এডিটরস গিল্ড দেশের ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিতর্ক’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

আনিসুল হক বলেন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সরকারের কাছে যে সুপারিশমালা পাঠিয়েছে, তাতে আইনটির ২১ ও ২৮ নং ধারা পুরোপুরি বাতিল এবং আটটি ধারা সংশোধনের কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, জাতিসংঘের টিমের সঙ্গে আমাদের দেশের একটি টিম করে দেওয়া হয়েছে। আলোচনা করে তারা একটি টেকনিক্যাল নোট পাঠিয়েছেন। টিমের পক্ষ থেকে ২১ ধারা বাতিল করে দিতে বলা হয়েছে, কিন্তু সেটি আমার পক্ষে সম্ভব না। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমাদের বাস্তবতায় ২১ ধারা প্রয়োজন রয়েছে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আইনটা যে উদ্দেশ্য করা হয়েছিল সে রকম চলছে না। আইনটির কিছু অপব্যবহার হয়েছে। তবে এ আইনের প্রয়োজনীয়তা আছে, যা আপনারা সবাই স্বীকার করছেন। একটা গোষ্ঠী আছে, যারা এই আইনটিকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে প্রচার করে। আমি নিশ্চিতভাবে বলছি, তারা এই আইন নিয়ে জনগণের কাছে যায় না। তারা ওয়াশিংটন ডিসি, ব্রাসেলস এবং জেনেভায় গিয়ে বলে এই আইনটা খারাপ। তারা এখানে বলে না। কারণ তারা জানে যে, এখানে বললে হালে পানি পাওয়া যাবে না। আমি বলব, এই আইনটি সংখ্যালঘুদের আঘাত রোধের জন্য নয়, এটি সারাদেশের জনগণের জন্য।