তিন সপ্তাহেও কার্যকর হয়নি বেঁধে দেওয়া পণ্যের বাজার মূল্য।
- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩ ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

তিন সপ্তাহেও কার্যকর হয়নি বেঁধে দেওয়া পণ্যের বাজার মূল্য।
ঢাকা: ঊর্ধ্বমুখী বাজার নিয়ন্ত্রণে তিনটি পণ্যের দাম বেঁধে দিয়েছে সরকার। দাম বেঁধে দেওয়ার প্রায় তিন সপ্তাহ বা ১৭ দিন অতিবাহিত হলেও বাজারে এর কোন প্রভাব পড়েনি।
এখনও বাড়তি দামেই পণ্য কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। দাম নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিকারের অভিযান চললেও সুফল পাচ্ছে না ভোক্তা।
আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের বাজারে সরকারের নির্ধারিত দামের প্রতিফলন না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা। রাজধানীর অধিকাংশ এলাকার বাজারগুলোতে এসব পণ্য এখনও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামেই।
দোকানিরা বলছেন পাইকারিবাজার ও আড়তে দাম না কমায় বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে এসব পণ্য।
শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
এসব বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, পেঁয়াজ দেশি ৯০ টাকা এবং ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ৭০ টাকা আর প্রতিটি ডিম ১৩ টাকা; প্রতি হালি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর (বুধবার) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কৃষি পণ্যের মূল্য পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় ডিম, আলু ও পেঁয়াজের খুচরা পর্যায়ের দাম বেঁধে দেয়। প্রতি কেজি আলুর সর্বোচ্চ খুচরা দাম ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা এবং প্রতি পিস ফার্মের ডিমের দাম ১২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সরকার আলুর দাম ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা বেঁধে দিয়েছে বেশি নিচ্ছেন কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সাভার বাজারের আলু পেঁয়াজ-ব্যবসায়ীরা দেশপ্রিয়কে বলেন, সরকার যে দাম দিয়েছে সেই দামে তো পাইকারি বাজার থেকেও পণ্য কেনা যায় না। পাইকারি বাজার থেকে আলু আমার দোকান পর্যন্ত আসতে ৪৫ টাকা কেনা পড়ে যায়। কেজিতে ৫ টাকা লাভ না করলে বাঁচবো কিভাবে।
৫০ টাকা হালি ডিম বিক্রি করলে এক হালিতে ১ টাকা লাভ হয় আর যদি কোন ক্রমে একটা ডিম পঁচা বা ভেঙে যায় তাহলে লাভ থাকেনা বলে জানালেন সাভার এর মুদি দোকানিরা তারা বলেন, ১২ টাকা দরে ডিম কিনে কত করে বিক্রি করবো? শুধু তাই নয় আলু ও পেঁয়াজ দামের কারণে আগের মতো বিক্রিও নেই। এছাড়া পাইকারি বাজারে দাম কমলে আমরাও দাম কমিয়ে বিক্রি করি।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যদি কেউ বেশি মুনাফা লাভের জন্য অবৈধ মজুদ বা অন্য কোনো বেআইনি কাজ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর কোন কার্যকরি পদক্ষেপ নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা। তাদের মতে মনিটরিং দুর্বলতার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগে শত শত কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন।
















