ঢাকা ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

সিপন রানা নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:২১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালি

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান এর সভাপতিত্বে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে এই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

 

উক্ত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নাগরপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক (বীর প্রতীক), যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন তালুকদার, নাগরপুর উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, দেলদুয়ার উপজেলা আ. লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার ছানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাদ্দেস আলী, পাকুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান সহ অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দরা।

 

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে বাংলার সূর্য সন্তানেরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে নাগরপুর উপজেলাকে মুক্ত করে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। জয় বাংলা স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠে পুরো নাগরপুর উপজেলা। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিবাহিনীর বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৃথক বাহিনী গড়ে উঠে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনী ও বাতেন বাহিনী অন্যতম। এই দুই বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কাহিনী সে সময় দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।  সারাদেশের মতো হানাদারদের দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত টাঙ্গাইলের সর্ব দক্ষিণে ধলেশ্বরী নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন নাগরপুরকে শত্রু মুক্ত করতে কাদেরিয়া বাহিনী ও বাতেন বাহিনী বেশ কয়েকবার আক্রমণ করলেও চূড়ান্ত সফলতা পেতে সময় লেগে যায় ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:২১:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালি

 

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি’র উপস্থিতিতে হানাদার মুক্ত দিবস পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান এর সভাপতিত্বে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে এই দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।

 

উক্ত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, নাগরপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক (বীর প্রতীক), যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন তালুকদার, নাগরপুর উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, দেলদুয়ার উপজেলা আ. লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার ছানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকাদ্দেস আলী, পাকুটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান সহ অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় সুশীল সমাজ ও বিভিন্ন ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দরা।

 

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে বাংলার সূর্য সন্তানেরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে নাগরপুর উপজেলাকে মুক্ত করে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। জয় বাংলা স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে উঠে পুরো নাগরপুর উপজেলা। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিবাহিনীর বাইরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৃথক বাহিনী গড়ে উঠে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনী ও বাতেন বাহিনী অন্যতম। এই দুই বাহিনীর বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধের কাহিনী সে সময় দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ে।  সারাদেশের মতো হানাদারদের দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত টাঙ্গাইলের সর্ব দক্ষিণে ধলেশ্বরী নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন নাগরপুরকে শত্রু মুক্ত করতে কাদেরিয়া বাহিনী ও বাতেন বাহিনী বেশ কয়েকবার আক্রমণ করলেও চূড়ান্ত সফলতা পেতে সময় লেগে যায় ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত।