ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

নিজ আসনের এক গ্রামের নাম শুনে চমকে গেলেন আইনমন্ত্রী

মোঃ ছাদেক মিয়া ব্রাহ্মণবাড়ী জেলা প্রতিনিধি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

আখাউড়া উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রাম সম্পর্কে জানতেন না বলে মন্তব্য করলেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। শুক্রবার (১৭ মে) উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামবাসীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। এদিন আইনমন্ত্রী সেখানে এক সভায় অংশ নেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সোম, মঙ্গল ও বুধবার নিজ আসনের এলাকার লোকজনের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করেন। এদিন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মন্নান মিয়া মন্ত্রীর কাছে পরিচয় দিলেন তিনি কৃষ্ণনগর থেকে এসেছেন। তখন আইনমন্ত্রী জানতে চাইলেন কৃষ্ণনগর কোন জায়গা? তখন মান্নান মিয়া জানান, কৃষ্ণনগরে প্রাইমারি কোনো স্কুল নেই। যাওয়ার কোনো রাস্তায় নেই। এ সময় মন্ত্রী জানতে চাইলেন এটা বাংলাদেশের কোন জায়গায়? উত্তরে মান্নান মিয়া বললেন, আখাউড়া উপজেলারই একটি গ্রাম। একথা শুনে মন্ত্রী চমকে গিয়ে বললেন আস্তাগফিরুল্লাহ।  আইনমন্ত্রী কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন থেকে আসা মান্নান মিয়াকে দরখাস্ত করার পরামর্শ দে। এ সময় তিনি আশ্বস্ত করেন, বেঁচে থাকলে কৃষ্ণনগরে ব্রিজও হবে, স্কুলও হবে। আমার এই ইউনিয়ন অন্ধকারে থাকতে পারে না আইনমন্ত্রী আপসোস করে বলেন, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে সংসদ নির্বাচিত হয়েও কৃষ্ণনগরে আসতে পারিনি। তবে কৃষ্ণনগরে যাবার প্রত্যয় ছিল মন্ত্রীর। এবার উপজেলা নির্বাচন হওয়ায় আখাউড়া উপজেলার নেতাকর্মীরা ব্যস্ত। সেই সুযোগে তিনি কৃষ্ণনগর এসেছেন বলে জানান। এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বোরহান উদ্দিন, ধরখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। প্রসঙ্গত, বর্তমানে এই অবহেলিত গ্রামটিতে ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকায় ১ হাজার ৯০০ মিটারের রাস্তা তৈরির প্রস্তাবনা রয়েছে। তাছাড় ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় তৈরি হচ্ছে একটি ব্রিজ। এমনকি আনুমানিক ৩৮ শতক জায়গায় বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য দান করেছে গ্রামবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নিজ আসনের এক গ্রামের নাম শুনে চমকে গেলেন আইনমন্ত্রী

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

আখাউড়া উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রাম সম্পর্কে জানতেন না বলে মন্তব্য করলেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। শুক্রবার (১৭ মে) উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামবাসীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। এদিন আইনমন্ত্রী সেখানে এক সভায় অংশ নেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সোম, মঙ্গল ও বুধবার নিজ আসনের এলাকার লোকজনের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করেন। এদিন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মন্নান মিয়া মন্ত্রীর কাছে পরিচয় দিলেন তিনি কৃষ্ণনগর থেকে এসেছেন। তখন আইনমন্ত্রী জানতে চাইলেন কৃষ্ণনগর কোন জায়গা? তখন মান্নান মিয়া জানান, কৃষ্ণনগরে প্রাইমারি কোনো স্কুল নেই। যাওয়ার কোনো রাস্তায় নেই। এ সময় মন্ত্রী জানতে চাইলেন এটা বাংলাদেশের কোন জায়গায়? উত্তরে মান্নান মিয়া বললেন, আখাউড়া উপজেলারই একটি গ্রাম। একথা শুনে মন্ত্রী চমকে গিয়ে বললেন আস্তাগফিরুল্লাহ।  আইনমন্ত্রী কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন থেকে আসা মান্নান মিয়াকে দরখাস্ত করার পরামর্শ দে। এ সময় তিনি আশ্বস্ত করেন, বেঁচে থাকলে কৃষ্ণনগরে ব্রিজও হবে, স্কুলও হবে। আমার এই ইউনিয়ন অন্ধকারে থাকতে পারে না আইনমন্ত্রী আপসোস করে বলেন, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে সংসদ নির্বাচিত হয়েও কৃষ্ণনগরে আসতে পারিনি। তবে কৃষ্ণনগরে যাবার প্রত্যয় ছিল মন্ত্রীর। এবার উপজেলা নির্বাচন হওয়ায় আখাউড়া উপজেলার নেতাকর্মীরা ব্যস্ত। সেই সুযোগে তিনি কৃষ্ণনগর এসেছেন বলে জানান। এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বোরহান উদ্দিন, ধরখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। প্রসঙ্গত, বর্তমানে এই অবহেলিত গ্রামটিতে ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকায় ১ হাজার ৯০০ মিটারের রাস্তা তৈরির প্রস্তাবনা রয়েছে। তাছাড় ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় তৈরি হচ্ছে একটি ব্রিজ। এমনকি আনুমানিক ৩৮ শতক জায়গায় বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য দান করেছে গ্রামবাসী।