পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র্যাব-৮,

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।
পটুয়াখালী জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে পটুয়াখালী আহসান এর নেতৃত্বে র্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে যৌথ আভিযানিক দল পবিত্র রমযান মাস উপলক্ষে দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি, অসাধু ব্যবসায়িদের মজুতদারি, খাদ্যে ভেজাল, মেয়াদ উত্তীর্ণ পন্য বিক্রয়, পন্যের প্যাকেটের উপর মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ ও সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য উল্লেখ না থাকা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন এসব বিষয়ে বাজার মনিটরিং এর জন্য পটুয়াখালী সদর থানাধীন পুরান বাজার এলাকায় চালের দোকান, মুদি দোকান, ডিমের দোকান, সবজির দোকান, মাছ বাজার, কাপড়ের দোকান এবং ফলের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনা কালে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সচেতন ও সতর্ক করার পাশাপাশি ০২ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৩৭ ধারা লংঘনের অপরাধে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ১০০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
র্যাব নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
ঈদকে সামনে রেখে ব্যবস্ততা বাড়ছে খাবার উৎপাদনকারি কারখানাগুলোতে। এ সুযোগে কিছু অসাধু কারখানা মালিক নিয়মনীতির তোয়াক্কা তো দুরের কথা যত্রতত্রভাবে উৎপাদন করছে । এতে স্বাস্থ্যগত ক্ষতির মুখে ভোক্তারা। তবে প্রশাসন বলছে অভিযান চলমান রয়েছে প্রয়োজনে সিলগলা করা হবে কারখানা।
দিন যত যাচ্ছে ততই বাড়ছে কারখানায় উৎপাদন। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে মুখরোচক খাবার । একদিকে নোংরা পরিবেশে তৈরি করে প্যাকেটজাত করছে। অন্যদিকে উৎপাদনের পর শুকানোর জন্য ফেলে রাখা রাখছে খোলা আকাশের নিচে।
সেখানে ধুলাবালির পাশাপাশি খাবার ওপর ছুটোছুটি করছে পোকামাকড়। এমন চিত্র মিলেছে পটুয়াখালী জেলা ইউনিয়নে অবস্থিত অভিযান পরিচালনা করে সত্যতার ভিত্তিতে টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তারপরেও আগের মতই করা হচ্ছে উৎপাদন। এতে প্যাকেটজাতকৃত খেয়ে মারত্বক ক্ষতির শিকার হচ্ছে মানুষ।
স্থানীয়দের দাবি জরিমানা করার পরেও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অর্থেও করছে কর্তৃপক্ষ। মানুষের ক্ষতি হয় এমন কিছু উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলে সিলগালার দাবি করেন।তারা আরো বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে জেলার প্রতিটি নিয়মিত অভিযান পরিচালনার প্রয়োজন। কারন নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত এই খাবার পাঠানো হচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়। এমনকি কারিগরদের মধ্যেও নেই কোনো স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী। প্রকাশ্যে এমন কার্যক্রম চললেও প্রর্যাপ্ত নজরদারি অভাবের কারনে তারা সাহস পাচ্ছে।
নোংরা পরিবেশে উৎপাদনের
জেলা নিরাপদ অধিদপ্তরের
স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ এর নেতৃত্বে RAB-8, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সমন্বিত আভিজানিক দল।
অভিযান চলমান থাকবে। মানুষ যেনো ভাল খাদ্য পায় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।











