ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বরিশাল সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা।

সৈয়দ রাসেল (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শেখ মো. সোয়েব কবির নামের এক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তিনি।

 

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সচিব ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব, বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা এবং বাদীর পদে চাকরি পাওয়া নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গোরস্থান রোড, ধোপা বাড়ির মোড় এলাকার মাওলানা সাইদুর রহমান কাশেমীর ছেলে ওবায়দুর রহমান।

 

 

মামলায় চুক্তির মেয়াদ শেষ না হতেই চাকরিচ্যুত না করে তার পদে ওবায়দুর রহমান নামের অপর একজনকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন বাদী। এজন্য তিনি তার পদে যোগদানসহ বেতন-ভাতা প্রাপ্তির আবেদন জানিয়েছেন আদালতে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান।

 

বরিশাল সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা

দুর্বৃত্তের আগুনে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর পুড়ে ছাই

মামলার বাদী শেখ মো. সোয়েব কবির নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড এলাকার বাসিন্দা শেখ মো. শাহজাহান কবিরের ছেলে। তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের চুক্তিভিত্তিক নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে তার বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগ প্রদানের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৬ মার্চ সিটি করপোরেশনের এনেক্স ভবনে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রথম স্থান অধিকার করেন সোয়েব কবির। এর প্রায় দুই মাসের মাথায় ২০২১ সালের ৯ মে তাকে নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ার পদে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়। ওই পদে যোগদানের পর থেকে ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই অজ্ঞাত কারণে শেখ মো. সোয়েব কবিরের বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি তাকে চাকরিচ্যুত না করে তার পদে ওবায়দুর রহমানকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। কিন্তু এ নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ এমনকি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়নি।

 

মামলার বাদী অভিযোগ করেছেন, তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদানের পূর্বে ন্যূনতম শোকজ এমনকি মৌখিক বক্তব্যও উপস্থাপনের সুযোগ দেননি বিবাদীরা। সবশেষ গত ১৭ সেপ্টেম্বর মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্য বিবাদীদের কার্যালয়ে গিয়ে বেতন-ভাতা প্রদান এবং অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ওবায়দুর রহমানের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। কিন্তু বিবাদীরা এ বিষয়ে কিছু করার নেই বলে তাকে জানিয়ে দেন। তাই উপায় না পেয়ে আদালতে মামলা করেন তিনি।

 

এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাকসুদা আক্তার বলেন, আমি অসুস্থতার কারণে আজ অফিসে যেতে পারিনি। তাই মামলা সম্পর্কে কিছু বলতে পারব না। তা ছাড়া মামলার বাদীর অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরিশাল সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বরিশাল সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শেখ মো. সোয়েব কবির নামের এক চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বরিশাল সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন তিনি।

 

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সচিব ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব, বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা এবং বাদীর পদে চাকরি পাওয়া নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গোরস্থান রোড, ধোপা বাড়ির মোড় এলাকার মাওলানা সাইদুর রহমান কাশেমীর ছেলে ওবায়দুর রহমান।

 

 

মামলায় চুক্তির মেয়াদ শেষ না হতেই চাকরিচ্যুত না করে তার পদে ওবায়দুর রহমান নামের অপর একজনকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন বাদী। এজন্য তিনি তার পদে যোগদানসহ বেতন-ভাতা প্রাপ্তির আবেদন জানিয়েছেন আদালতে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান।

 

বরিশাল সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে মামলা

দুর্বৃত্তের আগুনে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর পুড়ে ছাই

মামলার বাদী শেখ মো. সোয়েব কবির নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড এলাকার বাসিন্দা শেখ মো. শাহজাহান কবিরের ছেলে। তিনি বরিশাল সিটি করপোরেশনের চুক্তিভিত্তিক নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি থেকে তার বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৯ নভেম্বর নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগ প্রদানের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বরিশাল সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৬ মার্চ সিটি করপোরেশনের এনেক্স ভবনে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রথম স্থান অধিকার করেন সোয়েব কবির। এর প্রায় দুই মাসের মাথায় ২০২১ সালের ৯ মে তাকে নেটওয়ার্কিং ইঞ্জিনিয়ার পদে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়। ওই পদে যোগদানের পর থেকে ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই অজ্ঞাত কারণে শেখ মো. সোয়েব কবিরের বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি তাকে চাকরিচ্যুত না করে তার পদে ওবায়দুর রহমানকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। কিন্তু এ নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ এমনকি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়নি।

 

মামলার বাদী অভিযোগ করেছেন, তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদানের পূর্বে ন্যূনতম শোকজ এমনকি মৌখিক বক্তব্যও উপস্থাপনের সুযোগ দেননি বিবাদীরা। সবশেষ গত ১৭ সেপ্টেম্বর মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ অন্য বিবাদীদের কার্যালয়ে গিয়ে বেতন-ভাতা প্রদান এবং অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ওবায়দুর রহমানের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। কিন্তু বিবাদীরা এ বিষয়ে কিছু করার নেই বলে তাকে জানিয়ে দেন। তাই উপায় না পেয়ে আদালতে মামলা করেন তিনি।

 

এ বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাকসুদা আক্তার বলেন, আমি অসুস্থতার কারণে আজ অফিসে যেতে পারিনি। তাই মামলা সম্পর্কে কিছু বলতে পারব না। তা ছাড়া মামলার বাদীর অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন তিনি।