ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদ প্রাণের দাবি ৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন চাই

রিপোর্টার মোঃ শান্ত হোসেন 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৫০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ১১৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের বেকার যুব ও যুব নারীদের বেকার মুক্তির আন্দোলনের প্রেক্ষিতে (২০০৯-১০ অর্থ বছরে) বেকার যুবকদের আন্দোলনের চাপে সাশনাল সার্ভির নামে একটি কর্মসূচি চালু করে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। যে কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে দেশের ৪৭টি জেলার ১২৮টি উপজেলার ২ লক্ষ ২৮ হাজার ১২৯ জন বেকার যুব/যুব নারীকে ৩ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ দিয়ে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংযুক্তি দিয়েছিল। কর্তব্যরত অবস্থায় গোপন সূত্রে আমরা জানতে পারলাম আমাদের চাকরিটি বন্ধ করে দিবে। আমরা তখন ‘ন্যাশনাল সার্ভিস’ কর্মসূচি স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করার কারণে মাত্র ২ বছরের মাথায় আমাদের চাকরি হাসিনা সরকার বন্ধ করে দেন। ফলে দেশে লাখ লাখ যুব ও যুবনারী কর্মহারা হয়ে বেকার জীবন অতিবাহিত করছে। দীর্ঘ ১১

বছর যাবত আমরা শত শত আন্দোলন করেছিলাম। কিন্তু আমাদের কথা তাদের কর্ণকুহরে জায়গা পায়নি। সর্বশেষ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং তারিখে জাতীয় সংসদের সামনে প্রায় ৩৫ হাজার বেকার সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলি এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের হাতে আমাদের দাবি সম্বলিত আরকলিপি তুলে দেই। মহাপরিচালক আন্দেলনের চাপে আমাদেরকে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে গত ১৬ এপ্রিল ২০২৪ইং তারিখে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক একটি নোটিশ জারী করেন। যেখানে লেখা ছিল সমাপ্ত ঘোষিত ‘ন্যাশনাল সার্ভিস’ কর্মসূচি পুনরায় প্রকল্প আকারে। বাস্তবায়নের জন্য মূল্যায়ন পরীক্ষা ও জরীপ করা হবে। যা পরবর্তীতে বেসরকারি জরীপ সংস্থা টপ ব্রাইট প্রাঃ লিঃ এর মাধ্যমে। জরীপের কাজ শেষ করা হলেও ডিপিপি বাস্তবায়ন না করে আমাদেরকে বারবার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বোকা দিচ্ছে। এরপরেই গুরু জল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন। আমরা তখন নিজেদের দাবি আদায়ের আন্দোলন বাদ দিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যোগ দিলাম। গঠিত হল নতুন অন্তবর্তীকালীন সরকার। শত শত শহীদ, হাজার হাজার আহতদের কথা ভেবে গত ২ মাস পর্যন্ত আমরা কোন আন্দোলনে যায়নি। শুধুমাত্র প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, সচিবালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্পরে আমাদের দাবি সম্বলিত এ পর্যন্ত প্রায় ৮০টি স্মারকলিপি প্রদান করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের কোন সহানুভূতি বা প্রতিউত্তর না পেয়ে আজ আবারো রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি। অবিলম্বে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই নিম্নোক্ত ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুন সতীব ভূইয়ার কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

৩ দফা দাবিসমূহ:

১. সংগঠন কর্তৃক বেকারের ভালিকা গ্রহণ করে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিকে সর্বনিম্ন ১০ বছরের প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

২. বেকার কর্মচারীদের বয়সের সীমাবদ্ধতা না রেখে শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা ধার্য্যকরতে হবে।

৩. প্রাথমিক পর্যায়ে চাহিদা সংখ্যক বেকার কর্মীকে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করে পরবর্তীতে যাচাই স্বাপেক্ষে দক্ষ ও যোগা কর্মচারীর চাকুরী স্থায়ীকরণ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদ প্রাণের দাবি ৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন চাই

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৫০:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

দেশের বেকার যুব ও যুব নারীদের বেকার মুক্তির আন্দোলনের প্রেক্ষিতে (২০০৯-১০ অর্থ বছরে) বেকার যুবকদের আন্দোলনের চাপে সাশনাল সার্ভির নামে একটি কর্মসূচি চালু করে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। যে কর্মসূচির আওতায় পর্যায়ক্রমে দেশের ৪৭টি জেলার ১২৮টি উপজেলার ২ লক্ষ ২৮ হাজার ১২৯ জন বেকার যুব/যুব নারীকে ৩ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ দিয়ে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মসংযুক্তি দিয়েছিল। কর্তব্যরত অবস্থায় গোপন সূত্রে আমরা জানতে পারলাম আমাদের চাকরিটি বন্ধ করে দিবে। আমরা তখন ‘ন্যাশনাল সার্ভিস’ কর্মসূচি স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করার কারণে মাত্র ২ বছরের মাথায় আমাদের চাকরি হাসিনা সরকার বন্ধ করে দেন। ফলে দেশে লাখ লাখ যুব ও যুবনারী কর্মহারা হয়ে বেকার জীবন অতিবাহিত করছে। দীর্ঘ ১১

বছর যাবত আমরা শত শত আন্দোলন করেছিলাম। কিন্তু আমাদের কথা তাদের কর্ণকুহরে জায়গা পায়নি। সর্বশেষ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ইং তারিখে জাতীয় সংসদের সামনে প্রায় ৩৫ হাজার বেকার সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলি এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের হাতে আমাদের দাবি সম্বলিত আরকলিপি তুলে দেই। মহাপরিচালক আন্দেলনের চাপে আমাদেরকে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে গত ১৬ এপ্রিল ২০২৪ইং তারিখে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক একটি নোটিশ জারী করেন। যেখানে লেখা ছিল সমাপ্ত ঘোষিত ‘ন্যাশনাল সার্ভিস’ কর্মসূচি পুনরায় প্রকল্প আকারে। বাস্তবায়নের জন্য মূল্যায়ন পরীক্ষা ও জরীপ করা হবে। যা পরবর্তীতে বেসরকারি জরীপ সংস্থা টপ ব্রাইট প্রাঃ লিঃ এর মাধ্যমে। জরীপের কাজ শেষ করা হলেও ডিপিপি বাস্তবায়ন না করে আমাদেরকে বারবার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বোকা দিচ্ছে। এরপরেই গুরু জল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন। আমরা তখন নিজেদের দাবি আদায়ের আন্দোলন বাদ দিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যোগ দিলাম। গঠিত হল নতুন অন্তবর্তীকালীন সরকার। শত শত শহীদ, হাজার হাজার আহতদের কথা ভেবে গত ২ মাস পর্যন্ত আমরা কোন আন্দোলনে যায়নি। শুধুমাত্র প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, সচিবালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্পরে আমাদের দাবি সম্বলিত এ পর্যন্ত প্রায় ৮০টি স্মারকলিপি প্রদান করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাদের কোন সহানুভূতি বা প্রতিউত্তর না পেয়ে আজ আবারো রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি। অবিলম্বে আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যেই নিম্নোক্ত ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুন সতীব ভূইয়ার কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

৩ দফা দাবিসমূহ:

১. সংগঠন কর্তৃক বেকারের ভালিকা গ্রহণ করে ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচিকে সর্বনিম্ন ১০ বছরের প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

২. বেকার কর্মচারীদের বয়সের সীমাবদ্ধতা না রেখে শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা ধার্য্যকরতে হবে।

৩. প্রাথমিক পর্যায়ে চাহিদা সংখ্যক বেকার কর্মীকে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করে পরবর্তীতে যাচাই স্বাপেক্ষে দক্ষ ও যোগা কর্মচারীর চাকুরী স্থায়ীকরণ করতে হবে।