বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শীতল যুদ্ধ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:০৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫ ৮১ বার পড়া হয়েছে

মেহেদী হাসান অলি মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শীতল যুদ্ধ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিএনপি ও ধর্মভিত্তিক দলগুলো সহ ছোট দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সমযথা নিয়ে আমার ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র চিন্তা।জুলাই অভ্যুত্থানে ফেসিস্ট সরকার চলে যাওয়ার পর।বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে দায়িত্ব পাওয়া ইসলামভিত্তিক একটি দল।১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত। একবারের জন্যও এককভাবে সরকার গঠন করতে পারেনি।আওয়ামী ফ্যাসিট সরকার থাকাকালীন গোপনে,গোপনে তাদের কার্যক্রমের পরিচালনার পাশাপাশি।আওয়ামী ফাসিস্ট সরকারের আমলে সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডে যুক্ত থেকে ছায়া সরকারের ভূমিকা পালন করেছে।বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলটির এমন একটা ভাব তারা ভাজা মাছটা উল্টে খাইতে পারেনা।রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায়ন কিছু হুজুকে বাঙালি ও ছাত্রদের হাতিয়ার বানিয়ে এবং ছাত্রদের সাথে সমন্বয় করে সরকার গঠনের নীল নকশা তৈরি করছে।যেটা বিএনপির মতো একটি বড় দল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলো কোন কোন ক্ষেত্রে বুঝতে পারছে।আবার কোন ক্ষেত্রে বুঝতে পারছে না।এইদিকে বিএনপির মত একটি বৃহত্তর দল।তাদের দলকে বর্তমান দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করলে দেখা যায়।অনেক ক্ষেত্রে তাদের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করতে পারছে না।সে ক্ষেত্রে দলটির ভালো কাজের চাইতে খারাপ কাজের প্রচারটাই বেশি হচ্ছে।তাই সামনের দিনে নির্বাচনগুলোতে জনগণকে সঠিক নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে,খুব সতর্ক অবলম্বন করতে হবে।তাই বাংলাদেশের জনগণের উচিত ধর্মভিত্তিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে।বাংলাদেশের ইসলামভিত্তিক সকল দলগুলোকে সাথে নিয়ে এবং ধর্মভিত্তিক সকল স্টেক হোল্ডারদের একত্রিত করে বৃহৎ রাজনৈতিক জোট করা যায় কিনা?সে ক্ষেত্রে নিপীড়িত এই দেশের মানুষের পক্ষে পরিচ্ছন্ন ও ইসলাম ধর্মভিত্তিক সু সংগঠিত একটি রাষ্ট্র গড়া সম্ভব।অন্যথায় ইসলামের নাম ভাঙিয়ে রাজনীতি করা কিছু স্বার্থন্বেষী সংগঠন তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আরো একটি ধাপ এগিয়ে যাবে।
মেহেদী হাসান অলি
সদস্য সচিব,
বিজেপি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলা শাখা।















