ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বিএনপি’র পক্ষে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর— সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার (ঢাকা)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি’র পক্ষেসিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর— সংবাদ সম্মেলন

তিনি বলেন

সাংবাদিক বন্ধুরা,

মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন—‘যেখানেই অনুমতি দেয়া হবে সেখানেই বিএনপি—কে সমাবেশ করতে হবে’। পুলিশ কর্মকর্তাদের এ রকমের বক্তব্যে এটাই প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশের জনগণ এখন পরাধীন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড, মত প্রকাশ ইত্যাদি সবকিছুই এখন পুলিশের ছাড়পত্রের ওপর নির্ভর করবে। বিএনপিসহ বিরোধী দলের প্রতি অবৈধ প্রধানমন্ত্রী ও পুলিশের ক্রোধ একই রকমভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। তারা মনে করে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আক্ষরিক অর্থেই শেখ হাসিনার লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করছে। অবৈধ সরকারের মন্ত্রীদের সুরে সুর মিলিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের হুমকির মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। আওয়ামী মন্ত্রী ও নেতাদের কতৃর্ক হত্যার হুমকি, নিমূর্লের হুমকি, হেফাজতকে দমনের মতো করে বিএনপি’র সমাবেশ নিয়ে হুমকি এক উপসংহারহীন পরিণতির সৃষ্টিরই ইঙ্গিত করা হচ্ছে। বিষয়টি এমন দাঁড়াচ্ছে যে, আইন আদালতের ভবন আছে, কিন্তু বাস্তবে বাস্তবায়িত হচ্ছে ‘শেখ হাসিনাই হলো আইন’।

 

বন্ধুরা,

পুলিশ কর্মকর্তারা তো প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, তারা তো মালিক নন। তারা কিভাবে নির্ধারণ করে দেয় রাজনৈতিক দলের সভা—সমাবেশ কোথায় হবে ? বিএনপি একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল, যাদের কয়েকবার দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই দলটি কি জানেনা যে, সমাবেশ কোথায় করতে হয় ? পুলিশ কর্মকর্তাদের এহেন বক্তব্য রাজনৈতিক দলের সভা—সমাবেশে বাধা দান ও সরাসরি হস্তক্ষেপ। সরকারের মন্ত্রী ও পুলিশ কর্মকর্তারা ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশকে নিয়ে ঢাকা মহানগরকে ভয়ঙ্কর আতঙ্কের জায়গা বানাতে চাচ্ছে। রাজধানীর প্রবেশ মুখগুলোতে র‌্যাবের চৌকি বসিয়ে তল্লাশীর নামে নানাভাবে হয়রানী করা হচ্ছে। নেতাকর্মীদের বাড়ীসহ আত্মীয়স্বজনদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে পুলিশ ও সাদা পোশাকধারী পুলিশ তল্লাশীর নামে গ্রেফতার ও নানা কায়দায় হয়রানীসহ পরিবারের সদস্যদেরও বিভিন্নভাবে নাজেহাল করছে। গণতন্ত্রকে অস্বীকার করে দুঃশাসন চালালে অবৈধ সরকারের সুবিধাভোগী মন্ত্রী, নেতা ও দলবাজ কর্মকর্তাদেরই হবে জয়জয়কার। কারণ লুন্ঠন, সম্পদ পাচার করে ফুলে ফেঁপে ওঠা ক্ষমতাঘনিষ্ঠ সুবিধাবাদীরাই বর্তমান দমবন্ধ করা পরিস্থিতি টিকিয়ে রাখতে চায়। আর এজন্যই পচা—গলিত ও একদলীয় নব্য বাকশালী কতৃর্ত্বের হিং¯্র দুঃশাসনকে কায়েম রাখা হয়েছে। এই কারণেই কতিপয় সুবিধাভোগী মন্ত্রী, আমলা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাগণ প্রয়োজনে রক্তে¯্রাত বইয়ে দিয়েও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চায়। অথচ তিনি দেশকে নিয়ে গেছেন দেউলিয়াত্বের প্রান্তিক পর্যায়ে। দেশের স্বাধীনতা—সার্বভৌমত্বকে তিনি বিলিয়ে দিয়েছেন। বিস্ময়কর মুদ্রস্ফীতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের স্বল্প আয় গিলে খাচ্ছে। পণ্য সিন্ডিকেট—হিতৈষী আওয়ামী সরকার। খাদ্যপণ্যের দাম সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। জনগণ চরম ভোগান্তিতে দিনযাপন করছে।

শেখ হাসিনার মনে সংক্রীর্ণতার বিদ্বেষযুক্ত আশক্তি কখনোই দুর হবে না। জনগণের ওপর প্রভুত্বকামীতা আওয়ামী লীগের মজ্জায়। বর্তমান সরকার শান্তির শত্রু। নির্বাচনের আগে সরকার গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করার জন্যই নানা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে নেতাকর্মীদের তুলে নিয়ে যেয়ে অস্বীকার করা, গণগ্রেফতার, গায়েবী মামলার হিড়িক আর হামলা ও রক্ত ঝরানোর কাজের পাশাপাশি রুটিন মাফিক মিথ্যাচার অব্যাহত রয়েছে। তবে বলপ্রয়োগ ও ভয় উৎপাদন করে মানুষের জনে¯্রাতকে আটকিয়ে রাখা যাবে না। দিগন্তরেখায় গণতন্ত্রের মুক্তি—সূর্য উঠতে শুরু করেছে। গ্রাম—গঞ্জ—শহর—বাজার—বন্দর সবখানেই এখন সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় বইছে। জনগণ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে। চলমান গণতান্ত্রিক সংগ্রামে জনগণের বিজয় হবেই। মানুষ তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করবেই।

সাংবাদিকবৃন্দ,

আগামী ২৮ অক্টোবর ২০২৩, শনিবার ঢাকায় নয়াপল্টন্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি’র উদ্যোগে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। এই মহাসমাবেশ হবে নজীরবিহীন, ঐতিহাসিক। সারাদেশের গণতন্ত্রহারা বঞ্চিত মানুষ ঢাকার দিকে ছুটে আসার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছে। যদিও সরকারী জুলুম—নির্যাতন—দমন—পীড়ণের কোন কমতি নেই। অব্যাহত গণগ্রেফতারের মধ্যেও দীপ্ত অঙ্গিকারে তারা ঢাকার দিকে ছুটে আসছে।

ঢাকার মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত পরবর্তী কর্মসূচি সমূহ সফল করার জন্য দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ২৮ অক্টোবরের পরে নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করবেন।

ঢাকার মহাসমাবেশে দেশব্যাপী সর্বস্তরের মানুষসহ দলের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ীদের যোগদান করে ১ দফা দাবি আদায়ে দলের পক্ষ থেকে সোচ্চার আওয়াজ তোলার জন্য উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।

সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,

সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী কতৃর্ক হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের বিবরণ ঃ

ক্স আজ কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ—সভাপতি মামুন হাসানকে একটি মিথ্যা—বানোয়াট মামলায় ৩ বছরের সাজা প্রদান করা হয়েছে। আমি এই ফরমায়েশী রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ সাজা বাতিলের আহবান জানাচ্ছি।

ক্স ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর আওতাধীন কামরাঙ্গীচর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আলমগীর হোসেন, ৫৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ দুলাল, শাহবাগ থানাধীন ২১ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ আফসু মিয়া, ওয়ারী থানাধীন ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য তানভীর আহম্মেদ ওয়াসিম, শাহবাগ থানার ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোঃ নজরুল ইসলাম ঢালী, কলাবাগান থানাধীন ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সিরাজ, লিটন, মাঈনুদ্দিন লালু, রহমত উল্লাহ, লাভলু, সাইদুল, বিপুল, মুগদা থানাধীন ৭ নং ওয়ার্ডের বালুর মাঠ ইউনিট বিএনপির সভাপতি মোঃ সোহাগ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তারেক, নিউমার্কেট থানার সাবেক সহ—সভাপতি মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, ১৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসাদ মাহমুদ পলাশ, গেন্ডারিয়া থানাধীন ৪৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ—সভাপতি নজরুল ইসলাম কাশু, সহ—সাধারণ সম্পাদক মোঃ ববি, সদস্য মোঃ কালাম ও মোঃ গোলাপকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন কাফরুল থানার ৪ নং ওয়ার্ড কৃষকদলের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান ও স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলাধীন ৬ নং মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম শেখ গতকাল স্থানীয় আঠারো মাইল বাজারে বিএনপি নেতাকমীর্দের সাথে বৈঠক করার সময় পুলিশ তাকে বলে যে আপনাকে আমাদের সাথে যেতে হবে। একথা শুনে আশরাফুল ইসলাম পুলিশের কাছে গ্রেফতারী পরোয়ানা দেখতে চাইলে পুলিশ তাকে গালিগালাজ করে জনসম্মুখে টেনে হেচড়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সহ—সভাপতি আবুল কালাম লস্কর, বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ আকতার শেখ, দিঘলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহম্মেদ, কয়রা থানা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ শরিফুল আলম, তেরখাদা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোল্লা হুমায়ন কবির, বটিয়াঘাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার বাপ্পি ও রূপসা উপজেলা যুবদল নেতা এস এম বোরহান উদ্দিনকে গতরাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ—সভাপতি জসিম উদ্দীন খান বাবুল গতকাল চাঁদপুর থেকে ঢাকায় আসার পর রাত ১১ টার দিকে তার ঝিগাতলার বাসার সামনে থেকে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় খেঁাজাখঁুজি করার পর এখনপর্যন্ত তার কোন সন্ধান না পাওয়ায় তার পরিবার—পরিজন গভীরভাবে উৎকন্ঠিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক বিএদনপি নেতা জসিম উদ্দীন খান বাবুলকে আটকের পর এখনপর্যন্ত স্বীকার না করার ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং জসিম উদ্দীন খান বাবুলকে জনসমক্ষে হাজির করার জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

ক্স কবি নজরুল সরকারী কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিখিল চন্দ্র শ্রাবণকে গতকাল সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়।

হামলা ঃ

 গত ২৩ অক্টোবর ২০২৩ তারিখ নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলাধীন বড়গাছা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক পল্লী চিকিৎসক মোঃ আবু রায়হান আলম রাত আনুমানিক ৮.৩০ মিনিটের সময় তার ডাক্তারি চেম্বার থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়িতে যাওয়ার পথে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার বাম হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন করাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে জখম করে। রক্তশূন্য অবস্থায় নওগাঁ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করলে ডাক্তাররা এখানে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয় বলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। আশংকাজণক অবস্থায় বর্তমানে সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

 নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবির বাড়িতে গত ২৪ অক্টোবর গভীর রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একদল অস্ত্রধারী লোক হানা দিয়ে বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলামকে না পেয়ে তার ছেলেদের উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে তার স্ত্রী বাধা দিলে তাকেও ডিবি পুলিশ হুমকি ধামকি দেয় এবং গালিগালাজ করে। ডিবি পুলিশের এহেন আচরণের কারণে ভয় পেয়ে মনিরুল ইসলামের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে ডিবি পুলিশ চলে যায়। এখানে উল্লেখ্য যে উক্ত সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকদের মধ্যে একজনের গায়ে ডিবি লেখা ছিল, বাকি সকলেই সাধারণ পোশাকে ছিল কিন্তু সকলের হাতেই অস্ত্র ছিল। বাবা বিএনপির রাজনীতি করার কারণে ছেলেদের যদি তুলে নিয়ে যাওয়া হয় পরিবারের স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে খারাপ আচরণ করা হয় তাহলে আমরা কোন দেশে বাস করছি ? আমি অবিলম্বে এই ধরণের কর্মকান্ড বন্ধ করাসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকমীর্দের মুক্তি, সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, মিথ্যা মামলায় সাজা প্রদান, হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আহত নেতাকমীর্দের আশু সুস্থতা কামলা করছি।

 গত ২৮ ও ২৯ জুলাই ২০২৩ তারিখ হতে অদ্যাবধি বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঃ—

মোট আহত ঃ ২০০০ জনের অধীক

মোট মামলা ঃ ৪০০ টি

মোট গ্রেফতার ঃ ৩৬২০ জন

মোট আসামী ঃ ২৬,৭৮০ জন

ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিএনপি’র পক্ষে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর— সংবাদ সম্মেলন

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩

বিএনপি’র পক্ষেসিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর— সংবাদ সম্মেলন

তিনি বলেন

সাংবাদিক বন্ধুরা,

মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন—‘যেখানেই অনুমতি দেয়া হবে সেখানেই বিএনপি—কে সমাবেশ করতে হবে’। পুলিশ কর্মকর্তাদের এ রকমের বক্তব্যে এটাই প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশের জনগণ এখন পরাধীন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড, মত প্রকাশ ইত্যাদি সবকিছুই এখন পুলিশের ছাড়পত্রের ওপর নির্ভর করবে। বিএনপিসহ বিরোধী দলের প্রতি অবৈধ প্রধানমন্ত্রী ও পুলিশের ক্রোধ একই রকমভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। তারা মনে করে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আক্ষরিক অর্থেই শেখ হাসিনার লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করছে। অবৈধ সরকারের মন্ত্রীদের সুরে সুর মিলিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের হুমকির মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। আওয়ামী মন্ত্রী ও নেতাদের কতৃর্ক হত্যার হুমকি, নিমূর্লের হুমকি, হেফাজতকে দমনের মতো করে বিএনপি’র সমাবেশ নিয়ে হুমকি এক উপসংহারহীন পরিণতির সৃষ্টিরই ইঙ্গিত করা হচ্ছে। বিষয়টি এমন দাঁড়াচ্ছে যে, আইন আদালতের ভবন আছে, কিন্তু বাস্তবে বাস্তবায়িত হচ্ছে ‘শেখ হাসিনাই হলো আইন’।

 

বন্ধুরা,

পুলিশ কর্মকর্তারা তো প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, তারা তো মালিক নন। তারা কিভাবে নির্ধারণ করে দেয় রাজনৈতিক দলের সভা—সমাবেশ কোথায় হবে ? বিএনপি একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল, যাদের কয়েকবার দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই দলটি কি জানেনা যে, সমাবেশ কোথায় করতে হয় ? পুলিশ কর্মকর্তাদের এহেন বক্তব্য রাজনৈতিক দলের সভা—সমাবেশে বাধা দান ও সরাসরি হস্তক্ষেপ। সরকারের মন্ত্রী ও পুলিশ কর্মকর্তারা ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশকে নিয়ে ঢাকা মহানগরকে ভয়ঙ্কর আতঙ্কের জায়গা বানাতে চাচ্ছে। রাজধানীর প্রবেশ মুখগুলোতে র‌্যাবের চৌকি বসিয়ে তল্লাশীর নামে নানাভাবে হয়রানী করা হচ্ছে। নেতাকর্মীদের বাড়ীসহ আত্মীয়স্বজনদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে পুলিশ ও সাদা পোশাকধারী পুলিশ তল্লাশীর নামে গ্রেফতার ও নানা কায়দায় হয়রানীসহ পরিবারের সদস্যদেরও বিভিন্নভাবে নাজেহাল করছে। গণতন্ত্রকে অস্বীকার করে দুঃশাসন চালালে অবৈধ সরকারের সুবিধাভোগী মন্ত্রী, নেতা ও দলবাজ কর্মকর্তাদেরই হবে জয়জয়কার। কারণ লুন্ঠন, সম্পদ পাচার করে ফুলে ফেঁপে ওঠা ক্ষমতাঘনিষ্ঠ সুবিধাবাদীরাই বর্তমান দমবন্ধ করা পরিস্থিতি টিকিয়ে রাখতে চায়। আর এজন্যই পচা—গলিত ও একদলীয় নব্য বাকশালী কতৃর্ত্বের হিং¯্র দুঃশাসনকে কায়েম রাখা হয়েছে। এই কারণেই কতিপয় সুবিধাভোগী মন্ত্রী, আমলা, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাগণ প্রয়োজনে রক্তে¯্রাত বইয়ে দিয়েও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চায়। অথচ তিনি দেশকে নিয়ে গেছেন দেউলিয়াত্বের প্রান্তিক পর্যায়ে। দেশের স্বাধীনতা—সার্বভৌমত্বকে তিনি বিলিয়ে দিয়েছেন। বিস্ময়কর মুদ্রস্ফীতিতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তদের স্বল্প আয় গিলে খাচ্ছে। পণ্য সিন্ডিকেট—হিতৈষী আওয়ামী সরকার। খাদ্যপণ্যের দাম সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। জনগণ চরম ভোগান্তিতে দিনযাপন করছে।

শেখ হাসিনার মনে সংক্রীর্ণতার বিদ্বেষযুক্ত আশক্তি কখনোই দুর হবে না। জনগণের ওপর প্রভুত্বকামীতা আওয়ামী লীগের মজ্জায়। বর্তমান সরকার শান্তির শত্রু। নির্বাচনের আগে সরকার গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করার জন্যই নানা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে নেতাকর্মীদের তুলে নিয়ে যেয়ে অস্বীকার করা, গণগ্রেফতার, গায়েবী মামলার হিড়িক আর হামলা ও রক্ত ঝরানোর কাজের পাশাপাশি রুটিন মাফিক মিথ্যাচার অব্যাহত রয়েছে। তবে বলপ্রয়োগ ও ভয় উৎপাদন করে মানুষের জনে¯্রাতকে আটকিয়ে রাখা যাবে না। দিগন্তরেখায় গণতন্ত্রের মুক্তি—সূর্য উঠতে শুরু করেছে। গ্রাম—গঞ্জ—শহর—বাজার—বন্দর সবখানেই এখন সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় বইছে। জনগণ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে। চলমান গণতান্ত্রিক সংগ্রামে জনগণের বিজয় হবেই। মানুষ তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করবেই।

সাংবাদিকবৃন্দ,

আগামী ২৮ অক্টোবর ২০২৩, শনিবার ঢাকায় নয়াপল্টন্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি’র উদ্যোগে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। এই মহাসমাবেশ হবে নজীরবিহীন, ঐতিহাসিক। সারাদেশের গণতন্ত্রহারা বঞ্চিত মানুষ ঢাকার দিকে ছুটে আসার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছে। যদিও সরকারী জুলুম—নির্যাতন—দমন—পীড়ণের কোন কমতি নেই। অব্যাহত গণগ্রেফতারের মধ্যেও দীপ্ত অঙ্গিকারে তারা ঢাকার দিকে ছুটে আসছে।

ঢাকার মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত পরবর্তী কর্মসূচি সমূহ সফল করার জন্য দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ২৮ অক্টোবরের পরে নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করবেন।

ঢাকার মহাসমাবেশে দেশব্যাপী সর্বস্তরের মানুষসহ দলের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ীদের যোগদান করে ১ দফা দাবি আদায়ে দলের পক্ষ থেকে সোচ্চার আওয়াজ তোলার জন্য উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি।

সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,

সারাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশ বাহিনী কতৃর্ক হামলা, মামলা ও গ্রেফতারের বিবরণ ঃ

ক্স আজ কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহ—সভাপতি মামুন হাসানকে একটি মিথ্যা—বানোয়াট মামলায় ৩ বছরের সাজা প্রদান করা হয়েছে। আমি এই ফরমায়েশী রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ সাজা বাতিলের আহবান জানাচ্ছি।

ক্স ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর আওতাধীন কামরাঙ্গীচর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আলমগীর হোসেন, ৫৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ দুলাল, শাহবাগ থানাধীন ২১ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ আফসু মিয়া, ওয়ারী থানাধীন ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য তানভীর আহম্মেদ ওয়াসিম, শাহবাগ থানার ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোঃ নজরুল ইসলাম ঢালী, কলাবাগান থানাধীন ১৬ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সিরাজ, লিটন, মাঈনুদ্দিন লালু, রহমত উল্লাহ, লাভলু, সাইদুল, বিপুল, মুগদা থানাধীন ৭ নং ওয়ার্ডের বালুর মাঠ ইউনিট বিএনপির সভাপতি মোঃ সোহাগ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তারেক, নিউমার্কেট থানার সাবেক সহ—সভাপতি মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, ১৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসাদ মাহমুদ পলাশ, গেন্ডারিয়া থানাধীন ৪৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ—সভাপতি নজরুল ইসলাম কাশু, সহ—সাধারণ সম্পাদক মোঃ ববি, সদস্য মোঃ কালাম ও মোঃ গোলাপকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন কাফরুল থানার ৪ নং ওয়ার্ড কৃষকদলের সদস্য সচিব মিজানুর রহমান ও স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলাধীন ৬ নং মাগুরাঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম শেখ গতকাল স্থানীয় আঠারো মাইল বাজারে বিএনপি নেতাকমীর্দের সাথে বৈঠক করার সময় পুলিশ তাকে বলে যে আপনাকে আমাদের সাথে যেতে হবে। একথা শুনে আশরাফুল ইসলাম পুলিশের কাছে গ্রেফতারী পরোয়ানা দেখতে চাইলে পুলিশ তাকে গালিগালাজ করে জনসম্মুখে টেনে হেচড়ে নিয়ে যায়। এছাড়াও তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সহ—সভাপতি আবুল কালাম লস্কর, বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ আকতার শেখ, দিঘলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহম্মেদ, কয়রা থানা যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ শরিফুল আলম, তেরখাদা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোল্লা হুমায়ন কবির, বটিয়াঘাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার বাপ্পি ও রূপসা উপজেলা যুবদল নেতা এস এম বোরহান উদ্দিনকে গতরাতে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ক্স চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ—সভাপতি জসিম উদ্দীন খান বাবুল গতকাল চাঁদপুর থেকে ঢাকায় আসার পর রাত ১১ টার দিকে তার ঝিগাতলার বাসার সামনে থেকে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় খেঁাজাখঁুজি করার পর এখনপর্যন্ত তার কোন সন্ধান না পাওয়ায় তার পরিবার—পরিজন গভীরভাবে উৎকন্ঠিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক বিএদনপি নেতা জসিম উদ্দীন খান বাবুলকে আটকের পর এখনপর্যন্ত স্বীকার না করার ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং জসিম উদ্দীন খান বাবুলকে জনসমক্ষে হাজির করার জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

ক্স কবি নজরুল সরকারী কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিখিল চন্দ্র শ্রাবণকে গতকাল সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়।

হামলা ঃ

 গত ২৩ অক্টোবর ২০২৩ তারিখ নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলাধীন বড়গাছা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক পল্লী চিকিৎসক মোঃ আবু রায়হান আলম রাত আনুমানিক ৮.৩০ মিনিটের সময় তার ডাক্তারি চেম্বার থেকে মোটরসাইকেলযোগে বাড়িতে যাওয়ার পথে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তার বাম হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন করাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে জখম করে। রক্তশূন্য অবস্থায় নওগাঁ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করলে ডাক্তাররা এখানে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয় বলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। আশংকাজণক অবস্থায় বর্তমানে সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

 নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবির বাড়িতে গত ২৪ অক্টোবর গভীর রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে একদল অস্ত্রধারী লোক হানা দিয়ে বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলামকে না পেয়ে তার ছেলেদের উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে তার স্ত্রী বাধা দিলে তাকেও ডিবি পুলিশ হুমকি ধামকি দেয় এবং গালিগালাজ করে। ডিবি পুলিশের এহেন আচরণের কারণে ভয় পেয়ে মনিরুল ইসলামের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে ডিবি পুলিশ চলে যায়। এখানে উল্লেখ্য যে উক্ত সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকদের মধ্যে একজনের গায়ে ডিবি লেখা ছিল, বাকি সকলেই সাধারণ পোশাকে ছিল কিন্তু সকলের হাতেই অস্ত্র ছিল। বাবা বিএনপির রাজনীতি করার কারণে ছেলেদের যদি তুলে নিয়ে যাওয়া হয় পরিবারের স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে খারাপ আচরণ করা হয় তাহলে আমরা কোন দেশে বাস করছি ? আমি অবিলম্বে এই ধরণের কর্মকান্ড বন্ধ করাসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকমীর্দের মুক্তি, সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, মিথ্যা মামলায় সাজা প্রদান, হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও আহত নেতাকমীর্দের আশু সুস্থতা কামলা করছি।

 গত ২৮ ও ২৯ জুলাই ২০২৩ তারিখ হতে অদ্যাবধি বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঃ—

মোট আহত ঃ ২০০০ জনের অধীক

মোট মামলা ঃ ৪০০ টি

মোট গ্রেফতার ঃ ৩৬২০ জন

মোট আসামী ঃ ২৬,৭৮০ জন

ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ।