ঢাকা ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বিপদজনক একটি নাম ব্লাড প্রেসার দৈনিক যেসব ভুলে আড়ালে বাড়ছে ব্লাড প্রেশার 

রিপোর্টার ফাহারিয়া ইসলাম মুন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪ ২০৮ বার পড়া হয়েছে

নীরব ঘাতকের মতো বাড়ে হাইপারটেনশন। আমরা যাকে ‘হাই ব্লাড প্রেশার’ নামে চিনি। এই প্রেশার প্রাণঘাতীও বটে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন ওষুধ খেতে হবে। আর একদিন প্রেশারের ওষুধ বাদ দিলেই আপনি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে হতে পারেন। উচ্চ রক্তচাপের জেরে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের মতো সমস্যা দেখা দেয়। কেন উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হানা দেয় এবং কীভাবে এই সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, তারই খুঁটিনাটি রইল এখানে।হাইপারটেনশনের পেছনে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি লাইফস্টাইল ফ্যাক্টরকে দায়ী করেছেন। এর মধ্যে ব্যায়াম থেকে শুরু করে ওবেসিটি, ধূমপানের মতো বিভিন্ন কারণ রয়েছে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু প্রতিদিন অ্যারোবিক ব্যায়াম করে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। বিশেষত যাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না। অন্যদিকে, শরীরের ওজন বেড়ে গেলে, ওবেসিটিতে ভুগলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। আবার অনেক সময় ওবেসিটির জেরে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার মুখোমুখি হতে হয়। এখান থেকেও হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।বিশেষজ্ঞরা হাইপারটেনশনের বিরুদ্ধে দায়ী করেছেন প্রিজারভেটিভ, চিনি ও নুন দেওয়া প্রক্রিয়াজাত খাবারকে। এতে উচ্চ পরিমাণে ক্যালোরি, সোডিয়াম থাকে। এগুলো উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি কিডনির সমস্যা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি এড়াতে ফাস্ট ফুড ছেড়ে স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া করা জরুরি। হাইপারটেনশনের ঝুঁকি এড়াতে ধূমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকা পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এই লাইফস্টাইল ফ্যাক্টরগুলো ছাড়াও আরেকটি বিষয়কে হাইপারটেনশনের জন্য দায়ী করেছেন তারা। স্ট্রেস বা মানসিক চাপও উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। মানসিক চাপ কমিয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করলে উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।হাইপারটেশনের আক্রান্ত হলেই অনেকেই চিকিৎসা করান না। এমনকি চিকিৎসাধীনও থাকেন না। অর্ধেকের বেশি মানুষ জানেনই না যে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। যেহেতু তারা কখনওই নিয়মিত ব্লাড প্রেশার মাপেন না। আর যারা এই স্বাস্থ্য অবস্থা সম্পর্কে সচেতন এবং হাইপারটেনশনের রোগী, তাদের মধ্যে অর্ধেক রোগী প্রতিদিন ওষুধ খান না। আর এর জেরেই ধীরে ধীরে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলেন।চিকিৎসাধীন না থাকলে, নিয়মিত ব্লাড প্রেশার চেক না করালে এবং ওষুধ না খেলে জটিলতা বাড়বে। এখান থেকে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাই ঘন ঘন রক্তচাপ পরীক্ষা করানো এবং সেই মতো ওষুধ খাওয়া উচিত। এতে রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখা আরও সহজ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিপদজনক একটি নাম ব্লাড প্রেসার দৈনিক যেসব ভুলে আড়ালে বাড়ছে ব্লাড প্রেশার 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

নীরব ঘাতকের মতো বাড়ে হাইপারটেনশন। আমরা যাকে ‘হাই ব্লাড প্রেশার’ নামে চিনি। এই প্রেশার প্রাণঘাতীও বটে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন ওষুধ খেতে হবে। আর একদিন প্রেশারের ওষুধ বাদ দিলেই আপনি মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে হতে পারেন। উচ্চ রক্তচাপের জেরে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের মতো সমস্যা দেখা দেয়। কেন উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হানা দেয় এবং কীভাবে এই সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, তারই খুঁটিনাটি রইল এখানে।হাইপারটেনশনের পেছনে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি লাইফস্টাইল ফ্যাক্টরকে দায়ী করেছেন। এর মধ্যে ব্যায়াম থেকে শুরু করে ওবেসিটি, ধূমপানের মতো বিভিন্ন কারণ রয়েছে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু প্রতিদিন অ্যারোবিক ব্যায়াম করে রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। বিশেষত যাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে না। অন্যদিকে, শরীরের ওজন বেড়ে গেলে, ওবেসিটিতে ভুগলে রক্তচাপ বেড়ে যায়। আবার অনেক সময় ওবেসিটির জেরে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার মুখোমুখি হতে হয়। এখান থেকেও হাইপারটেনশনের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।বিশেষজ্ঞরা হাইপারটেনশনের বিরুদ্ধে দায়ী করেছেন প্রিজারভেটিভ, চিনি ও নুন দেওয়া প্রক্রিয়াজাত খাবারকে। এতে উচ্চ পরিমাণে ক্যালোরি, সোডিয়াম থাকে। এগুলো উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি কিডনির সমস্যা ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি এড়াতে ফাস্ট ফুড ছেড়ে স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া করা জরুরি। হাইপারটেনশনের ঝুঁকি এড়াতে ধূমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকা পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। এই লাইফস্টাইল ফ্যাক্টরগুলো ছাড়াও আরেকটি বিষয়কে হাইপারটেনশনের জন্য দায়ী করেছেন তারা। স্ট্রেস বা মানসিক চাপও উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। মানসিক চাপ কমিয়ে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করলে উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।হাইপারটেশনের আক্রান্ত হলেই অনেকেই চিকিৎসা করান না। এমনকি চিকিৎসাধীনও থাকেন না। অর্ধেকের বেশি মানুষ জানেনই না যে তার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। যেহেতু তারা কখনওই নিয়মিত ব্লাড প্রেশার মাপেন না। আর যারা এই স্বাস্থ্য অবস্থা সম্পর্কে সচেতন এবং হাইপারটেনশনের রোগী, তাদের মধ্যে অর্ধেক রোগী প্রতিদিন ওষুধ খান না। আর এর জেরেই ধীরে ধীরে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলেন।চিকিৎসাধীন না থাকলে, নিয়মিত ব্লাড প্রেশার চেক না করালে এবং ওষুধ না খেলে জটিলতা বাড়বে। এখান থেকে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। তাই ঘন ঘন রক্তচাপ পরীক্ষা করানো এবং সেই মতো ওষুধ খাওয়া উচিত। এতে রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখা আরও সহজ হবে।