ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির হরতাল ও আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ।
- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির হরতাল ও আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ।
কেন্দ্রীয় বিএনপির ডাকা হরতালের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নগরজীবনে কোন প্রভাব পড়েনি। বিএনপির ডাকা হরতাল প্রতিহতের ডাক দিয়ে শান্তি সমাবেশ করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা।সারাদিনের জেলার বিভিন্ন উপজেলা হতে নাশকতার অভিযোগে বিএনপির নেতাকর্মী আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার(২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অন্যান্য দিনের মতই স্বাভাবিক ছিল পরিবেশ।
অপর দিকে সকাল থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে হরতাল বিরোধী মিছিল বের করে। পরে শহরের বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিলেও মাঠে দেখা যায়নি বিএনপির কোন নেতাকর্মীকে। ছিল না কোন মিছিল বা সমাবেশ। এছাড়া বিভিন্ন উপজেলাতে জটিকা মিছিল বের করলেও পুলিশের ভয়ে ছত্র ভঙ্গ হয়ে। সেখানেও আটক করা হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের।
এদিকে শান্তি সমাবেশ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ নেতা কর্মীরা।
এ সময় বক্তারা বিএনপি ও জামায়াতের নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পরে জেলা ছাত্রলীগ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীরা হরতাল বিরোধী মিছিল বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।
জেলা পুলিশ সুপার মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, গতকাল সন্ধ্যা হতে এ পর্যন্ত ৭০ জন নেতাকর্মী নাশকতার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। আটকদের যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। নির্দোষ কাউকে আটক করবে না পুলিশ।
সকাল থেকে সরকারি দপ্তরের পাশাপাশি, ব্যাংক, বীমাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম চলে। নির্ধারিত সময়েই খুলেছে দোকানপাট। সড়কগুলোতে ছোট-বড় সব ধরণের যানবাহন চলাচলের পাশাপাশি স্বাভাবিক ছিলো ট্রেন চলাচল। তবে যাত্রী সংকটের কারনে দূর পাল্লার ও অভ্যন্তরীন কোন বাস ছেড়ে যায়নি।
এদিকে সকাল থেকেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল। যেকোন পরিস্থিতিতে অপ্রীতিকর ঘটনা যেন করতে না পারে সেজন্য সতর্কতা অবলম্বন করছে পুলিশ প্রশাসন।















