ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জৈন্তাপুরে প্রশাসক পদে আলোচনায় তরুণ ছাত্রনেতা কয়েস আহমদ ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল সৌদি আরব খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮,

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয় মিছিলে প্রকাশ্যে গুলি, নিহত ১

এম কে খোকন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪ ৮৬ বার পড়া হয়েছে

ভোট ক্যাম্প বাসানো ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ও সহ সভাপতি ফারাবী হাসান জয়ের গুলিতে আয়াশ রহমান ইজাজ (২৩) নামে এক ছাত্রলীগের কর্মী নিহত হয়েছেন। বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় পৌর এলাকার কলেজপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভনকে বিজয়ী দাবি করে বের করা মিছিলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ইজাজ ওই এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আনারস প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভনের পক্ষে কলেজপাড়ায় দুটি নির্বাচনী ক্যাম্প বসানো হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। আজ ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শাহাদাৎ হোসেন শোভনকে বিজয়ী দাবি করে এক পক্ষ আনন্দ মিছিল বের করে। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি জালাল হোসেন ওরফে খোকার নেতৃত্বে কয়েকটি মোটরসাইকেলে একটি দল এসে আনন্দ মিছিলস্থলে পৌঁছায়। তখন মোটরসাইকেল আরোহীদের একজন জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ফারাবী হাসান জয় আনন্দ মিছিলে থাকা ইজাজের মাথায় গুলি ছোড়েন। এ সময় মিছিলে থাকা আয়াশ আহমেদ ইজাজ মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ব্যাপার চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন শোভন বলেন, আমার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেনি। তাদের মধ্যে আগে থেকেই ঝামেলা ছিল। তবে তারা আনারস প্রতীকের সমর্থক ছিলেন।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ছাত্রলীগকর্মী জানান, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাসান আল ফারাবী জয়ের সঙ্গে এজাজের পূর্ব বিরোধ ছিল। বুধবার সকালে ভোট কেন্দ্রে তাদের মধ্যে তর্ক হয়। সেই বিরোধ ও ভোটকেন্দ্রের তর্কের জেরে এজাজকে গুলি করেন জয়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন নিশ্চিত করে জানান, নিহত ইজাজ ও গুলি করা ফারাবি জয় দুজনই জয়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভন পক্ষের। তাদের মধ্যে পূর্ব বিরোধ ছিল। তবে কি নিয়ে বিরোধ ছিল তা জানা যায়নি।এরই জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ অভিযুক্তদের আটক করতে পারেনি। ফারাবী জয় ও ব্যবহার করা আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয় মিছিলে প্রকাশ্যে গুলি, নিহত ১

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

ভোট ক্যাম্প বাসানো ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ও সহ সভাপতি ফারাবী হাসান জয়ের গুলিতে আয়াশ রহমান ইজাজ (২৩) নামে এক ছাত্রলীগের কর্মী নিহত হয়েছেন। বুধবার (৫ জুন) সন্ধ্যায় পৌর এলাকার কলেজপাড়ায় চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভনকে বিজয়ী দাবি করে বের করা মিছিলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ইজাজ ওই এলাকার আমিনুল ইসলামের ছেলে। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র এবং ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও আনারস প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভনের পক্ষে কলেজপাড়ায় দুটি নির্বাচনী ক্যাম্প বসানো হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। আজ ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শাহাদাৎ হোসেন শোভনকে বিজয়ী দাবি করে এক পক্ষ আনন্দ মিছিল বের করে। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি জালাল হোসেন ওরফে খোকার নেতৃত্বে কয়েকটি মোটরসাইকেলে একটি দল এসে আনন্দ মিছিলস্থলে পৌঁছায়। তখন মোটরসাইকেল আরোহীদের একজন জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ফারাবী হাসান জয় আনন্দ মিছিলে থাকা ইজাজের মাথায় গুলি ছোড়েন। এ সময় মিছিলে থাকা আয়াশ আহমেদ ইজাজ মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ব্যাপার চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন শোভন বলেন, আমার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেনি। তাদের মধ্যে আগে থেকেই ঝামেলা ছিল। তবে তারা আনারস প্রতীকের সমর্থক ছিলেন।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ছাত্রলীগকর্মী জানান, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাসান আল ফারাবী জয়ের সঙ্গে এজাজের পূর্ব বিরোধ ছিল। বুধবার সকালে ভোট কেন্দ্রে তাদের মধ্যে তর্ক হয়। সেই বিরোধ ও ভোটকেন্দ্রের তর্কের জেরে এজাজকে গুলি করেন জয়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন নিশ্চিত করে জানান, নিহত ইজাজ ও গুলি করা ফারাবি জয় দুজনই জয়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভন পক্ষের। তাদের মধ্যে পূর্ব বিরোধ ছিল। তবে কি নিয়ে বিরোধ ছিল তা জানা যায়নি।এরই জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ অভিযুক্তদের আটক করতে পারেনি। ফারাবী জয় ও ব্যবহার করা আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।