ঢাকা ১২:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত

মনপুরায় নি*ষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে , মাছ ধরছে শতশত নৌকা।

মোঃ আল আমীন , ভোলা জেলা প্রতিনিধি,
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫ ৬১ বার পড়া হয়েছে

ভোলার মনপুরার মেঘনায় মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে মৎস্য বিভাগের উদাসিনতা লক্ষ্য করা গেছে। সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে তেমন প্রচারনা বা তৎপরতা দেখা যায়নি। দিনের বেলায় মেঘনা নদীতে অসংখ্য মাছধরা নৌকা ও হাজারো বেহুন্দি জাল মাছ ধরতে দেখা গেছে।

জানা যায়, শুক্রবার (১মার্চ) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস মনপুরার মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে জাটকা ছাড়াও সবধরনের ছোট মাছ ধরা, বিক্রি, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও সংরক্ষণও নিষিদ্ধ করা হয়।

অবৈধভাবে মাছ ধরলে আইনানুগ ববস্থা নেয়ার বিধান থাকলেও ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। শুক্রবার রাত ১২ পর থেকে জাটকাসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও মনপুরার মেঘনায় শত শত নৌকা মাছ ধরতে দেখা গেছে। এছাড়াও শনিবার দিনের চিত্রও একই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাট সংলগ্ন পশ্চিম পাশের মেঘনায় দিনের বেলায় অসংখ্য নৌকা মাছ ধরতে দেখা গেছে। পাশাপাশি হাজারো বেহুন্দি জাল পাতাতা অবস্থা রয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞা সময়ে মাছ ধরতে দেখা গেলেও উপজেলা মৎস্য অফিসের তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি। এবং রাতেও কোন অভিযান পরিচালনা করেনি মৎস্য অফিস। তাছাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিজেই মনপুরায় উপস্থিত নেই বলে জানিয়েছে বিশ্বস্ত সূত্র।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা সময়ে অভিযান না হওয়ায় শনিবার সকালে উপজেলার হাজীর হাট বাজারে পূর্বের ন্যায় অবৈধ জাটকা, ট্যাংরা, পোমা, চিংড়িসহ ছোটমাছ অবাধে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানান, আমি অফিসের কাজে ভোলায় আছি। রাতে মৎস্য অফিস থেকে আমরা অভিযান দিতে পারিনি। তবে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

শুক্রবার মধ্যরাত থেকে এখন পর্যন্ত কোন জেলেকে আটক বা কোন অবৈধ জাল জব্দ করার খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বনিক বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। মৎস্য কর্মকর্তা সোমবার (৩ মার্চ) মনপুরায় আসলে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মনপুরায় নি*ষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে , মাছ ধরছে শতশত নৌকা।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ মার্চ ২০২৫

ভোলার মনপুরার মেঘনায় মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে মৎস্য বিভাগের উদাসিনতা লক্ষ্য করা গেছে। সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে তেমন প্রচারনা বা তৎপরতা দেখা যায়নি। দিনের বেলায় মেঘনা নদীতে অসংখ্য মাছধরা নৌকা ও হাজারো বেহুন্দি জাল মাছ ধরতে দেখা গেছে।

জানা যায়, শুক্রবার (১মার্চ) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস মনপুরার মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে জাটকা ছাড়াও সবধরনের ছোট মাছ ধরা, বিক্রি, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও সংরক্ষণও নিষিদ্ধ করা হয়।

অবৈধভাবে মাছ ধরলে আইনানুগ ববস্থা নেয়ার বিধান থাকলেও ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। শুক্রবার রাত ১২ পর থেকে জাটকাসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও মনপুরার মেঘনায় শত শত নৌকা মাছ ধরতে দেখা গেছে। এছাড়াও শনিবার দিনের চিত্রও একই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাট সংলগ্ন পশ্চিম পাশের মেঘনায় দিনের বেলায় অসংখ্য নৌকা মাছ ধরতে দেখা গেছে। পাশাপাশি হাজারো বেহুন্দি জাল পাতাতা অবস্থা রয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞা সময়ে মাছ ধরতে দেখা গেলেও উপজেলা মৎস্য অফিসের তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি। এবং রাতেও কোন অভিযান পরিচালনা করেনি মৎস্য অফিস। তাছাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিজেই মনপুরায় উপস্থিত নেই বলে জানিয়েছে বিশ্বস্ত সূত্র।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা সময়ে অভিযান না হওয়ায় শনিবার সকালে উপজেলার হাজীর হাট বাজারে পূর্বের ন্যায় অবৈধ জাটকা, ট্যাংরা, পোমা, চিংড়িসহ ছোটমাছ অবাধে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানান, আমি অফিসের কাজে ভোলায় আছি। রাতে মৎস্য অফিস থেকে আমরা অভিযান দিতে পারিনি। তবে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

শুক্রবার মধ্যরাত থেকে এখন পর্যন্ত কোন জেলেকে আটক বা কোন অবৈধ জাল জব্দ করার খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বনিক বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। মৎস্য কর্মকর্তা সোমবার (৩ মার্চ) মনপুরায় আসলে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।