মামলা জালে জড়াচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগ

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

টানা ১৬ বছর ক্ষমতার মসনদে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িয়ে পড়ছে মামলার জালে। এতদিন ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের না হলেও বর্তমান সময়ে ধারাবাহিকভাবে দায়ের হওয়া মামলার আসামী হচ্ছেন তারা। এসব মামলায় আসামী করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা। ছাত্রদল এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে শিক্ষার্থীরা একের পর এক এসব মামলা দায়ের করছেন। যেখানে বিগত দিনের হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ধরা হচ্ছে। শুধু চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় এ ধরনের চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। আলমডাঙ্গা থানায় হয়েছে আরও একটি। তবে, এসব মামলায় এখনো কেউ গ্রেফতার হয়নি। সচেতন মহল বলছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা যে হামলা-নির্যাতন ও আগ্রাসন চালিয়ে এসেছে এখন তার বিষ্ফোরণ ঘটছে। তখন কেউ মামলা করার সাহস না পেলেও এখন সেই পুরাতন ঘটনা তুলে ধরে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। মামলায় দলীয় শীর্ষ পদের নেতাদের নামও উল্লেখ হচ্ছে। অপরদিকে, মামলা দায়ের হলেও অনেকটা নিশ্চুপ আওয়ামী নেতাকর্মীরা।জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনের মুখে দেশ ছাড়েন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই শুরু হয় পট পরিবর্তনের দৃশ্যমান চিত্র। ওইদিনই ভাঙচুর চালানো হয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের দলীয় কার্যালয়ে। একইসাথে হামলা হালানো হয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িতেও। সেদিন থেকেই অনেকটা আত্মগোপনে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। হামলা, মামলা এবং গ্রেফতার এড়াতে এখনো রাজপথে উপস্থিতি নেই দলটির। এরমধ্যে গত ১৭ আগস্ট থেকে দলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শুরু হয়। ওইদিন মামলাটি দায়ের করেন ছাত্রদল নেতা হাবিবুর রহমান সাদিদ।পরিস্থিতিতে বেশ কয়েকটা মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলা পুলিশ আমলে নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। সেইসাথে মামলার আসামীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান চলছে।এসব মামলার ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে এসব মামলা দায়ের করা হচ্ছে। শুধু চুয়াডাঙ্গায় নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে দাবিয়ে রাখার অপচেষ্টা চলছে। আমাদের নির্দেশনা রয়েছে আগামী কিছুদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার। তারপর দলীয় নির্দেশনা মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।















