ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

যেসব মাছস্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে 

রিপোর্টার তাজিম উদ্দিন তজু
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ পাতে থাকলে মাংসকেও ভুলে যান বাঙালিরা। চিকিৎসকরাও মাংস সরিয়ে বেশি করে মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু কোন মাছ কতটা খাওয়া উচিত, কোন রোগীদের জন্য এই মাছেও রয়েছে বিপদ, সে কথা কয়জনই বা জানেন। শুধু তাই নয়, এমন অনেক মাছ তালিকায় রয়েছে, যা খাওয়া একেবারেই অনুচিত। জানুন সেই মাছগুলো কী কী।হাইব্রিড মাগুর : বাজারে গিয়ে হাত নিশপিশ করলেও বড় আকারের মাগুর মাছ কেনা এবার বন্ধ করুন। কারণ মাগুর মাছ কিন্তু নানা সাইজের হতে পারে। মাছের সাইজ যাতে তাড়াতাড়ি বাড়ে, সেজন্য অনেকসময় মাছ চাষীরা নানারকম হরমোন ইঞ্জেকশন পুশ করেন মাছের শরীরে, যা সবার জন্যই অনেক বেশী ক্ষতিকর।ম্যাকারেল : রেস্তোরাঁর দৌলতে বাঙালি এখন পোনামাছের পাশাপাশি ম্যাকারেল খেতেও অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। কিন্তু জানেন কী এই ম্যাকারেলে পারদ থাকে। আর আপনি যদি ম্যাকারেল খান, তাহলে ওই পারদ কিন্তু আপনার পেটেই জমা হতে থাকবে। এর ফলে নানারকম বিপজ্জনক রোগও হতে পারে। তাই এবার থেকে ম্যাকারেলকে একটু এড়িয়েই চলুন।টুনা মাছ : বাঙালির খাবারের তালিকায় এখন আস্তে আস্তে দিব্যি ঠাঁই করে নিচ্ছে টুনা মাছ। এটি মূলত বিদেশি মাছ। এই টুনাতেও কিন্তু প্রচুর পরিমাণে পারদ থাকে। তাছাড়া যে সমস্ত ফার্মে টুনা চাষ করা হয়, সেখানে মাছকে প্রচুর পরিমাণে হরমোন ও অ্যান্টি-বায়োটিক ইঞ্জেক্ট করা হয়। যা আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে।পাঁকাল মাছ : তৈলাক্ত এই মাছটি জলে প্রাপ্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল এবং ফার্মের বর্জ্য পদার্থ খেয়ে বড় হয়। তাই মাছটি পুরোপুরি দূষিত বলে মনে করা হয়। এতে পারদের পরিমাণ মানব দেহের জন্য সহনীয় মাত্রায় থাকে না। তাই এই মাছটি কখনই না খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।পাঙাশ মাছ : সাধারণত ফার্মে পাংগাস স্বাদ বাড়ানোর ও সংখ্যায় বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় নানা রকম রাসায়নিক সার। সঙ্গে বিষাক্ত কীটনাশক। দেখা গেছে, ফার্মে পাঙাশ চাষে ব্যবহার করা হয় এমন কিছু রাসায়নিক, যা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, সুস্থ ভাবে বাঁচতে অবশ্যই মাছ খান তবে পাঙাশ নয়। আমরা বাজার থেকে যে পাঙাশ কিনি, সেগুলো সবই মূলত কারখানায় চাষ করা হয়। আর এখানেই বিষ হয়ে যায় পাঙাশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যেসব মাছস্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৫৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

মাছে ভাতে বাঙালি। মাছ পাতে থাকলে মাংসকেও ভুলে যান বাঙালিরা। চিকিৎসকরাও মাংস সরিয়ে বেশি করে মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু কোন মাছ কতটা খাওয়া উচিত, কোন রোগীদের জন্য এই মাছেও রয়েছে বিপদ, সে কথা কয়জনই বা জানেন। শুধু তাই নয়, এমন অনেক মাছ তালিকায় রয়েছে, যা খাওয়া একেবারেই অনুচিত। জানুন সেই মাছগুলো কী কী।হাইব্রিড মাগুর : বাজারে গিয়ে হাত নিশপিশ করলেও বড় আকারের মাগুর মাছ কেনা এবার বন্ধ করুন। কারণ মাগুর মাছ কিন্তু নানা সাইজের হতে পারে। মাছের সাইজ যাতে তাড়াতাড়ি বাড়ে, সেজন্য অনেকসময় মাছ চাষীরা নানারকম হরমোন ইঞ্জেকশন পুশ করেন মাছের শরীরে, যা সবার জন্যই অনেক বেশী ক্ষতিকর।ম্যাকারেল : রেস্তোরাঁর দৌলতে বাঙালি এখন পোনামাছের পাশাপাশি ম্যাকারেল খেতেও অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। কিন্তু জানেন কী এই ম্যাকারেলে পারদ থাকে। আর আপনি যদি ম্যাকারেল খান, তাহলে ওই পারদ কিন্তু আপনার পেটেই জমা হতে থাকবে। এর ফলে নানারকম বিপজ্জনক রোগও হতে পারে। তাই এবার থেকে ম্যাকারেলকে একটু এড়িয়েই চলুন।টুনা মাছ : বাঙালির খাবারের তালিকায় এখন আস্তে আস্তে দিব্যি ঠাঁই করে নিচ্ছে টুনা মাছ। এটি মূলত বিদেশি মাছ। এই টুনাতেও কিন্তু প্রচুর পরিমাণে পারদ থাকে। তাছাড়া যে সমস্ত ফার্মে টুনা চাষ করা হয়, সেখানে মাছকে প্রচুর পরিমাণে হরমোন ও অ্যান্টি-বায়োটিক ইঞ্জেক্ট করা হয়। যা আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে।পাঁকাল মাছ : তৈলাক্ত এই মাছটি জলে প্রাপ্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল এবং ফার্মের বর্জ্য পদার্থ খেয়ে বড় হয়। তাই মাছটি পুরোপুরি দূষিত বলে মনে করা হয়। এতে পারদের পরিমাণ মানব দেহের জন্য সহনীয় মাত্রায় থাকে না। তাই এই মাছটি কখনই না খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।পাঙাশ মাছ : সাধারণত ফার্মে পাংগাস স্বাদ বাড়ানোর ও সংখ্যায় বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয় নানা রকম রাসায়নিক সার। সঙ্গে বিষাক্ত কীটনাশক। দেখা গেছে, ফার্মে পাঙাশ চাষে ব্যবহার করা হয় এমন কিছু রাসায়নিক, যা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, সুস্থ ভাবে বাঁচতে অবশ্যই মাছ খান তবে পাঙাশ নয়। আমরা বাজার থেকে যে পাঙাশ কিনি, সেগুলো সবই মূলত কারখানায় চাষ করা হয়। আর এখানেই বিষ হয়ে যায় পাঙাশ।