রিকশা, ব্যাটারী রিকশা-ভ্যান ও ইজি বাইক সংগ্রাম পরিষদ

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:০৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪ ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

বিষয়। ব্যাটারিচালিত যানবাহনের নীতিমালা, লাইসেন্স ও আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে।
পরিশ্রম করা আমাদের প্রতিদিনের কথা বিবেচনা করে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে রিক্ষায় ব্যাটারি স্থাপন করা শুরু হয়ে থাকলেও ইতিমধ্যে তার অনেকাংশই দুর করে আধুনিকায়ন করা সম্ভব হয়েছে। ফলে দ্রুত এই বারন তেমন জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে তেমনি ছড়িয়ে পড়েয়ে সারা দেশে। এই সব বাহন ব্যবহার সহজ, সস্তা এবং শহরের ছোট রাস্তায় চলতে পারে বলে ওর গায়ের মানুে দৈনন্দিন কাজে এক অপরিহার্য বান্ধন হয়ে দাড়িয়েছে।
মাননীয় উপদেষ্টা, আপনি জানেন, সারা দেশে প্রায় ৫০ লাখ চালক পরিবার এইসব ব্যাটারি চালিত খ্রি হইচ্চারও সমজাতীয় যানবাহনের উপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভরশীল। এইসব যানবাহন তৈরি, মেরামত, খুচরা যন্ত্রাংশ নির্মাণ, বিক্রিং চার্কিং সাই নানা ধরনের কাজে বালাবা মানুষের জীবন ও জীবিকা নির্ভরশীল। দেশের সকল জেলা ও বিভাগে নগর পরিবহণ নেই বার শ্রেষ্ঠ মানুষ ব্যাটারি ডালিভা যানবাহন ব্যবহার করে থাকে। এই খাত যেমন বিপুল কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে তেমনি দেশের আনেীতিতেও এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এইসব বাহন বিদ্যুতে চলে বলে পরিবেশ দূষণ কম করে। বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে এদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ চুরি এবং অতিরিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের অভিযোগ করা হয়। অথচ আপনি জানেন, এইসব বাহন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, চালকেরা বিষ্ণুৎ চুরি করে না বরং বদির লাদে (প্রায় ২৫ টাকা ইউনিট) বিদ্যুৎ কিনে থাকে। তাই কর্মসংস্থান, জীবিকা, যাতায়াত এবং দেশের অর্থনীতির বিকাশের কথা বিবেচনা করালে এই খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু প্রয়োজন দুর্নীতিমুক্ত সঠিক ব্যবস্থাপনা। ছাত্র শ্রমিক জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ব্যালাদেশে এখন এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়েছে। এই নতুন পরিস্থিতিতে আপনার নেতৃত্বে এই খাতের উন্নতি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে তা আমরা প্রত্যাশা করি। আমরা মনে করি, এই খাতকে একটি গতিশীল গণপরিবহনে পরিণত করতে আপনি আমাদের প্রস্তাবগুলো সহানুভূতির
সঙ্গে বিবেচনা করবেন।
১: ব্যাটারিচালিত থ্রি হুইলার ও সমজাতীয় মোটরযান নীতিমালা-২০২৪ চূড়ান্ত ও দ্রুত গেজেট প্রকাশ করা।
২। নীতিমালার আলোকে ব্যাটারি রিক্সা ও ইজিবাইকের নিবন্ধন, লাইসেন্স ও রুট পারমিট প্রদান করা।
৩। কারিগরি ত্রুটি সংশোধন করে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের আধুনিকায়ন করা।
৪ । চার্জিং স্টেশন স্থাপন করে বিদ্যুৎ চুরি ও অপচয় বন্ধ করে রাষ্ট্রীয় কোষাগার সমৃদ্ধ করা।
৫। চালকসহ সংশ্লিষ্টদের ট্রাফিক সংক্রান্ত পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে সড়কের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা।
৬। চাঁদাবাজি, হয়রানি, অবৈধ রেকারিং ও ডাম্পিং বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে চালকদেরকে স্বস্তি দেয়া।
। প্রতিটি সড়ক মহাসড়কে স্বল্প গতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেইন তৈরি করা, যাতে বিশৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।
৭ মাননীয় উপদেষ্টা, আপনি জানেন বিগত আন্দোলনে শ্রমজীবীরা কিভাবে অংশ নিয়েছে, জীবন দিয়েছে, আহত হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা ছিল একটি বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হোক, যাতে তারা শান্তিতে জীবন নির্বাহ করতে পারে। এই আশায় তারা রাস্তায় নেমে এসেছিলো। ব্যাটারি চালিত যানবাহনের চালকরা নিজেরা নিজেদের জীবিকার ব্যবস্থা করেছে, এর ফলে যাত্রীর। সহজে ও সন্তায় চলাফেরা করার বাহন পেয়েছে, এখন প্রয়োজন সরকারি নীতি সহায়তা।
আমরা মনে করি এই সময়ে সরকার উদ্যোগ নিলে এই খাতের সংকট দূর করে জন ও পরিবেশবান্ধব বাহনে পরিণত করা সম্ভব। তাই সারাদেশের ৫০ লাখ চালক ও তাদের উপর নির্ভরশীল কোটি কোটি মানুষ আপনার দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের জীবিকা ও জীবনমা উন্নয়নে সঠিক পরিকল্পনা এবং কার্যকর পদক্ষেপগ্রহনে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।















