সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আহ্বায়কের নামে চাঁদাবাজির কথাটি মিথ্যা। প্রমাণ করলেন _লক্ষণ চন্দ্র দাস।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২৭:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আল আমীন ভোলা জেলা প্রতিনিধ ,
ভোলার মনপুরা উপজেলার আওতাধীন ৫ নং কলাতলী ইউনিয়নের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আহ্বায়ক আছিয়ল হক মেম্বারের নামে , সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া চাঁদাবাজির কথাটি মিথ্যা
প্রমান করলেন লক্ষণ চন্দ্র দাস ।
লক্ষণ চন্দ্র দাস বলেন আমার মেয়ের বিয়েতে বেশ কিছু টাকা আমি ধার দেনা করেছি যার কারণে আমার আবাসন বাজারে একটি ঘর বিটি বিক্রয় করার সিদ্ধান্ত নেয় ,কিন্তু দুর্ভাগ্য আমি যখন আমার ঘরটি বিক্রয় করে দিলাম তখনই আরিফ আমাকে বলে এই ঘর ভিটি আমার ।আপনি বিক্রয় করলে আমার টাকা দিয়ে ফেলতে হবে তখন আমি বললাম আমি ভিটা কিনেছি সাইফুল এর কাছে তাহলে সাইফুলকে প্রয়োজন আছে এমত অবস্থায় আছিয়ল হক মেম্বার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা বললেন তাহলে এটা সমাধা হয়ে যাক একপর্যায়ে বিচার হয় বিচার শেষে আমার প্রতি রায় আসে সর্বশেষ ৪০ হাজার টাকা কিন্তু আমি বিচারকের প্রতি আবেদন করি বললাম আমি ২০ হাজার টাকা দেব কিন্তু সেই আবেদন গ্রহণ হলো না সেখানে উপস্থিত ছিলেন আবাসন বাজারের বাজার ব্যবসায়ী গন উপস্থিত ছিলেন বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সেক্রেটারি জনাব হামিদ ডাক্তার সাহেব , চল্লিশ হাজার টাকার উপরে আমি আমার বাজারের সেক্রেটারি হামিদ ডাক্তারের হাতে ৪০ হাজার টাকা আরিফকে দিয়েছি।
লক্ষণ চন্দ্র দাস এর বক্তব্য শেষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কলাতলী ইউনিয়নের আহ্বায়ক আছিয়ল হক মেম্বার সাহেব বললেন আমার নামে কলাতলী ইউনিয়নে কোন রকমের চাঁদাবাজি ঘুষ জুলুম নির্যাতন এরকম কোন প্রমাণ থাকলে আমার বিচার আপনার এই কলাতলী মানুষের সামনে বিচার করবেন । এটা আমার দাবি আপনাদের সকলের কাছে।
লক্ষন চন্দ্র দাস বললেন আমাকে লোকেরা যখন জিজ্ঞাসা করে আপনার কাছ থেকে কে চাঁদা চাইছে তখন আমি তার কথার দিকে লক্ষ্য করিনি, আমি বলে ফেলেছি আছিয়ল হক মেম্বার চাইছে যার কারণে তার কথার সাথে মিলিয়ে আমি বলে ফেলেছি এটা চাঁদা নাহলে ,তাহলে এটা কি তো আসলে আমার কথার প্রতি মনোযোগ না থাকার কারণে আমি বিচারকের রায়ের টাকাকে চাঁদা বলে ফেলেছি। ,
তাই এই শত পুরুষ ও মহিলার সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি’র আহবায়ক আছিয়ল হক মেম্বার এর কাছ থেকে ক্ষমা চাই এবং আমি নিজে এটা ভুলে রায় কৃত টাকাকে চাঁদা বলে ফেলেছি এটা আমাকে সকলে ক্ষমা করে দিবেন ।লক্ষন চন্দ্র দাস আরো বললেন
আমার একটি অভিযোগ আছে আরিফের নামে আরিফ কেন আমাকে হয়রানি করলো এটার জন্য বিচার চাই।















