জৈন্তাপুরে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন পানিবন্ধী মানুষ ! উদ্বার কাজে প্রশাসনের সাথে জনপ্রতিনিধি, পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

অবিরাম ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট, জৈন্তাপুর, চারিকাটা, দরবস্ত, ফতেপুর ও চিকনাগুল ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ বন্যায় পানিবন্ধী হয়ে পড়েছেন। পানি বন্ধী মানুষ-কে উদ্বার কাজে সহযোগিতা করতে প্রশাসনের সাথে জনপ্রতিনিধি, জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ মাঠে কাজ করছেন। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পানিবন্ধী সাধারণ মানুষ তাদের গবাদি পশু সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে ছুটে চলছেন আশ্রয়ন কেন্দ্র গুলোতে । ১৮ জুন-২০২৪ খ্রি: সকাল থেকে বন্যা দূর্গত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও উদ্বার কাজ চলমান রয়েছে। বন্যায় স্থাপন করা প্রশাসনের আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে রান্না করা ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন এবং পানিবন্ধী লোকজন-কে উদ্বার কাজে সহায়তা করছেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম লিয়াকত আলী, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমদ, জয়নাল আবেদীন, ভাইস চেয়ারম্যান সাহাদ উদ্দিন (সাদ্দাম), উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে সালিক রুমাইয়া, নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুলতান করিম, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিক আহমদ, চিকনাগুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান চৌধুরী, জৈন্তাপুর মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর পার্থ রঞ্জন চক্রবর্তী সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও বিভিন্ন সামাজিক নেতৃবৃন্দ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে সালিক রুমাইয়া জানিয়েছেন, বন্যা কবলিত মানুষের সহযোগিতায় প্রশাসন পাশে রয়েছে। উপজেলায় সরকারি আশ্রয়ন সেন্টার ছাড়াও বিভিন্ন স্কুল,কলেজ সহ ৪৮টি আশ্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।





















