পিতৃহারা শাহ আলম খান, শোকাহত সহকর্মীরাশাহ আলম খানের পিতার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ পিতৃহারা শাহ আলম খান, শোকাহত সহকর্মীরা

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:০৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
জীবনের নির্মম বাস্তবতা আবারও আমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে এক বেদনাবিধুর সংবাদ নিয়ে। গভীর শোক ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, ঢাকা ডিভিশনাল প্রেসক্লাবের সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক এবং দৈনিক রুদ্র বাংলা পত্রিকার সম্মানিত নির্বাহী সম্পাদক জনাব মোঃ শাহ আলম খান-এর শ্রদ্ধেয় পিতা, সজ্জন, ধর্মপ্রাণ ও মানবিক ব্যক্তিত্ব জনাব মোঃ সুলতান হোসেন খাঁন গত ৩০ মে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, শনিবার বিকাল ৪:০০ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মৃত্যু অবধারিত সত্য হলেও কিছু মৃত্যু হৃদয়কে গভীরভাবে নাড়া দেয়, কিছু বিদায় মানুষের অন্তরকে রক্তাক্ত করে। জনাব মোঃ সুলতান হোসেন খাঁনের ইন্তেকালের সংবাদটি তেমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। একজন সন্তানের জীবনে পিতা শুধু একজন অভিভাবক নন; তিনি আশ্রয়, নিরাপত্তা, সাহস, ভালোবাসা এবং জীবনের পথচলার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। সেই ছায়াময় বৃক্ষ যখন চিরতরে হারিয়ে যায়, তখন হৃদয়ের আকাশে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়, তা কখনো পূরণ হয় না।
মরহুম ছিলেন একজন নীরব কর্মী, সৎ, নীতিবান এবং পরোপকারী মানুষ। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তিনি পরিবার, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর বিনয়, আন্তরিকতা, ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা তাঁকে সকলের কাছে শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত করেছিল। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ, তাঁর শিক্ষা এবং তাঁর রেখে যাওয়া স্মৃতিগুলো প্রিয়জনদের হৃদয়ে চিরদিন জীবন্ত হয়ে থাকবে।
মরহুমের মৃত্যুতে সাপ্তাহিক দেশপ্রিয় পত্রিকার পক্ষ থেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।
এক শোকবার্তায় জনাব মোঃ সুলতান হোসেন খাঁনের প্রস্থান আমাদের গভীরভাবে মর্মাহত করেছে। একজন পিতার চলে যাওয়া মানে একটি সন্তানের মাথা থেকে সবচেয়ে নিরাপদ ছায়াটুকু সরে যাওয়া। পৃথিবীর সব সান্ত্বনা হয়তো মানুষের চোখের জল থামাতে পারে, কিন্তু বাবাকে হারানোর শূন্যতা কখনো পূরণ করতে পারে না। তাঁর মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মহান আল্লাহর দরবারে আমরা মরহুমের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করার জন্য প্রার্থনা করছি।”
তিনি আরও বলেন, “যে মানুষটি সারাজীবন পরিবারকে আগলে রেখেছেন, সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়েছেন, সেই মানুষটির বিদায় সত্যিই হৃদয়বিদারক। মৃত্যুর এই বেদনাময় মুহূর্তে ভাষা হারিয়ে ফেলে। শুধু মহান রবের কাছে প্রার্থনা- আল্লাহ যেন মরহুমের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন।”
আজ শোকাহত পরিবার যেমন একজন প্রিয় মানুষকে হারিয়েছে, তেমনি সমাজ হারিয়েছে একজন সজ্জন ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষকে। তাঁর চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। স্মৃতির পাতায়, দোয়ার মুনাজাতে এবং প্রিয়জনদের হৃদয়ের গভীরে তিনি বেঁচে থাকবেন আজীবন।
মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট প্রার্থনা জানাচ্ছে- তিনি যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন, কবরের আযাব মাফ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য, শক্তি ও ঈমানের সাথে এই কঠিন সময় অতিক্রম করার তাওফিক দান করেন। আমিন।














