ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

বাবার বোবা কান্না

রিপোর্টার আলমগীর হোসেন 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪ ৮২ বার পড়া হয়েছে

বাবার বোবা কান্না

গল্প

নারকেল গাছটি যেইদিন লাগিয়ে ছিলাম!

সেইদিন-ই আমার ছেলের জন্ম হয়। জন্মের সময় ওর মা মারা যায়। ছেলেকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে যাই। সারাক্ষণ তার পেছনে লেগে থাকতে হতো।

একদিন দেখি গাছটি পানির অভাবে মারা যাচ্ছে। আমার পরিস্কার মনে আছে যখন একটু পানি নিয়ে গাছটির কাছে গেলাম তখন-ই ছেলের কান্নার আওয়াজ কানে আসে। আমি তড়িঘড়ি করে পানি ফেলে দৌড়ে এসে ওর মুখে দুধের বোতল তুলে দেই।.

আসলে গাছটির উপর সেদিন বড় অবিচার করেছিলাম। সে ওসব মনে রাখেনি, আজও আমাকে নারকেল দেয়। এক জোড়া নারকেল চল্লিশ টাকা বিক্রি করে অনেকটা উপকার পাই।

কিন্তু আদরের দুলালের কাছে চল্লিশটি পয়সাও চাওয়ার সুযোগ পাই না।

কথাগুলো মনে পড়লে গাছটির গোড়ায় বসে মন ভরে কেঁদে নেই।

গাছটিকে জড়িয়ে ধরে চোখটাকে ঘষে মুছে নেই, বলি “নে আজ তোকে বড় মুল্যবান জল দিলাম, তুই দোয়া করিস তবুও যেন খোকা সুখে থাকে। কারণ আমিতো বাবা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবার বোবা কান্না

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

বাবার বোবা কান্না

গল্প

নারকেল গাছটি যেইদিন লাগিয়ে ছিলাম!

সেইদিন-ই আমার ছেলের জন্ম হয়। জন্মের সময় ওর মা মারা যায়। ছেলেকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে যাই। সারাক্ষণ তার পেছনে লেগে থাকতে হতো।

একদিন দেখি গাছটি পানির অভাবে মারা যাচ্ছে। আমার পরিস্কার মনে আছে যখন একটু পানি নিয়ে গাছটির কাছে গেলাম তখন-ই ছেলের কান্নার আওয়াজ কানে আসে। আমি তড়িঘড়ি করে পানি ফেলে দৌড়ে এসে ওর মুখে দুধের বোতল তুলে দেই।.

আসলে গাছটির উপর সেদিন বড় অবিচার করেছিলাম। সে ওসব মনে রাখেনি, আজও আমাকে নারকেল দেয়। এক জোড়া নারকেল চল্লিশ টাকা বিক্রি করে অনেকটা উপকার পাই।

কিন্তু আদরের দুলালের কাছে চল্লিশটি পয়সাও চাওয়ার সুযোগ পাই না।

কথাগুলো মনে পড়লে গাছটির গোড়ায় বসে মন ভরে কেঁদে নেই।

গাছটিকে জড়িয়ে ধরে চোখটাকে ঘষে মুছে নেই, বলি “নে আজ তোকে বড় মুল্যবান জল দিলাম, তুই দোয়া করিস তবুও যেন খোকা সুখে থাকে। কারণ আমিতো বাবা।