ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার।

বাবার বোবা কান্না

রিপোর্টার আলমগীর হোসেন 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

বাবার বোবা কান্না

গল্প

নারকেল গাছটি যেইদিন লাগিয়ে ছিলাম!

সেইদিন-ই আমার ছেলের জন্ম হয়। জন্মের সময় ওর মা মারা যায়। ছেলেকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে যাই। সারাক্ষণ তার পেছনে লেগে থাকতে হতো।

একদিন দেখি গাছটি পানির অভাবে মারা যাচ্ছে। আমার পরিস্কার মনে আছে যখন একটু পানি নিয়ে গাছটির কাছে গেলাম তখন-ই ছেলের কান্নার আওয়াজ কানে আসে। আমি তড়িঘড়ি করে পানি ফেলে দৌড়ে এসে ওর মুখে দুধের বোতল তুলে দেই।.

আসলে গাছটির উপর সেদিন বড় অবিচার করেছিলাম। সে ওসব মনে রাখেনি, আজও আমাকে নারকেল দেয়। এক জোড়া নারকেল চল্লিশ টাকা বিক্রি করে অনেকটা উপকার পাই।

কিন্তু আদরের দুলালের কাছে চল্লিশটি পয়সাও চাওয়ার সুযোগ পাই না।

কথাগুলো মনে পড়লে গাছটির গোড়ায় বসে মন ভরে কেঁদে নেই।

গাছটিকে জড়িয়ে ধরে চোখটাকে ঘষে মুছে নেই, বলি “নে আজ তোকে বড় মুল্যবান জল দিলাম, তুই দোয়া করিস তবুও যেন খোকা সুখে থাকে। কারণ আমিতো বাবা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাবার বোবা কান্না

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

বাবার বোবা কান্না

গল্প

নারকেল গাছটি যেইদিন লাগিয়ে ছিলাম!

সেইদিন-ই আমার ছেলের জন্ম হয়। জন্মের সময় ওর মা মারা যায়। ছেলেকে নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে যাই। সারাক্ষণ তার পেছনে লেগে থাকতে হতো।

একদিন দেখি গাছটি পানির অভাবে মারা যাচ্ছে। আমার পরিস্কার মনে আছে যখন একটু পানি নিয়ে গাছটির কাছে গেলাম তখন-ই ছেলের কান্নার আওয়াজ কানে আসে। আমি তড়িঘড়ি করে পানি ফেলে দৌড়ে এসে ওর মুখে দুধের বোতল তুলে দেই।.

আসলে গাছটির উপর সেদিন বড় অবিচার করেছিলাম। সে ওসব মনে রাখেনি, আজও আমাকে নারকেল দেয়। এক জোড়া নারকেল চল্লিশ টাকা বিক্রি করে অনেকটা উপকার পাই।

কিন্তু আদরের দুলালের কাছে চল্লিশটি পয়সাও চাওয়ার সুযোগ পাই না।

কথাগুলো মনে পড়লে গাছটির গোড়ায় বসে মন ভরে কেঁদে নেই।

গাছটিকে জড়িয়ে ধরে চোখটাকে ঘষে মুছে নেই, বলি “নে আজ তোকে বড় মুল্যবান জল দিলাম, তুই দোয়া করিস তবুও যেন খোকা সুখে থাকে। কারণ আমিতো বাবা।