অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বিষয় সম্পর্কে জেনে নিন!!!

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:১৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জুন ২০২৩ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

■■ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বিষয় সম্পর্কে জেনে নিন!!!
●● ০১]] অনেকেই আমার কাছে ওহাবি কাকে
বলে জানতে চেয়েছেন!! জেনে নিনঃ ওহাবিদের
পরিচয়(সংক্ষিপ্ত আলোচনা)!!
■■ ওহাবী পরিচিতিঃ
আমরা সব সময় একটা কথা বলে থাকি এটা ওহাবীদের কাজ বা ওহাবী আক্বীদা বা ওহাবী মতবাদ। আর এই ওহাবী কারা সেটাও আমাদের জানা অনেকটা প্রয়োজন। ওহাবী হলো মূলত প|থভ্র|ষ্ট একটি নামধারী ইসলামিক দল। যারা সবসময় আমাদের ঈমান, আকিদা ও আমল নষ্ট করেই ক্ষান্ত হয়নি! বরং আমাদের প্রিয় নাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবা(রাঃ) গণ সহ সালাফ এবং ওলী-অল্লাহদের সানে বেয়াদবী করে আসছে ও কে|য়াম|ত
পর্যন্ত তা করতে থাকবে। এরা হলো “ফেরকায়ে বাতেলা” বা অতীতের “খারেজী সম্প্রদায়” এর আধুনিক ও আপডেটেড ভার্সন!!
■■ ওহাবী মতবাদঃ
হিজরী দ্বাদশ শতকের ১১১১ হিজরীতে আরবের নজদ নামক স্থানে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওহাব নজদী নামের এক লোকের আবির্ভাব ঘটে। সে যে মতবাদ প্রচার করেছিলো এটাই ওহাবী আন্দোলন ও ওহাবী সমপ্রদায় নামে অভিহিত! ইসলামের প্রাথমিক যুগ হতে আরম্ভ করে এখন পর্যন্ত পবিত্র ইসলামী সমাজে যে সব ফি|ৎনা ফ্যা|সাদের সম্মুখীন হয়েছে–তাদের মধ্যে এই ওহাবী ফেৎনা অত্যন্ত জ|ঘন্য|তম! আমাদের প্রিয় না|বী সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম পূর্বেই এ ফি|ৎনা সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছেন।
●● মিশকাত শরীফের “জিকরুশশাম আল ইয়ামান” অধ্যায়ের ৫৮২ নং পৃষ্ঠা। হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, এক সময় রাসুলে পাক সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ প্রসঙ্গে এরশাদ করলেনঃ
——-“হে আল্লাহ্ ! আপনি আমাদের শাম দেশে বরকত দান করুন। হে আল্লাহ্ ! আপনি আমাদের ইয়েমেন দেশে বরকত দান করুন!” সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) গণ আরজ করলেনঃ “ইয়া রসূল্লাহ সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাদের নজদের জন্য বরকতের দু’আ করুন। কিন্তু আমাদের নাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম রহমাতাল্লিল আ’লামীন পুনরায় শাম এবং ইয়েমেন দেশের জন্য দু’আ করলেন। সাহাবায়ে কেরাম(রাঃ) গণ পুনরায় নজদের জন্য নাবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে দু’আ প্রার্থনা করলেন। হাদীসটি বর্ননাকারী হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাঃ) বলেনঃ রসূলে পাক সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম তৃতীয় বারে ইরশাদ করলেনঃ
——-“সেখানে (নজদে) ভূ-কম্পন ও বহু ফি|ৎনা ফ্যা|সাদ হবে। সেখান হতে শয়তানের শিং (দল) বের হবে।”
■▪উক্ত হাদীসের আলোকে(বুখারী শরীফ) অনেক হাদীস বিশারদের মতে উপরোল্লেখিত হাদীসে এই ওহাবী ফি|ৎনা সম্পর্কে ভবিষ্যৎবানী করা হয়েছে!!
—–(হাদীসের ব্যাখ্যা গ্রন্থ (দেখুন মেরকাত শরহে মেশকাত ৮ম খন্ড, পৃষ্ঠা নং – ৫৭৯ ও জখিরায়ে কারামত ২য় খন্ড, পৃষ্ঠা নং -৭)
■■ সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমরা যারা জোর দাবী করি,
আমরা হানাফী মাযহাবের অনুসারী! যদি তাই হয়, সহি দাবি করে থাকেন, তাহলে হানাফী মাযহাবের সবচেয়ে প্রসিদ্ব ও অন্যতম গ্রহণযোগ্য ফতোয়ার কিতাব হলো “ফতোয়ায়ে শামী।” এই কিতাবের ৬ষ্ঠ খন্ডের ৪১৩ নং পৃষ্ঠায় “বাবুল বোগাতে” ওহাবী ফি|ৎনা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
●● আরো পাবেন তাফসীরে সাবী ৩য় খন্ড ২৮৮ পৃষ্ঠা। এরা নজদ শহর হতে আত্ম প্রকাশ করে মক্কা ও মদীনা শরীফের উপর বিজয়ী হয়েছিলো। এরা নিজেদেরকে হাম্বলী মাজহাব বলে দাবী করতো। কিন্তু তারা বিশ্বাস করতো যে, তারাই হল একমাত্র সঠিক এবং পরিপূর্ণ মুসলমান এবং তাদের সকল আক্বীদার বিরুদ্ধাচরনকারীগণ সকলেই মু|শরি{ক! আর তারা তাদের বিরুদ্ধাচরনকারীগণ মুসলমান হলেও এবং ওলামাদিগকে হ|ত্যা করা তারা হালাল মনে করত এবং এভাবে তারা (ওহাবিরা) মক্কা ও মদীনাবাসীদের উপর ভীষণ জু|লু|ম এবং অ|ত্যাচা|র করেছে।
■■ বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মাদ্রাসায় উসূলে ফিকাহর পাঠ্য কিতাব হিসেবে “নূরুল আনোয়ার” নামক একটি কিতাব পড়ানো হয়। উক্ত কিতাবের ২৫১ নং পৃষ্ঠায় ১৩ নং হাশিয়া বা পাশর্্বটিকায় ওহাবীদের সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ-
——-“তাদের (রাফেজী, খারেজী ও মো’তাজেলা ইত্যাদি বাতিল ফেরকার) মত ওহাবী সমপ্রদায়ও একটি প|থভ্র|ষ্ট দল! যারা রসূলে পাক সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম এর শাফা’আতকে অস্বীকার করে! নাউজুবিল্লাহ!!”
■▪কত বড় জঘন্য ফি|ৎনা তারা আমার/আপনার দয়াল নবীর শানে প্রচার করছে! অথচ নাবীর শাফা’আত ছাড়া শুধু মানুষই নয় অন্য কোন নাবীরাও এমনকি যারা দুনিয়া থেকেই বেহেশত্দের সুসংবাদ নিয়ে গেছেন, আল্লাহর কাছ থেকে তারাও নকবীর শাফা’আত ছাড়া বেহেশতে যেতে পারবেন না!!
■■ অথচ আমার/আপনার প্রিয় নাবী রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
——-“আমার উম্মতের কবীরা গু|নাহকারীর জন্য আমার শাফা’আত রয়েছে।”
—–(তিরমিযী, অধ্যায় আল- জামিঃ ২/৬৬ এছাড়াও এ হাদীসটি আবু-দাউদ শরীফেও রয়েছে।)
●● ওহাবী ও অন্যান্ন কিছু শ|য়তা|নের দলের মুরব্বীদের আক্বীদা হলো পীর/মুরীদি মানা না-জায়েজ! নাউজুবিল্লাহ! অথচঃ এই লোকটার কথা যারা শুনছে বা মানছে মূলতঃ প্রকারন্তরে তারাও তাকে মানার কারণে না-জায়েজ কাজই করছে!
●▪তাদের প্রতি আমার করুনা ও কষ্ট হয়! তারা কত বড় ফা|সিক ও পথভ্রষ্ট! আর তারা পীর/মুর্শিদ মানে না বলেই তারা আজ প|থভ্র|ষ্ট! কারণ তাদের বর্তমান পীড় হলো খোদ শ|য়তা|ন।!
●● তাদের মতে পীড় মুরীদি না জায়েজ-ই শুধু নয়! বরং শি|র|ক! নাউজুবিল্লাহ্।
■■ মহান আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
——-“তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আর আল্লাহর পথে নৈকট্য/ওসীলা অন্বেষণ/ তালাশ কর।”
—–(সুরা আল-মায়িদাঃ ৩৫)
●● শাফা’আতের একমাত্র মালিক আমার/আপনার প্রিয় নাবী রসূল সল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়াসাল্লাম। আর ওসীলা তালাশ করতে বলেছেন স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা! আর তাঁরা হলেন ওলি-আল্লাহ বা পীর-মুরশিদ (ইমাম)। কারণ ওসীলা ছাড়া নাবীর সাফা’আত মিলবে না।
■■ মহান আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র বলেনঃ
——-“স্বরণ কর ওই দিন (হাশরের দিন) প্রত্যেককে আমি তাদের ইমাম/দলনেতার সাথে আহ্বান করব এবং তাদের ডান হাতে আমল নামা দেওয়া হবে তারা পাঠ করবে এবং তাদের প্রতি সামান্য পরিমান জু|লু|
















