ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এক রাতে বিশ্বজুড়ে হাই কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো হয়: সাহাবুদ্দিন কেরানীগঞ্জে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনার পর এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা  পটুয়াখালীর উলানিয়া বন্দর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা।  টোকেনের নামে অটোরিকশা থেকে অর্থ আদায়: নাঙ্গলকোটে চাঁদাবাজির অভিযোগ মোগরা পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী আশরাফ উদ্দিন সাহেবের পক্ষ থেকে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়েছে।

এ কেমন এম.বি.বি.এস ডাক্তার!প্রেসক্রিপশন লিখে বাংলায় তাও জঘন্যতম হাতের লিখা

রিপোর্টার:-মোঃআরাফাত হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:০২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

এ কেমন এম.বি.বি.এস ডাক্তার!প্রেসক্রিপশন লিখে বাংলায় তাও জঘন্যতম হাতের লিখা

ডা:তপন কুমার দাশগুপ্ত

এম.বি.বি.এস। নিবন্ধন নং – ৪১৩৪

বাংলাদেশের একমাত্র এম.বি.বি.এস ডাক্তার হয়তো ডা:তপন কুমার দাসগুপ্ত।
উমেশ ভবন, হবিগঞ্জ তার চেম্বার।
ঔষধের নাম লিখে বাংলায় তাও আবার জঘন্যতম হাতের লিখা।
লেখা দেখলে মনে হয় ক্লাস ১ এর বাচ্চারা কিছু লিখে রেখেছে।

তার এম.বি.বি.এস পদবীর সাথে লিখা নেই সে কোথায় থেকে এম.বি.বি.এস পাশ করছে।

সে সত্যি এম.বি.বি.এস ডাক্তার নাকি তা নিয়ে ও প্রশ্ন যাগে!

এ বিষয়ে তদন্ত করা দরকার।
এবং তাদের আইনের আওতায় এনে যদি সত্যি এম.বি.বি.এস ডাক্তার হয়ে থাকে তাহলে তাদের প্রেসক্রিপশন লিখার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া দরকার।

কারন এ ধরনের প্রেসক্রিপশন লেখার কারনে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।একটার পর একটা ঔষধের দোকানে ঘুরে ঘুরে ও ঔষধ খুজে পায় না।

রোগের চিকিংসার সঠিক ঔষধের জন্য প্রেসক্রিপশন অনুস্মরণ করতে ঝামেলায় পরতে হয় সাধারণ রোগিদের।

টাকা দিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে যদি চিকিৎসকের দেওয়া প্রেসক্রিপশন এর ঔষধ সঠিক ভাবে বুঝতে না পেরে ভোগান্তিতে পরতে হয় তবে, এইসমস্ত নাম মাত্র এম.বি.বি.এস ডাক্তার দেখিয়ে লাভ কী!

এ সমস্ত নাম মাত্র এম.বি.বি.এস ডাক্তারের চেয়ে বাংলাদেশের পল্লী চিকিৎসকের কাছে থেকে চিকিৎসা সেবা নেওয়া অনেক ভালো।
বাংলাদেশে পল্লী চিকিৎসক গন যুগ যুগ ধরে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন এবং করোনা কালিন সময়ে তারা ছিলো যোদ্ধা, কিন্তুু তাদের সরকারের পক্ষ থেকে কোন মূল্যয়ন করা হয় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এ কেমন এম.বি.বি.এস ডাক্তার!প্রেসক্রিপশন লিখে বাংলায় তাও জঘন্যতম হাতের লিখা

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:০২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৩

এ কেমন এম.বি.বি.এস ডাক্তার!প্রেসক্রিপশন লিখে বাংলায় তাও জঘন্যতম হাতের লিখা

ডা:তপন কুমার দাশগুপ্ত

এম.বি.বি.এস। নিবন্ধন নং – ৪১৩৪

বাংলাদেশের একমাত্র এম.বি.বি.এস ডাক্তার হয়তো ডা:তপন কুমার দাসগুপ্ত।
উমেশ ভবন, হবিগঞ্জ তার চেম্বার।
ঔষধের নাম লিখে বাংলায় তাও আবার জঘন্যতম হাতের লিখা।
লেখা দেখলে মনে হয় ক্লাস ১ এর বাচ্চারা কিছু লিখে রেখেছে।

তার এম.বি.বি.এস পদবীর সাথে লিখা নেই সে কোথায় থেকে এম.বি.বি.এস পাশ করছে।

সে সত্যি এম.বি.বি.এস ডাক্তার নাকি তা নিয়ে ও প্রশ্ন যাগে!

এ বিষয়ে তদন্ত করা দরকার।
এবং তাদের আইনের আওতায় এনে যদি সত্যি এম.বি.বি.এস ডাক্তার হয়ে থাকে তাহলে তাদের প্রেসক্রিপশন লিখার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া দরকার।

কারন এ ধরনের প্রেসক্রিপশন লেখার কারনে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।একটার পর একটা ঔষধের দোকানে ঘুরে ঘুরে ও ঔষধ খুজে পায় না।

রোগের চিকিংসার সঠিক ঔষধের জন্য প্রেসক্রিপশন অনুস্মরণ করতে ঝামেলায় পরতে হয় সাধারণ রোগিদের।

টাকা দিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে যদি চিকিৎসকের দেওয়া প্রেসক্রিপশন এর ঔষধ সঠিক ভাবে বুঝতে না পেরে ভোগান্তিতে পরতে হয় তবে, এইসমস্ত নাম মাত্র এম.বি.বি.এস ডাক্তার দেখিয়ে লাভ কী!

এ সমস্ত নাম মাত্র এম.বি.বি.এস ডাক্তারের চেয়ে বাংলাদেশের পল্লী চিকিৎসকের কাছে থেকে চিকিৎসা সেবা নেওয়া অনেক ভালো।
বাংলাদেশে পল্লী চিকিৎসক গন যুগ যুগ ধরে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন এবং করোনা কালিন সময়ে তারা ছিলো যোদ্ধা, কিন্তুু তাদের সরকারের পক্ষ থেকে কোন মূল্যয়ন করা হয় না।