ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে’

স্টাফ রিপোর্টার: মেহেদী হাসান
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

‘বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে

 

 

‘বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে’

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেছেন, যদি তারা (বিএনপিকে ইঙ্গিত করে) নির্বাচনে আসে সেক্ষেত্রে আমরা বিবেচনা করবো। আমাদের সুযোগ আছে নির্বাচন পেছানোর। কারণ পরে যথেষ্ট সময় আছে।

 

বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শতভাগ দল নিয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা আছে কীনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শতভাগ কখনই আসেনি, ইতিহাস বলে। অধিকাংশ দল নির্বাচন করে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বরাবরই আহ্বান জানাচ্ছি, নিবন্ধিত ৪৪টি দলের সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।

 

বিএনপি নির্বাচনে না এলে প্রভাব পড়ার কোনো আশঙ্কা আছে কীনা এমন প্রশ্নে ইসি আনিছুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে আসা তথ্য অনুযায়ী ৭০ ভাগ দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা উঠছে। ৭০ ভাগ যদি হয়ে থাকে, যদিও কতভাগ সেটি নির্বাচন কমিশন বিশ্লেষণ করেনি। যদি ৭০ ভাগই অংশ নিয়ে থাকে তবে নির্বাচনে প্রভাব পড়ার কোনো কারণ নেই।

 

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন হওয়ার মতো কিছু দেখছি না। যেহেতু একটা চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচি আছে, সেটাকে কেন্দ্র করে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ঘটনা হয়েছে। সেটার সঙ্গে নির্বাচনকে মেলানো ঠিক হবে না। এটা নির্বাচনকে উপলক্ষ্য করেই যে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন করছে এমন কিছু পরিলক্ষিত হয়নি। নির্বাচন কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার জন্য নির্বাচন করতে হবে, না হয় সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। নিশ্চয়ই এটা আমাদের কাম্য হতে পারে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে’

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

‘বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে

 

 

‘বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে’

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেছেন, যদি তারা (বিএনপিকে ইঙ্গিত করে) নির্বাচনে আসে সেক্ষেত্রে আমরা বিবেচনা করবো। আমাদের সুযোগ আছে নির্বাচন পেছানোর। কারণ পরে যথেষ্ট সময় আছে।

 

বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শতভাগ দল নিয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা আছে কীনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শতভাগ কখনই আসেনি, ইতিহাস বলে। অধিকাংশ দল নির্বাচন করে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বরাবরই আহ্বান জানাচ্ছি, নিবন্ধিত ৪৪টি দলের সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।

 

বিএনপি নির্বাচনে না এলে প্রভাব পড়ার কোনো আশঙ্কা আছে কীনা এমন প্রশ্নে ইসি আনিছুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে আসা তথ্য অনুযায়ী ৭০ ভাগ দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা উঠছে। ৭০ ভাগ যদি হয়ে থাকে, যদিও কতভাগ সেটি নির্বাচন কমিশন বিশ্লেষণ করেনি। যদি ৭০ ভাগই অংশ নিয়ে থাকে তবে নির্বাচনে প্রভাব পড়ার কোনো কারণ নেই।

 

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন হওয়ার মতো কিছু দেখছি না। যেহেতু একটা চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচি আছে, সেটাকে কেন্দ্র করে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ঘটনা হয়েছে। সেটার সঙ্গে নির্বাচনকে মেলানো ঠিক হবে না। এটা নির্বাচনকে উপলক্ষ্য করেই যে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন করছে এমন কিছু পরিলক্ষিত হয়নি। নির্বাচন কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার জন্য নির্বাচন করতে হবে, না হয় সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। নিশ্চয়ই এটা আমাদের কাম্য হতে পারে না।