ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে’

স্টাফ রিপোর্টার: মেহেদী হাসান
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

‘বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে

 

 

‘বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে’

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেছেন, যদি তারা (বিএনপিকে ইঙ্গিত করে) নির্বাচনে আসে সেক্ষেত্রে আমরা বিবেচনা করবো। আমাদের সুযোগ আছে নির্বাচন পেছানোর। কারণ পরে যথেষ্ট সময় আছে।

 

বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শতভাগ দল নিয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা আছে কীনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শতভাগ কখনই আসেনি, ইতিহাস বলে। অধিকাংশ দল নির্বাচন করে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বরাবরই আহ্বান জানাচ্ছি, নিবন্ধিত ৪৪টি দলের সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।

 

বিএনপি নির্বাচনে না এলে প্রভাব পড়ার কোনো আশঙ্কা আছে কীনা এমন প্রশ্নে ইসি আনিছুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে আসা তথ্য অনুযায়ী ৭০ ভাগ দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা উঠছে। ৭০ ভাগ যদি হয়ে থাকে, যদিও কতভাগ সেটি নির্বাচন কমিশন বিশ্লেষণ করেনি। যদি ৭০ ভাগই অংশ নিয়ে থাকে তবে নির্বাচনে প্রভাব পড়ার কোনো কারণ নেই।

 

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন হওয়ার মতো কিছু দেখছি না। যেহেতু একটা চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচি আছে, সেটাকে কেন্দ্র করে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ঘটনা হয়েছে। সেটার সঙ্গে নির্বাচনকে মেলানো ঠিক হবে না। এটা নির্বাচনকে উপলক্ষ্য করেই যে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন করছে এমন কিছু পরিলক্ষিত হয়নি। নির্বাচন কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার জন্য নির্বাচন করতে হবে, না হয় সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। নিশ্চয়ই এটা আমাদের কাম্য হতে পারে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে’

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৩

‘বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে

 

 

‘বিএনপি যদি আসে সেক্ষেত্রে নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে’

নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেছেন, যদি তারা (বিএনপিকে ইঙ্গিত করে) নির্বাচনে আসে সেক্ষেত্রে আমরা বিবেচনা করবো। আমাদের সুযোগ আছে নির্বাচন পেছানোর। কারণ পরে যথেষ্ট সময় আছে।

 

বুধবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শতভাগ দল নিয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা আছে কীনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শতভাগ কখনই আসেনি, ইতিহাস বলে। অধিকাংশ দল নির্বাচন করে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বরাবরই আহ্বান জানাচ্ছি, নিবন্ধিত ৪৪টি দলের সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।

 

বিএনপি নির্বাচনে না এলে প্রভাব পড়ার কোনো আশঙ্কা আছে কীনা এমন প্রশ্নে ইসি আনিছুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে আসা তথ্য অনুযায়ী ৭০ ভাগ দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা উঠছে। ৭০ ভাগ যদি হয়ে থাকে, যদিও কতভাগ সেটি নির্বাচন কমিশন বিশ্লেষণ করেনি। যদি ৭০ ভাগই অংশ নিয়ে থাকে তবে নির্বাচনে প্রভাব পড়ার কোনো কারণ নেই।

 

নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন হওয়ার মতো কিছু দেখছি না। যেহেতু একটা চলমান রাজনৈতিক কর্মসূচি আছে, সেটাকে কেন্দ্র করে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ঘটনা হয়েছে। সেটার সঙ্গে নির্বাচনকে মেলানো ঠিক হবে না। এটা নির্বাচনকে উপলক্ষ্য করেই যে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্ন করছে এমন কিছু পরিলক্ষিত হয়নি। নির্বাচন কারও জন্য অপেক্ষা করবে না। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার জন্য নির্বাচন করতে হবে, না হয় সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হবে। নিশ্চয়ই এটা আমাদের কাম্য হতে পারে না।