মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভায় নগরবাসীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো উন্মুক্ত আলোচনা সভা।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫ ১২৫ বার পড়া হয়েছে

১২/০৩/২০২৫ইং মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভায় নগরবাসীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো উন্মুক্ত আলোচনা সভা।আজ ১২মার্চ রোজ বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় মিরকাদিম পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ড উত্তর কাগজিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পৌরসভা প্রশাসনের উপস্থিতিতে আলোচনা শুরু হয়।আলোচনার শুরুতে বক্তব্য রাখেন মিরকাদিম পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব, এ. কে. এম. বজলুর রশিদ।আলোচনা শুরুতে তিনি বলেন বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি না থাকায় পৌরসভার কর্মচারী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়ার্ডের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।পৌরসভায় জনপ্রতিনিধি না থাকায় আপনাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনার জন্য আজ আমরা আপনাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছি।আজকের এই উন্মুক্ত আলোচনা সভায় আপনারা আপনাদের সকল সমস্যা সুবিধা অসুবিধার কথা বলবেন।সে বিষয়গুলি আমরা নোট করে নিয়ে যাব এবং সমস্যার সমাধানে জন্য বর্তমান মিরকাদিম পৌরসভার প্রশাসক জনাব, মাহবুবুর রহমান স্যারের সাথে সঠিক সমাধানের জন্য আলোচনা করা হবে।আপনারও আপনাদের হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভেট পরিশোধের মাধ্যমে আমাদের কার্যক্রম দ্রুত পরিচালনার জন্য সহযোগিতা করবেন।এরপরে একে, একে উপস্থিত সাবেক জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় হয়।মিরকাদিম পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডবাসি উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী নগরবাসীর পক্ষে কয়েকজন তাদের মতামত তুলে ধরে।তাদের আলোচনায় উঠে আসে নগরবাসীর দুঃখ-দুর্দশা,সুবিধা অসুবিধার নানা বিষয়।এ সময় আমি উপস্থিত থাকায় ৭ নং ওয়ার্ডবাসীর পক্ষ থেকে একজন রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে।মিরকাদিম পৌরসভায় আমার দেখা কিছু পর্যবেক্ষণের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।যাহা ১/বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনবান্ধব প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে জনগণের সু-সম্পর্ক বাস্তবায়ন করতে হবে।২/পৌরসভা কেন্দ্রিক নাগরিক সকল সুযোগ সুবিধা নিশ্চিতের জন্য দ্রুত প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩/প্রতিবন্ধী ভাতা ও বয়স্ক ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বজন প্রীতির ঊর্ধ্বে যেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তিদের সনাক্ত করে প্রদান করতে হবে।
৪/বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে নিতে হবে।গৃহস্থালি বর্জ্য পরিষ্কারের জন্য পূর্বের নির্ধারিত মাসিক ভ্যান ভাড়া ১০০ টাকা চাঁদার পরিবর্তে নামমাত্র মূল্যে অথবা কোন কোন ক্ষেত্রে ফ্রিতে গৃহস্থালি বর্জ আনতে হবে।৫/দ্রুত জলবদ্ধতা নিরসনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ রাস্তা নির্মাণ করতে হবে।তা না হলে দিন দিন জমে থাকা পানি থেকে পচা দুর্গন্ধ সহ মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পায়।৬/পৌরসভা কর্তৃক নাগরিক সেবা সহ যে সকল কাগজপত্র ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।নাগরিক প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে অযথা ঘুরানো ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে।৭/পৌরসভার সকল নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পর বিভিন্ন স্তরভিত্তিক জনবান্ধব হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করতে হবে।অতিরিক্ত হোল্ডিং ট্যাক্স বন্ধ করতে হবে।৮/হোল্ডিং ট্যাক্স দেওয়া হয়েছে কিনা সেটা নিশ্চিত করার জন্য বাড়ি বাড়ি যেয়ে যদি খোঁজ নেওয়া যায়।একজন হোল্ডিং মালিক নাগরিক সকল সুযোগ-সুবিধা পেল কিনা সেই বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া পৌরসভার কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।৯/পৌরসভা কর্তৃক টিসিবি বা ন্যায্য মূল্যের পন্য বিতরণের ক্ষেত্রে স্বজন প্রীতির উর্ধ্বে যেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকা সংস্কার করেত হবে।১০/পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নাগরিকদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আরো আন্তরিক ভূমিকা পালন করতে হবে।

















প্রবাদ আছে,মুখে মধু অনতরে বিষ??
কয়লা না ধুইলে হয় ময়লা??
কুকুরের লেজ এক টিন ঘি দিয়ে মাখলে সোজা হবে না??
বুজলে বোজ পাতা, না বুজলে তেজপাতা।
পৌরসভার পরিচালনার জন্য জরুরী ভিত্তিতেএকজন ভালোও যোগ্য পরিচালক দরকার।