মুন্সীগঞ্জের টুঙ্গিবাড়ী উপজেলায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন দুইজন গ্রেফতার।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:০২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জের টুঙ্গিবাড়ী উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুভাষ চন্দ্রে পাল নামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বসত বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া কৌতল সৃষ্টি হয়েছে।ভুক্তভোগী সুভাষ চন্দ্রে পাল এর বর্ণনা অনুযায়ী ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৪/০১/২০২৪ ইং রাত আনুমানিক ৯:১৫ মিনিট সময়।তিনি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মীরকাদিম বাজারের ক্ষুদ্র স্বর্ণ ব্যবসায়ী।প্রতিদিনের মতো দোকান থেকে রাতে বাসায় আসার সময় কাস্টমারের বানাতে দেওয়া কিছু অলংকার বাসায় এনে কাজ করেন।সেই সুবাদে ঐদিন রাতেও দোকানে থাকা কিছু স্বর্ণালংকার বাড়িতে এনে রাখেন।ঐদিনও যথারীতি স্বর্ণালংকার বাসায় রেখে,কোন কাজের উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান সাহেবের ভাই রাসেল মিয়ার সাথে দেখা করতে যান।এই সুযোগে তার ঘরে চুরি হয় বলে তিনি দাবি করেন।তিনি বাহিরে থাকাকালে চাচা ফোনে কল করে বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানান।সুভাষ চন্দ্র পালের স্ত্রী জানান রাতে কোন এক সময় ঘরের জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে চোর চক্রের কেউ।তারপর রাতের খাবারের মধ্যে ঘুমের ট্যাবলেট বা চেতনা নাশক ওষুধ প্রয়োগ করে রেখে যায়।রাতের খাবার খেয়ে আমরা ঘুমিয়ে পড়লে,সুকৌশলে ঘরে ঢুকে ঘরে থাকা কাস্টমারের বানানো গচ্ছিত গহনার সর্বমোট( তিন ভরি দশ আনা) স্বর্ণালংকার সহ ও নগদ ২২২০০ টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।এদিকে চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন দুইজন গ্রেফতার জেলা জুতা প্রেরণ করেছেন টুঙ্গিবাড়ি থানা পুলিশ।আব্দুলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের জননন্দিত চেয়ারম্যান জনাব রহিম জানান এই বিষয়ে আমি অবগত আছি।চোর ধরে থানায় পাঠিয়ে দিয়েছি আমরা।এখন পুলিশ তাদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবেন আশা করি।যাতে করে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।আব্দুল্লাপুর এক নং ওয়ার্ডের মেম্বার কৃষ্ণ দে এর কাছ থেকে ও এই ঘটনার সততা পাওয়া যায়।ওয়ার্ডের মেম্বার কৃষ্ণ দে আরও বলেন কিছুদিন যাবত এই এলাকায় চুরির উপদ্রব বেড়েছে।এলাকাবাসী চোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ প্রায়।এই স্বর্ণচুরির ঘটনা ঘটার কয়েকদিন পরে তেলের দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে।তেল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে একজনকে আটক করে স্থানীয়রা।পরে আটককৃত চোরকে গণধোলাই দিয়ে নিয়ে আসা হয় পরিষদে।চোরের পরিচয় সনাক্ত করার পর চোরের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আরো কয়েকজন কে অর্থ ও স্বর্ণ চুরির সাথে সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায় উপস্থিত থাকা ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার কৃষ্ণ দে সহ পরিষদের গণ্যমান্যরা।এদিকে চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন গ্রেফতার কৃতদের মধ্যে দুইজনের একজন হলেন ভুক্তভোগীর পার্শ্ববর্তী মোল্লা বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর লতিফ মোল্লা (৪০) ও আব্দুল্লাহপুর ২ নং ওয়ার্ডের এর বাসিন্দা ইজি বাইক চালক বাবু মণ্ডল (২৫)।স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুভাষ চন্দ্র পাল বলেন আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।স্বর্ণ অলংকার বানাতে দেওয়া কাস্টমারের গচ্ছিত স্বর্ণ আমার ঘর থেকে চুরি হয়েছে। কাস্টমারকে আমি কি জবাব দেব।যারাই এই চুরির সাথে জড়িত।আমি তাদের সকলের বিচার চাই।সন্দেহভাজন আটককৃত আসামিদের পরিবার গুলির দাবি।মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জন ক্ষম ব্যক্তিকে ফাঁসানো হয়েছে।তাদের ধারণা পূর্বের শত্রুতার জের ধরে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাদেরকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এগুলো করেছে।আসামিদের পরিবারের পক্ষ থেকে আরো বলেন চুরির ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের বিচার আওতায় আনা হোক আমরা ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা ব্যক্ত করছি।
















