ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ ভাংচুর, আহত ৩০

এম কে খোকন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জুয়া খেলার টাকা বন্টন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই গোষ্ঠির মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা জেলা সদরসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।মঙ্গলবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার বিরাশার পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ১০টি বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও অন্তত ৩০টি বাড়ি লুটপাট হয়।সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে জুয়া খেলা নিয়ে কাশেম মাস্টার ও বাবুল মিয়ার গোষ্ঠীর সদস্য আল আমিনের সঙ্গে তাজ মোহাম্মদ ইয়াছিন ও দুলাল আনসারি গোষ্ঠীর সদস্য নুরুল্লা এবং সুজনের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সোমবার সকালে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে মঙ্গলবার সকাল থেকে উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্রের পাশাপাশি বিদেশি পিস্তলের ব্যবহার করতেও দেখা যায়। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০টি বাড়ি ঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ সময় চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ জানান, জুয়া খেলার ঘটনা নিয়ে একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে সংর্ঘষের সূত্রপাত হয়। সোমবার সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ব্যর্থ হই। আজ কয়েকভাবে বিভক্ত হয়ে তারা সংর্ঘষে লিপ্ত হয়।এদিকে আড়াই ঘন্টার বেশি সংঘর্ষের খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ সহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় দাঙ্গাবাজদের হামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মো. সোহেল সহ ৪ পুলিশ সদস্য ও উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রামের একাধিক পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধারসহ ৩ জনকে আটক করেছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় বিপুল পরিমান অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ ভাংচুর, আহত ৩০

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জুয়া খেলার টাকা বন্টন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে দুই গোষ্ঠির মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয়পক্ষের ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা জেলা সদরসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।মঙ্গলবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার বিরাশার পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ১০টি বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও অন্তত ৩০টি বাড়ি লুটপাট হয়।সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে জুয়া খেলা নিয়ে কাশেম মাস্টার ও বাবুল মিয়ার গোষ্ঠীর সদস্য আল আমিনের সঙ্গে তাজ মোহাম্মদ ইয়াছিন ও দুলাল আনসারি গোষ্ঠীর সদস্য নুরুল্লা এবং সুজনের বাগবিতণ্ডা হয়। পরে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সোমবার সকালে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে মঙ্গলবার সকাল থেকে উভয় গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্রের পাশাপাশি বিদেশি পিস্তলের ব্যবহার করতেও দেখা যায়। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০টি বাড়ি ঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এ সময় চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ জানান, জুয়া খেলার ঘটনা নিয়ে একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে সংর্ঘষের সূত্রপাত হয়। সোমবার সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ব্যর্থ হই। আজ কয়েকভাবে বিভক্ত হয়ে তারা সংর্ঘষে লিপ্ত হয়।এদিকে আড়াই ঘন্টার বেশি সংঘর্ষের খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশ সহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় দাঙ্গাবাজদের হামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মো. সোহেল সহ ৪ পুলিশ সদস্য ও উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গ্রামের একাধিক পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধারসহ ৩ জনকে আটক করেছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় বিপুল পরিমান অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।