ঢাকা ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান

চুয়াডাঙ্গায় এবার গরমের উত্তাপ কাঁচা বাজারে

মোঃ মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

তীব্র তাপপ্রবাহের অজুহাতে চুয়াডাঙ্গার বাজারে বেড়েছে ধরনের সবজি, মাংস ও প্যাকেটজাত মসলার দাম। ঈদের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দাম কমেনি নিত্যপণ্যে। এজন্য কারণ হিসেবে প্রচণ্ড গরমকেই দায়ী করছেন বিক্রেতারা। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার নিচের বাজারসহ বিভিন্ন বাজারের এই দামের চিত্র দেখা গেছে।শহরের নিচের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা তীব্র তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় বাজারে সবজির দামেও লেগেছে আগুনের আঁচ। সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে কেজিতে এখন বেগুনের দাম ৮০ টাকা কেজি। উচ্ছের দামে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ টাকা বাড়তি। তীব্র তাপদাহের কারণে সবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অজুহাত দেখিয়ে সবজির দাম ইচ্ছামতো হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। এতে সাধারণ ক্রেতারা সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। একদিকে তীব্র তাপদাহে পুড়ছে জনজীবন। অপরদিকে অস্বস্তি সবজির দামে। দাম বেড়েছে সব ধরনের প্যাকেজাত মসলার দাম। প্রতি প্যাকেটে ১০ টাকা বাড়তি। আর অন্যান্য প্যাকেটজাত খাদ্য পণ্যে ২ টাকা বাড়তি। তবে খোলা বাজারের মসলা ও অন্যান্য সব ধরনের নিত্য পণ্যের দাম কিছুটা নাগালের মধ্যে আছে। গেল রমজান মাস থেকে দাম বেশি সব ধরনের ডালের দাম। কেজিতে ২০ টাকা বাড়তি হয়ে ডাল বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই। লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের দাম ১৭৩ টাকা করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।আর গরুর মাংসের দাম আগের মতো করে ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে খাসির মাংসের দাম কেজিতে ১ হাজার টাকা। তবে স্বস্তি ফিরেছে এই সপ্তাহে মাছের বাজারে। ব্রয়লার মুরগিসহ সব ধরনের মুরগির মাংসের দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। প্যারিস মুরগির দাম কেজিতে ২০০ টাকা বাড়তি হয়ে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। একইসাথে দাম কমেছে ডিম, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কাচঁ ঝাল, আটা ও চালের বাজারে।বাজারে আসা এক ক্রেতা চদন চক্রবর্তী বলেন, বাজারের কাঁচা সবজির দাম অনেক বেশি। আবার দাম বাড়তি মাংসের। এই তীব্র গরমের মধ্যে সবজি দামেও অনেক। ঈদের আগেও বাজারের যে দাম ছিল, সেই একইভাবে সব জিনিসের দাম বাড়তি। এই দাম বাড়তে থাকলে খুব অসুবিধার মধ্যে পড়ে যাচ্ছি।অপর ক্রেতা মাহাফুজুর রহমান বলেন, ঈদের পর থেকেই আর বাজারে মনিটরিং করা হয়নি। তাই জিনিসের দাম আর কমার কোনো অবস্থা দেখছি না। বাজারে এই গরমের অজুহাত দেখিয়ে সবজিসহ আরও সব ধরনের খাদ্য পণ্যের বাড়িয়ে দিয়েছে।এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম বলেন, এখন চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপদাহ চলছে। মাঠে সবজিতে একটু ক্ষতি হচ্ছে। তাই কৃষক ও ব্যবসায়িরা সবজির দাম বাড়াচ্ছে। এজন্য বাজারে সবজির দাম বেশি। তবে সব রকম খাদ্য পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার জন্য বাজার মনিটরিং শুরু করা হবে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তখন সব পণ্যের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গায় এবার গরমের উত্তাপ কাঁচা বাজারে

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৪

তীব্র তাপপ্রবাহের অজুহাতে চুয়াডাঙ্গার বাজারে বেড়েছে ধরনের সবজি, মাংস ও প্যাকেটজাত মসলার দাম। ঈদের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও দাম কমেনি নিত্যপণ্যে। এজন্য কারণ হিসেবে প্রচণ্ড গরমকেই দায়ী করছেন বিক্রেতারা। গতকাল শুক্রবার চুয়াডাঙ্গার নিচের বাজারসহ বিভিন্ন বাজারের এই দামের চিত্র দেখা গেছে।শহরের নিচের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা তীব্র তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় বাজারে সবজির দামেও লেগেছে আগুনের আঁচ। সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে কেজিতে এখন বেগুনের দাম ৮০ টাকা কেজি। উচ্ছের দামে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ টাকা বাড়তি। তীব্র তাপদাহের কারণে সবজি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অজুহাত দেখিয়ে সবজির দাম ইচ্ছামতো হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। এতে সাধারণ ক্রেতারা সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। একদিকে তীব্র তাপদাহে পুড়ছে জনজীবন। অপরদিকে অস্বস্তি সবজির দামে। দাম বেড়েছে সব ধরনের প্যাকেজাত মসলার দাম। প্রতি প্যাকেটে ১০ টাকা বাড়তি। আর অন্যান্য প্যাকেটজাত খাদ্য পণ্যে ২ টাকা বাড়তি। তবে খোলা বাজারের মসলা ও অন্যান্য সব ধরনের নিত্য পণ্যের দাম কিছুটা নাগালের মধ্যে আছে। গেল রমজান মাস থেকে দাম বেশি সব ধরনের ডালের দাম। কেজিতে ২০ টাকা বাড়তি হয়ে ডাল বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই। লিটারে ১০ টাকা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের দাম ১৭৩ টাকা করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে।আর গরুর মাংসের দাম আগের মতো করে ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে খাসির মাংসের দাম কেজিতে ১ হাজার টাকা। তবে স্বস্তি ফিরেছে এই সপ্তাহে মাছের বাজারে। ব্রয়লার মুরগিসহ সব ধরনের মুরগির মাংসের দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। প্যারিস মুরগির দাম কেজিতে ২০০ টাকা বাড়তি হয়ে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। একইসাথে দাম কমেছে ডিম, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, কাচঁ ঝাল, আটা ও চালের বাজারে।বাজারে আসা এক ক্রেতা চদন চক্রবর্তী বলেন, বাজারের কাঁচা সবজির দাম অনেক বেশি। আবার দাম বাড়তি মাংসের। এই তীব্র গরমের মধ্যে সবজি দামেও অনেক। ঈদের আগেও বাজারের যে দাম ছিল, সেই একইভাবে সব জিনিসের দাম বাড়তি। এই দাম বাড়তে থাকলে খুব অসুবিধার মধ্যে পড়ে যাচ্ছি।অপর ক্রেতা মাহাফুজুর রহমান বলেন, ঈদের পর থেকেই আর বাজারে মনিটরিং করা হয়নি। তাই জিনিসের দাম আর কমার কোনো অবস্থা দেখছি না। বাজারে এই গরমের অজুহাত দেখিয়ে সবজিসহ আরও সব ধরনের খাদ্য পণ্যের বাড়িয়ে দিয়েছে।এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম বলেন, এখন চুয়াডাঙ্গায় তীব্র তাপদাহ চলছে। মাঠে সবজিতে একটু ক্ষতি হচ্ছে। তাই কৃষক ও ব্যবসায়িরা সবজির দাম বাড়াচ্ছে। এজন্য বাজারে সবজির দাম বেশি। তবে সব রকম খাদ্য পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখার জন্য বাজার মনিটরিং শুরু করা হবে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তখন সব পণ্যের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।