তীব্র গরমের মধ্যেই খুলল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অসন্তুষ্ট অভিভাবকরা।

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৪ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

বেশ কিছুদিন চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে তীব্র তাপপ্রবাহ। এই তাপপ্রবাহের কারণে আবারও তিনদিনের হিট অ্যালার্ট জারি আবহাওয়া অধিদপ্তর।এমন পরিস্থিতিতে আজ (রবিবার) থেকে খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। এই তীব্র গরমের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক অভিভাবক। তারা বলছেন- এই গরমে শিশুরা স্কুলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। শিশুসহ সব শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে সরকার আরও অন্তত একসপ্তাহ পরে স্কুল খুলতে পারতো।এদিকে, রবিবার ২৮ এপ্রিল সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রামসহ সারাদেশে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।এ পরিস্থিতিতে আরো ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন ধরে এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।এদিন, সকাল ৮টা থেকে শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে। সে কারণে রোদ ওঠার আগেই অভিভাবকরা সন্তানকে পৌঁছে দিয়েছেন স্কুলের আঙিনায়। একইসঙ্গে গরমে সুস্থ থাকতে সন্তানদের নানা উপদেশ দিয়েছেন অভিভাবকরা।স্কুল ছুটি হওয়ার আগে ছেলের জন্য অপেক্ষায় থাকা এক অভিভাবক বলেন, এমন গরমে স্কুল খোলাটা ঠিক হয়নি। পড়াশোনার চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি। বর্তমান সময়ে গরমে অনেক বাচ্চার জ্বর উঠছে। আর কয়েকদিন পর তাপমাত্রা কমলে ভালো হতো। তীব্র গরমের বিষয়টি সরকারের বিবেচনা করা দরকার।কাদের নামের আরেক অভিভাবক বলেন, এমন গরমে ক্লাস শুরু হওয়ায় আমি উদ্বিগ্ন। আগে ছেলেকে দিয়ে বাসায় চলে যেতাম। এখন বাইরে থেকে ক্লাসের জানালা দিয়ে দেখছি- ছেলে কি করছে।পারভিন আক্তার নামের এক অভিভাবক বলেন, এই গরমের মধ্যে স্কুল খোলাটা একদম উচিত হয়নি। আর কয়েকদিন স্কুল বন্ধ রাখলে কি অসুবিধা হতো। আমি প্রচণ্ড গরমে স্কুল খোলার বিপক্ষে।চট্টগ্রামের এক নারী সংবাদকর্মী ফেসবুকে লিখেন- একজন মা হিসেবে আমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে না। অন্তত গরমটা আরেকটু কমার জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা করা যেত। কয়েকদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না গেলে বাচ্চাগুলোর পড়াশোনার খুব বেশি একটা ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না।
















