ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর চরে খেলার মাঠ দখলের চেষ্টা প্রভাবশালী মহলের

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের যশের আব্দা এলাকায় প্রায় দুই যুগ পূর্বে খোয়াই নদীতে গজেঁ উঠা চরের খেলার মাঠটি হাল চাষ ও বাঁশের বেড়া দিয়ে দখলে নেওয়ার পায়তারা করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মৃত আর্শদ উল্লার পুত্র এডভোকেট আফিল উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি মাঠটি সংরক্ষণ করতে জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দেওয়া হয়।

এলাকাবাসী জানান, ওই এলাকায় যুবসমাজের খেলাধূলা করার একমাত্র স্থান হচ্ছে ওই মাঠ। এই মাঠ ছাড়া আর কোনো খেলার মাঠ নেই। এলাকার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় ছেলেমেয়েরা এই মাঠেই খেলাধুলা করে থাকে। এই মাঠেই ফুটবল অনুশীলন করে অনেকে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে। সরকারী কৃষ্ণ ধন সওদাগর প্রাথমিক বিদ্যালয়, যশের আব্দা ফজল নেছা দারুল আরবাম ইবতেদায়ী মাদরাসা, যশের আব্দা সমাজ কল্যাণ সমবায় সমিতি ক্লাব, যশের আব্দা একাদ্বশ ফুটবল ক্লাবসহ অনেক শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান এই মাঠটি ব্যবহারের পাশাপাশি নানা ধরণের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।

এই খেলার মাঠটি সংরক্ষণ করতে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের কাছে ১শ জন গ্রামবাসী স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক অভিযোগটি আমলে নিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন। এলাকাবাসী আরোও জানান, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে দলের প্রভাব খাটিয়ে একরকম গায়ের জোরেই এডভোকেট আফিল উদ্দিন খোয়াই নদীতে গঁজে উঠা মাঠটি দখলে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। তারা বলেন, নদীর ভিতরের জায়গা কোনভাবেই মালিকানা হতে পারে না এবং এই মাঠটি যে, সরকারের সম্পত্তি তার যথেষ্টে প্রমানাদি রয়েছে গ্রামবাসীর কাছে। অচিরেই মাঠটির বিষয়ে যদি সুষ্ঠ সমাধান না হয় যে কোনসময় দাঙ্গা হাঙ্গামার মত ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

চেকপোস্ট/এসবি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর চরে খেলার মাঠ দখলের চেষ্টা প্রভাবশালী মহলের

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০২৩

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হবিগঞ্জ শহরের যশের আব্দা এলাকায় প্রায় দুই যুগ পূর্বে খোয়াই নদীতে গজেঁ উঠা চরের খেলার মাঠটি হাল চাষ ও বাঁশের বেড়া দিয়ে দখলে নেওয়ার পায়তারা করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মৃত আর্শদ উল্লার পুত্র এডভোকেট আফিল উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি মাঠটি সংরক্ষণ করতে জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দেওয়া হয়।

এলাকাবাসী জানান, ওই এলাকায় যুবসমাজের খেলাধূলা করার একমাত্র স্থান হচ্ছে ওই মাঠ। এই মাঠ ছাড়া আর কোনো খেলার মাঠ নেই। এলাকার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় ছেলেমেয়েরা এই মাঠেই খেলাধুলা করে থাকে। এই মাঠেই ফুটবল অনুশীলন করে অনেকে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে। সরকারী কৃষ্ণ ধন সওদাগর প্রাথমিক বিদ্যালয়, যশের আব্দা ফজল নেছা দারুল আরবাম ইবতেদায়ী মাদরাসা, যশের আব্দা সমাজ কল্যাণ সমবায় সমিতি ক্লাব, যশের আব্দা একাদ্বশ ফুটবল ক্লাবসহ অনেক শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান এই মাঠটি ব্যবহারের পাশাপাশি নানা ধরণের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।

এই খেলার মাঠটি সংরক্ষণ করতে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহানের কাছে ১শ জন গ্রামবাসী স্বাক্ষরিত একটি স্বারকলিপি প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক অভিযোগটি আমলে নিয়ে উপজেলা প্রশাসনকে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন। এলাকাবাসী আরোও জানান, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে দলের প্রভাব খাটিয়ে একরকম গায়ের জোরেই এডভোকেট আফিল উদ্দিন খোয়াই নদীতে গঁজে উঠা মাঠটি দখলে নেওয়ার পায়তারা চালাচ্ছেন। তারা বলেন, নদীর ভিতরের জায়গা কোনভাবেই মালিকানা হতে পারে না এবং এই মাঠটি যে, সরকারের সম্পত্তি তার যথেষ্টে প্রমানাদি রয়েছে গ্রামবাসীর কাছে। অচিরেই মাঠটির বিষয়ে যদি সুষ্ঠ সমাধান না হয় যে কোনসময় দাঙ্গা হাঙ্গামার মত ঘটনা ঘটতে পারে। তাই এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

 

চেকপোস্ট/এসবি