ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক

নিজ আসনের এক গ্রামের নাম শুনে চমকে গেলেন আইনমন্ত্রী

মোঃ ছাদেক মিয়া ব্রাহ্মণবাড়ী জেলা প্রতিনিধি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪ ১০৩ বার পড়া হয়েছে

আখাউড়া উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রাম সম্পর্কে জানতেন না বলে মন্তব্য করলেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। শুক্রবার (১৭ মে) উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামবাসীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। এদিন আইনমন্ত্রী সেখানে এক সভায় অংশ নেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সোম, মঙ্গল ও বুধবার নিজ আসনের এলাকার লোকজনের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করেন। এদিন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মন্নান মিয়া মন্ত্রীর কাছে পরিচয় দিলেন তিনি কৃষ্ণনগর থেকে এসেছেন। তখন আইনমন্ত্রী জানতে চাইলেন কৃষ্ণনগর কোন জায়গা? তখন মান্নান মিয়া জানান, কৃষ্ণনগরে প্রাইমারি কোনো স্কুল নেই। যাওয়ার কোনো রাস্তায় নেই। এ সময় মন্ত্রী জানতে চাইলেন এটা বাংলাদেশের কোন জায়গায়? উত্তরে মান্নান মিয়া বললেন, আখাউড়া উপজেলারই একটি গ্রাম। একথা শুনে মন্ত্রী চমকে গিয়ে বললেন আস্তাগফিরুল্লাহ।  আইনমন্ত্রী কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন থেকে আসা মান্নান মিয়াকে দরখাস্ত করার পরামর্শ দে। এ সময় তিনি আশ্বস্ত করেন, বেঁচে থাকলে কৃষ্ণনগরে ব্রিজও হবে, স্কুলও হবে। আমার এই ইউনিয়ন অন্ধকারে থাকতে পারে না আইনমন্ত্রী আপসোস করে বলেন, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে সংসদ নির্বাচিত হয়েও কৃষ্ণনগরে আসতে পারিনি। তবে কৃষ্ণনগরে যাবার প্রত্যয় ছিল মন্ত্রীর। এবার উপজেলা নির্বাচন হওয়ায় আখাউড়া উপজেলার নেতাকর্মীরা ব্যস্ত। সেই সুযোগে তিনি কৃষ্ণনগর এসেছেন বলে জানান। এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বোরহান উদ্দিন, ধরখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। প্রসঙ্গত, বর্তমানে এই অবহেলিত গ্রামটিতে ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকায় ১ হাজার ৯০০ মিটারের রাস্তা তৈরির প্রস্তাবনা রয়েছে। তাছাড় ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় তৈরি হচ্ছে একটি ব্রিজ। এমনকি আনুমানিক ৩৮ শতক জায়গায় বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য দান করেছে গ্রামবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নিজ আসনের এক গ্রামের নাম শুনে চমকে গেলেন আইনমন্ত্রী

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪

আখাউড়া উপজেলার কৃষ্ণনগর গ্রাম সম্পর্কে জানতেন না বলে মন্তব্য করলেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। শুক্রবার (১৭ মে) উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামবাসীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। এদিন আইনমন্ত্রী সেখানে এক সভায় অংশ নেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সোম, মঙ্গল ও বুধবার নিজ আসনের এলাকার লোকজনের সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করেন। এদিন কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মন্নান মিয়া মন্ত্রীর কাছে পরিচয় দিলেন তিনি কৃষ্ণনগর থেকে এসেছেন। তখন আইনমন্ত্রী জানতে চাইলেন কৃষ্ণনগর কোন জায়গা? তখন মান্নান মিয়া জানান, কৃষ্ণনগরে প্রাইমারি কোনো স্কুল নেই। যাওয়ার কোনো রাস্তায় নেই। এ সময় মন্ত্রী জানতে চাইলেন এটা বাংলাদেশের কোন জায়গায়? উত্তরে মান্নান মিয়া বললেন, আখাউড়া উপজেলারই একটি গ্রাম। একথা শুনে মন্ত্রী চমকে গিয়ে বললেন আস্তাগফিরুল্লাহ।  আইনমন্ত্রী কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন থেকে আসা মান্নান মিয়াকে দরখাস্ত করার পরামর্শ দে। এ সময় তিনি আশ্বস্ত করেন, বেঁচে থাকলে কৃষ্ণনগরে ব্রিজও হবে, স্কুলও হবে। আমার এই ইউনিয়ন অন্ধকারে থাকতে পারে না আইনমন্ত্রী আপসোস করে বলেন, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে সংসদ নির্বাচিত হয়েও কৃষ্ণনগরে আসতে পারিনি। তবে কৃষ্ণনগরে যাবার প্রত্যয় ছিল মন্ত্রীর। এবার উপজেলা নির্বাচন হওয়ায় আখাউড়া উপজেলার নেতাকর্মীরা ব্যস্ত। সেই সুযোগে তিনি কৃষ্ণনগর এসেছেন বলে জানান। এসময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বোরহান উদ্দিন, ধরখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। প্রসঙ্গত, বর্তমানে এই অবহেলিত গ্রামটিতে ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকায় ১ হাজার ৯০০ মিটারের রাস্তা তৈরির প্রস্তাবনা রয়েছে। তাছাড় ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকায় তৈরি হচ্ছে একটি ব্রিজ। এমনকি আনুমানিক ৩৮ শতক জায়গায় বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য দান করেছে গ্রামবাসী।