ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে। ” —প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।  বাংলাদেশে টাকার অদ্ভুত বাজার: গুলিস্তানের হকারদের কাছে নতুন নোট—কার হাতে নিয়ন্ত্রণ কোন্ডা ইউনিকন চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের ঈদ সামগ্রী বিতরণ , ইফতার ও দোয়া মাহফিল  খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বর–কনে, বাবা ও তিন ভাইসহ একই পরিবারের ১২ জনের মর্মান্তিক মৃ*ত্যু স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান

বাড়ীতে যাচ্ছেন অনেকে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও

রিপোর্টার রোজিনা বেগম 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ঈদুল আজহার পরেরদিনেও নাড়ির টানে প্রিয়জনদের কাছে ঘরে ফিরতে দেখা গেছে অনেক মানুষকে। তবে এদিন দুপুর পর্যন্ত কিছু মানুষকে কর্মস্থলে ফিরতেও দেখা গেছে। এ সময়ে উত্তরের এই মহাসড়কে কিছু যানবাহন চলাচল করলেও বেশিরভাগ সময়ই অনেকটাই ফাঁকা ছিল। মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য সময়ের চেয়েও মহাসড়কে যানবাহন খুবই কম। অনেক সময়ই মহাসড়ক ফাঁকা থাকছে। তবে ঈদের পরেরদিনেও বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে অনেককে। এছাড়া কর্মস্থলে ফেরা মানুষের সংখ্যা ছিল খুবই কম। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় ঢাকাগামী অন্তত ১৫-২০টি বাস দাঁড়িয়ে থাকলেও মিলছে না আশানুরূপ যাত্রী। খোলা ট্রাকে ঢাকা থেকে প্রিয়জনদের কাছে ফিরছেন গার্মেন্টসকর্মী নাজমা আক্তার। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় নামার পরেই কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঈদের আগে আসতে পারিনি। তবে ঈদের পরেরদিন হলেও প্রিয়জনদের কাছে যাচ্ছি। আগে না আসতে পারার কষ্ট নেই। কারণ পরে এসেছি যেন বাড়ির সবার সঙ্গে কয়েকদিন বেশি থাকতে পারি। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা গাইবান্ধা থেকে ঢাকাগামী একটি বাসের সুপারভাইজার আব্দুল মান্নান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এখনো তেমন কেউ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেননি। এখন যারা যাচ্ছেন তারা নেহাতই বাধ্য হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে যাত্রীও তেমন হচ্ছে না। এখান থেকে একটা বাস ভর্তি করে ছেড়ে যেতে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. জাফর উল্লাহ রুবেল ঢাকা পোস্টকে বলেন, মহাসড়কে যান চলাচল খুবই কম। তারপরও আমরা সচেষ্ট রয়েছি। ধারণা করছি আগামী শনিবার ও রোববার মহাসড়কে কর্মস্থলে ফিরতি মানুষের ও যানবাহনের চাপ বাড়তে পারে। ঈদ পরবর্তী যাত্রাতেও মহাসড়কে কোনো ভোগান্তি থাকবে না বলে আশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাড়ীতে যাচ্ছেন অনেকে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৩:২৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে ঈদুল আজহার পরেরদিনেও নাড়ির টানে প্রিয়জনদের কাছে ঘরে ফিরতে দেখা গেছে অনেক মানুষকে। তবে এদিন দুপুর পর্যন্ত কিছু মানুষকে কর্মস্থলে ফিরতেও দেখা গেছে। এ সময়ে উত্তরের এই মহাসড়কে কিছু যানবাহন চলাচল করলেও বেশিরভাগ সময়ই অনেকটাই ফাঁকা ছিল। মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের মহাসড়ক ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য সময়ের চেয়েও মহাসড়কে যানবাহন খুবই কম। অনেক সময়ই মহাসড়ক ফাঁকা থাকছে। তবে ঈদের পরেরদিনেও বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে অনেককে। এছাড়া কর্মস্থলে ফেরা মানুষের সংখ্যা ছিল খুবই কম। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় ঢাকাগামী অন্তত ১৫-২০টি বাস দাঁড়িয়ে থাকলেও মিলছে না আশানুরূপ যাত্রী। খোলা ট্রাকে ঢাকা থেকে প্রিয়জনদের কাছে ফিরছেন গার্মেন্টসকর্মী নাজমা আক্তার। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় নামার পরেই কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঈদের আগে আসতে পারিনি। তবে ঈদের পরেরদিন হলেও প্রিয়জনদের কাছে যাচ্ছি। আগে না আসতে পারার কষ্ট নেই। কারণ পরে এসেছি যেন বাড়ির সবার সঙ্গে কয়েকদিন বেশি থাকতে পারি। হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা গাইবান্ধা থেকে ঢাকাগামী একটি বাসের সুপারভাইজার আব্দুল মান্নান ঢাকা পোস্টকে বলেন, এখনো তেমন কেউ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেননি। এখন যারা যাচ্ছেন তারা নেহাতই বাধ্য হয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে যাত্রীও তেমন হচ্ছে না। এখান থেকে একটা বাস ভর্তি করে ছেড়ে যেতে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. জাফর উল্লাহ রুবেল ঢাকা পোস্টকে বলেন, মহাসড়কে যান চলাচল খুবই কম। তারপরও আমরা সচেষ্ট রয়েছি। ধারণা করছি আগামী শনিবার ও রোববার মহাসড়কে কর্মস্থলে ফিরতি মানুষের ও যানবাহনের চাপ বাড়তে পারে। ঈদ পরবর্তী যাত্রাতেও মহাসড়কে কোনো ভোগান্তি থাকবে না বলে আশা করছি।