মিলন মোল্লা এক নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও হিন্দু পরিবারকে হুমকির অভিযোগ

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:২২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪ ৯০ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী জেলা রাঙ্গাবালী উপজেলা চর মোন্তাজ ইউনিয়ন, চর মারগ্রেট নামে পরিচিত মোঃ মিলন মোল্লা এক নেতার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বঙ্কিম চন্দ্র ভুঁইয়া এক হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া এক হিন্দু সম্প্রদায়ের পরিবারকে মারধর করার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে, সে গলাচিপা উপজেলা ডাকুয়া ইউনিয়ন একটা মেয়ে, কে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে মেরে ফেলেছে , তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে। ওই নেতা নাম মিলন মোল্লা, তার বাবা নাম আজিজ মোল্লা মিলন মোল্লা মোবাইল নাম্বার ০১৭২১২৭১১৩৭ । তিনি চর মারগ্রেট ইউনিয়ন এ সব করে। এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।স্থানীয় লোকজন এবং ভূক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে চর মোন্তাজ ইউনিয়নের, গ্রামের নিধুরাম ভুইয়া পরিবারের লোকজন, এরপর থেকে ওই জমিতে বঙ্কিম চন্দ্র ভুঁইয়া চাষাবাদ করে আসছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ আগস্ট মিলনমোল্লা ১৫ থেকে ২০ জন নিয়ে ওই জায়গা দখল করেন। এর পর ওই জমিতে চাষাবাদ এমনকি জমির কাছে না যেতে বঙ্কিম চন্দ্র ভুঁইয়া হুমকিধমকি দেন।ধারদেনা করে বহুকষ্টে ওই জমি কিনছি। আমার জমির সকল কাগজপত্রও ঠিকঠাক আছে। নিয়মিত জমির খাজনাও দিয়্যা আইছি। আমরা কোনো দল করি না। মিলন মোল্লা জোর কইর্যা আমার ওই জমি দহল নিছে। তাঁর ভয়ে ওই জমিতে যাইতে পারতাছি না।’এ ব্যাপারে বিএনপি নেতা বলেন, ওই জমি তাঁদের সম্পদ। জমির সব কাগজপত্র তাঁদের নামে রয়েছে। কারও জমি জোর করে দখল করা হয়নি।চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কেন ওই জমিতে দখল নিতে গেলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জমি পত্রিক ছিল। জমির রায় তাঁর পক্ষে পেয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।আতঙ্কে এক হিন্দু পরিবার: মিলন মোল্লা এই নেতার হুমকিধমকিতে চর মারগ্রেট গ্রামের এক হিন্দু পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছেন। মারধরের ভয়ে ওই পরিবারের পুরুষ মানুষ বাজারে যেতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।গতকাল দুপুরে সরেজমিনে ভূক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় এক মাসের আগে চর মারগ্রেট বঙ্কিম চন্দ্র ভুঁইয়া গ্রামের আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে জমিসংক্রান্ত পারিবারিক আর্থিক সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার কথা বলে ১৭হাজার টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে পারিবারিকভাবে বিরোধ মিমাংসা করেন এবং চাহিদার টাকা, এ নিয়ে তাঁর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ও তাঁর দুইজন সহযোগী দিয়ে বঙ্কিম চন্দ্র ভুঁইয়া কে মারধর করার হুমকি দেন।আমার বাবা ছাড়া আমাদের সংসারের উপার্জনের কেউ নেই। হুমকিধমকির কারণে আমার বাবা বাজারে কর্মস্থল যেতে পারছেন না, এমনকি মারধরের ভয়ে বাজারেও যেতে পারছেন না। কখন যেন আমার বাবাকে মারধর করা হয়, তা নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে আছি। এরপরও আমাকে মারবে-কাটবে বলে হুমকি দিচ্ছে।’এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতা বলেন, স্বৈরাচার সরকারের সময় তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা করা হয়েছে। তাঁর ধারণা, এসব মামলায় তাঁকে আসামি করার ক্ষেত্রে ভূমিকা ছিল। তবে তাঁকে মারধর করার হুমকিধমকি দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। কোনো হুমকিধমকি দেননি।এসব বিষয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও জেলা বি এনপির সভাপতি বলেন, কোনোকিছু ভাঙচুর, দখল, চাঁদাবাজি এবং হুমকিধমকি না দিতে দলীয় নেতা কর্মীদের কঠোরভাবে হুশিয়ার দেওয়া হয়েছে, এর পরও কেউ যদি এসব করলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।
















