ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

স্টাফ রিপোর্টার রোজিনা বেগম 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

আমরা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৪ এর ৩য় ধাপের পরীক্ষার্থী। বিগত ২৯-০৩- ২০২৪ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত ৩য় ধাপের (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে) ২১ টি জেলার সর্বমোট ৩লক্ষ ৫৯ হাজার ২১৩ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। আপনারা জানেন, দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও উত্তরপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়াই আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যাপক মর্মাহত ও হতাশ হয়ে পড়েছি। প্রথম পর্যায়ের পাশ করিয়েছে ২৩,০৫৭ জন এবং পরে দুইটি সেটের ভুল প্রমাণ হওয়াই মাত্র ৫ ঘন্টার ব্যবধানে ৪৬,১৯৯ জনকে পাশ করিয়েছে। এইগুলো ছাড়াও বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কারণে আজকে মেধাবী প্রার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে পিছিয়ে পড়েছে। ২৯/০৩/২০২৪ ইং বেলা ১০.০০ ঘটিকা হইতে ১১.০০ ঘটিকা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয় কিন্তু পরীক্ষার আগের রাত থেকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র ছড়িয়ে পরে তাই আমরা সাধারণ শিক্ষার্থী আশা রাখছি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আমাদের এক দফা এক দাবি উক্ত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিবেন। আপমারা জানেন, প্রাইমারি তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় প্রচুর অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতির বিশাল সিন্ডিকেট, প্রভাবশালী আওয়ামী রাজনীতিবিদ ও কুচক্রমহল রয়েছে। এদের প্রভাব সর্বত্র। প্রশ্নফাঁসকারীরা মেয়েদেরকে কোটার লোভ দেখিয়ে মাঠে নামিয়েছে। প্রশ্নফাসের অভিযোগ এনে রিট করা হয়েছিল। হাসিনা সরকারকে ব্যবহার করে অধিদপ্তর রিট খারিজ করে নেয়। সরকার পতনের পর দ্রুত রেজাল্ট প্রকাশের জন্য তারা সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে, প্রেসক্লাবে ক্রমাগত মানববন্ধন, শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন, অনশন আরও ভিন্ন ভিন্ন নামে তারা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা কৌশলে মেয়েদেরকে কোটার লোভ দেখিয়ে তারা তাদের আন্দোলনকে বেগবান করেছে। তারা প্রথমে নারীদেরকে ব্যবহার করে হাইকোর্টকে ম্যানেজ করেছে, এরপর অধিদপ্তরকে। এখন রেজাল্ট প্রকাশের বিষয়টা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিবেচনায় আছে। প্রশ্ন ফাঁসকারীরা তৎপর হয়ে উঠেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত রেজাল্ট প্রকাশের সম্মতি নিতে। সর্বশেষ এই চক্র ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ এ মার্চ টু ডিপিই, মিরপুর-২(March to DPE, Mirpur-2) (রজাল্টের দাবিতে রাত ৭ টা পর্যন্তঅধিদপ্তরকে চাপ দিতে গিয়ে গেট ভালা দিয়ে রাখে। কিন্তু তারা সফল হয় নি। এখন তারা ভিন্ন কৌশলে দ্রুত সময়ের মধ্য রেজাল্ট প্রকাশের দাবিতে সামনের দিকে আগাব্দে। অতএব এ রেজাল্ট প্রকাশিত হলে: মেধাবীদেরকে অবমূল্যায়ন করা হবে। সেই সাথে স্বৈরাচারের দালাল-দুর্নীতিবাজরা ঢাকরি পেয়ে যাবেন। এসব প্রশ্নফাঁসকারীরা চাকরি পেয়ে গেলে শিক্ষকতার নামে মহান পেশাটি কলুষিত হবে। শিক্ষাব্যবস্থার পাংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাবে। এখন সময় রয়েছে আপনার মিডিয়ায় এসব কারচুপির তথ্য তুলে ধরতে পারলে এদেশের মেধাবী প্রজন্মরা উপকৃত হবে। আমরা নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে এ অনিয়ম কখনোই ঘটতে দিতে চাই না। তাই আসুন, আমরা একত্র হয়ে সকল অন্যায়- অনিয়ম, দুর্নীতিবাজ, দালাল-সিন্ডিকেট, প্রশ্নফাঁসকারী ও কুচক্রমহলের বিরুদ্ধে রুথে দাড়াই। একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখি। তাই ব্যাপক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অব্যবস্থাপনা ও উত্তরপত্র জালিয়াতির জন্য আমাদের একদফা একদাবি এই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমরা বৈষম্য বিরোধী প্রাইমারি ৩য় ধাপ, ২০২৪ (ঢাকা-চট্টগ্রাম) বাতিল প্রত্যাশী পরীক্ষার্থীবৃন্দ মানববন্ধন এর ডাক দিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আমরা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৪ এর ৩য় ধাপের পরীক্ষার্থী। বিগত ২৯-০৩- ২০২৪ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত ৩য় ধাপের (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে) ২১ টি জেলার সর্বমোট ৩লক্ষ ৫৯ হাজার ২১৩ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন। আপনারা জানেন, দেশব্যাপী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও উত্তরপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়াই আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যাপক মর্মাহত ও হতাশ হয়ে পড়েছি। প্রথম পর্যায়ের পাশ করিয়েছে ২৩,০৫৭ জন এবং পরে দুইটি সেটের ভুল প্রমাণ হওয়াই মাত্র ৫ ঘন্টার ব্যবধানে ৪৬,১৯৯ জনকে পাশ করিয়েছে। এইগুলো ছাড়াও বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কারণে আজকে মেধাবী প্রার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে পিছিয়ে পড়েছে। ২৯/০৩/২০২৪ ইং বেলা ১০.০০ ঘটিকা হইতে ১১.০০ ঘটিকা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয় কিন্তু পরীক্ষার আগের রাত থেকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র ছড়িয়ে পরে তাই আমরা সাধারণ শিক্ষার্থী আশা রাখছি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আমাদের এক দফা এক দাবি উক্ত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দিবেন। আপমারা জানেন, প্রাইমারি তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় প্রচুর অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতির বিশাল সিন্ডিকেট, প্রভাবশালী আওয়ামী রাজনীতিবিদ ও কুচক্রমহল রয়েছে। এদের প্রভাব সর্বত্র। প্রশ্নফাঁসকারীরা মেয়েদেরকে কোটার লোভ দেখিয়ে মাঠে নামিয়েছে। প্রশ্নফাসের অভিযোগ এনে রিট করা হয়েছিল। হাসিনা সরকারকে ব্যবহার করে অধিদপ্তর রিট খারিজ করে নেয়। সরকার পতনের পর দ্রুত রেজাল্ট প্রকাশের জন্য তারা সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। তারা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে, প্রেসক্লাবে ক্রমাগত মানববন্ধন, শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন, অনশন আরও ভিন্ন ভিন্ন নামে তারা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা কৌশলে মেয়েদেরকে কোটার লোভ দেখিয়ে তারা তাদের আন্দোলনকে বেগবান করেছে। তারা প্রথমে নারীদেরকে ব্যবহার করে হাইকোর্টকে ম্যানেজ করেছে, এরপর অধিদপ্তরকে। এখন রেজাল্ট প্রকাশের বিষয়টা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিবেচনায় আছে। প্রশ্ন ফাঁসকারীরা তৎপর হয়ে উঠেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে দ্রুত রেজাল্ট প্রকাশের সম্মতি নিতে। সর্বশেষ এই চক্র ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ এ মার্চ টু ডিপিই, মিরপুর-২(March to DPE, Mirpur-2) (রজাল্টের দাবিতে রাত ৭ টা পর্যন্তঅধিদপ্তরকে চাপ দিতে গিয়ে গেট ভালা দিয়ে রাখে। কিন্তু তারা সফল হয় নি। এখন তারা ভিন্ন কৌশলে দ্রুত সময়ের মধ্য রেজাল্ট প্রকাশের দাবিতে সামনের দিকে আগাব্দে। অতএব এ রেজাল্ট প্রকাশিত হলে: মেধাবীদেরকে অবমূল্যায়ন করা হবে। সেই সাথে স্বৈরাচারের দালাল-দুর্নীতিবাজরা ঢাকরি পেয়ে যাবেন। এসব প্রশ্নফাঁসকারীরা চাকরি পেয়ে গেলে শিক্ষকতার নামে মহান পেশাটি কলুষিত হবে। শিক্ষাব্যবস্থার পাংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাবে। এখন সময় রয়েছে আপনার মিডিয়ায় এসব কারচুপির তথ্য তুলে ধরতে পারলে এদেশের মেধাবী প্রজন্মরা উপকৃত হবে। আমরা নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে এ অনিয়ম কখনোই ঘটতে দিতে চাই না। তাই আসুন, আমরা একত্র হয়ে সকল অন্যায়- অনিয়ম, দুর্নীতিবাজ, দালাল-সিন্ডিকেট, প্রশ্নফাঁসকারী ও কুচক্রমহলের বিরুদ্ধে রুথে দাড়াই। একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখি। তাই ব্যাপক প্রশ্নপত্র ফাঁস, অব্যবস্থাপনা ও উত্তরপত্র জালিয়াতির জন্য আমাদের একদফা একদাবি এই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমরা বৈষম্য বিরোধী প্রাইমারি ৩য় ধাপ, ২০২৪ (ঢাকা-চট্টগ্রাম) বাতিল প্রত্যাশী পরীক্ষার্থীবৃন্দ মানববন্ধন এর ডাক দিয়েছি।