ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবসেবার অঙ্গীকার নিয়ে ট্রেনিং সেন্টারের পথে ডা. আব্দুল হালিম এসকে ভূমি সেবা দুর্নীতিমুক্ত রাখতে সবার প্রতি আহ্বান — মোঃ আলমগীর হোসেন পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে র‌্যাব-৮, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল।  মিডিল ইস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান জনগণের সমর্থন নিয়ে ইউপি নির্বাচনে অংশ নিতে চান শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া।  গণঅধিকার পরিষদে আনিসুর রহমান মুন্নার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার COAST Foundation সমৃদ্ধি কর্মসূচি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকে এস এফ) এর সহায়তায় নাক,কান,গলা ও মেডিসিন বিষয়ক বিনামুল্যে স্বাস্থ‍্যক‍্যাম্প 2026 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৫ কর্মী, হযরত শাহজালালে সহায়তা নিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত Abdulla Ali AlHmoudi পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক” কর্তৃক শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চ শিক্ষার নামে আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত ও দোষীদের শাস্তির দাবী

রিপোর্টার রোজিনা বেগম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:১২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

আমরা টাজ শিক্ষার্থে বিদেশে গমনেচ্ছ সহস্রাধিক প্রতারিত শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

ক্যামব্রিয়ান এডুকোন গ্রুপ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বি এস বি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক (প্লট-২২, ৩য় তলা, সার্কেল- ২, ০শশান, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ) বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া এবং পৃথিবীর উন্নত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য প্রলোভন দেখিয়ে আমাদের থেকে টাকা গ্রহণ করে এবং কলেজে সেশন ফি বাবদ যে টাকাগুলো দেওয়া হয় তা বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে উক্ত কলেজ/ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন ফি প্রদান করতে হয়। কিন্তু সেটি না করে মানি লন্ডারিং আইন বহির্ভূত কাজ করে। সেই টাকাগুলো আমাদের থেকে নিয়ে যে আত্মসাৎ

মূলত সেই কলেজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা গুল্যে স্টুডেন্ট একাউন্ট করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানোর নিয়ম। কিন্তু

সেটি সে করেনি এবং বিদেশী কলেজ গুলোর ভুয়া অফার লেটার তৈরি করে টাকা না পাঠিয়ে আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। এরকম ভূক্তভোগীর সংখ্যা শহস্রাধিক ও প্রত্যেকের পাওনা টাকার পরিমান গড়ে ২০ লক্ষ টাকা। তাঁদের দেওয়া নিস্টট অনুযায়ী ৮৫০+ শিক্ষার্থী। আমাদের ধারনা ২০০০+ শিক্ষার্থীর মোট টাকা ৫শ কোটি টাকা সে আত্বসাৎ করেছে। বিগত সরকারের আমলে উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করে। যার ফলশ্রুতিতে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর শিক্ষাজীবন বিপর্যস্ত হয়, এবং উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় এবং আর্থিকভাবে প্রতিটি পরিবার অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরবর্তীতে অনেক দেন- দরবার করার পর পাওনা টাকার বিপরীতে বিএসবি কর্তৃপক্ষ অনেক পাওনাদারকে বি এস বি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এর চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল বাশার বাহার স্বাক্ষরিত চেক প্রদান করে যা ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখাতহয়।

টাকা উদ্ধারের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলে এবং পরে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গেলে বিএসবির চেয়্যারম্যান খাইরুল বাশারের গুন্ডাবাহিনী আক্রমন চালায়। এছাড়া পাওনাদারদের ক্রমাগত টাকা না দেবার হুমকি দিয়ে আসছে।

সর্বশেষ গত ২৭-৮-২০২৪ ইং তারিখে বিএসবির চেয়ারম্যান বাশার ও পাওনাদারদের এক প্রতিনিধি দলের সাথে এই মর্মে ইাম্প গেপরে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যে, সমুদয় পাওনা টাকা ৩ কিস্তিতে যথাক্রমে ২৩ সেপ্টেম্বর, ২২ অক্টোবর ও ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ইং ভারিখে সকলকে পরিশোধ করবে। কিন্তু প্রথম কিস্তি পরিশোধের দিন (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪) অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হয় ও তাঁর গুন্ডাবাহিনী দিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায় ও সেখানে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়। যা গুলশান থানা প্রশাসন অবগত আছেন।

এমতাবস্থায় নিরুপায় হয়ে টাকা উদ্ধার ও নিরাপত্তার জন্য অনেকে জিডি, প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছে

এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা-আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। বর্তমানে বি এস বি গ্রোবল নেটওয়ার্ক এর কার্যক্রম আনুমানিক ৩৫-৪০ দিন ধরে বন্ধ করে রেখেছে ও অদ্যাবধি বন্ধ আছে এবং সকল মোবাইল নং বন্ধ করে দিয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ করছে না। এবং চেয়ারম্যান মোঃ খাইলা বাশার অজ্ঞাতস্থানে আত্মগোপনে রয়েছে।

প্রিয় সংবাদিকবৃন্দ, এমতবস্থায় নিরুপায় হয়ে আপনাদের মাধ্যমে প্রায় এক হাজার ছাত্র- ছাত্রীর শিক্ষাজীবন বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা ও ভবিষ্যাতে যেন কোন শিক্ষার্থী প্রতারিত না হয়, সেজন্য আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার, সেইসাথে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান বিপনি গ্রোয়াল নেটওয়ার্ক এবং ক্যামব্রিয়ান এডুকেসন গ্রুপ এর চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল বাশার ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসন তথা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি। দিনীম নিবেদন,দিগেছি দোহল বৌওয়ার্ক কর্তৃক প্রভাবিত ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীবৃন্দের পক্ষে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক” কর্তৃক শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চ শিক্ষার নামে আত্মসাৎকৃত টাকা ফেরত ও দোষীদের শাস্তির দাবী

নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:১২:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

আমরা টাজ শিক্ষার্থে বিদেশে গমনেচ্ছ সহস্রাধিক প্রতারিত শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

ক্যামব্রিয়ান এডুকোন গ্রুপ এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বি এস বি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক (প্লট-২২, ৩য় তলা, সার্কেল- ২, ০শশান, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ) বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা আমেরিকা অস্ট্রেলিয়া এবং পৃথিবীর উন্নত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য প্রলোভন দেখিয়ে আমাদের থেকে টাকা গ্রহণ করে এবং কলেজে সেশন ফি বাবদ যে টাকাগুলো দেওয়া হয় তা বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে উক্ত কলেজ/ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন ফি প্রদান করতে হয়। কিন্তু সেটি না করে মানি লন্ডারিং আইন বহির্ভূত কাজ করে। সেই টাকাগুলো আমাদের থেকে নিয়ে যে আত্মসাৎ

মূলত সেই কলেজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা গুল্যে স্টুডেন্ট একাউন্ট করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানোর নিয়ম। কিন্তু

সেটি সে করেনি এবং বিদেশী কলেজ গুলোর ভুয়া অফার লেটার তৈরি করে টাকা না পাঠিয়ে আমাদের সাথে প্রতারণা করেছে। এরকম ভূক্তভোগীর সংখ্যা শহস্রাধিক ও প্রত্যেকের পাওনা টাকার পরিমান গড়ে ২০ লক্ষ টাকা। তাঁদের দেওয়া নিস্টট অনুযায়ী ৮৫০+ শিক্ষার্থী। আমাদের ধারনা ২০০০+ শিক্ষার্থীর মোট টাকা ৫শ কোটি টাকা সে আত্বসাৎ করেছে। বিগত সরকারের আমলে উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করে। যার ফলশ্রুতিতে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর শিক্ষাজীবন বিপর্যস্ত হয়, এবং উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় এবং আর্থিকভাবে প্রতিটি পরিবার অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরবর্তীতে অনেক দেন- দরবার করার পর পাওনা টাকার বিপরীতে বিএসবি কর্তৃপক্ষ অনেক পাওনাদারকে বি এস বি গ্লোবাল নেটওয়ার্ক এর চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল বাশার বাহার স্বাক্ষরিত চেক প্রদান করে যা ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখাতহয়।

টাকা উদ্ধারের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলে এবং পরে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গেলে বিএসবির চেয়্যারম্যান খাইরুল বাশারের গুন্ডাবাহিনী আক্রমন চালায়। এছাড়া পাওনাদারদের ক্রমাগত টাকা না দেবার হুমকি দিয়ে আসছে।

সর্বশেষ গত ২৭-৮-২০২৪ ইং তারিখে বিএসবির চেয়ারম্যান বাশার ও পাওনাদারদের এক প্রতিনিধি দলের সাথে এই মর্মে ইাম্প গেপরে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যে, সমুদয় পাওনা টাকা ৩ কিস্তিতে যথাক্রমে ২৩ সেপ্টেম্বর, ২২ অক্টোবর ও ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ইং ভারিখে সকলকে পরিশোধ করবে। কিন্তু প্রথম কিস্তি পরিশোধের দিন (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪) অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হয় ও তাঁর গুন্ডাবাহিনী দিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায় ও সেখানে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়। যা গুলশান থানা প্রশাসন অবগত আছেন।

এমতাবস্থায় নিরুপায় হয়ে টাকা উদ্ধার ও নিরাপত্তার জন্য অনেকে জিডি, প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করেছে

এবং বিভিন্ন নিরাপত্তা-আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। বর্তমানে বি এস বি গ্রোবল নেটওয়ার্ক এর কার্যক্রম আনুমানিক ৩৫-৪০ দিন ধরে বন্ধ করে রেখেছে ও অদ্যাবধি বন্ধ আছে এবং সকল মোবাইল নং বন্ধ করে দিয়েছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ করছে না। এবং চেয়ারম্যান মোঃ খাইলা বাশার অজ্ঞাতস্থানে আত্মগোপনে রয়েছে।

প্রিয় সংবাদিকবৃন্দ, এমতবস্থায় নিরুপায় হয়ে আপনাদের মাধ্যমে প্রায় এক হাজার ছাত্র- ছাত্রীর শিক্ষাজীবন বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা ও ভবিষ্যাতে যেন কোন শিক্ষার্থী প্রতারিত না হয়, সেজন্য আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধার, সেইসাথে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান বিপনি গ্রোয়াল নেটওয়ার্ক এবং ক্যামব্রিয়ান এডুকেসন গ্রুপ এর চেয়ারম্যান মোঃ খাইরুল বাশার ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসন তথা সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি। দিনীম নিবেদন,দিগেছি দোহল বৌওয়ার্ক কর্তৃক প্রভাবিত ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীবৃন্দের পক্ষে